
বই পড়ুয়া বন্ধুরা। আপনারা যারা বই পড়তে ভালবাসেন তাদের জন্য একটি বইয়ের তথ্য দিচ্ছি। পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে এ পর্যন্ত যতো বই লেখা ও প্রকাশ হয়েছে তা ছিলো অনেকটাই একচেটিয়া। এর বহুবিধ কারণ ছিলো। একদিকে উপজাতীয় শিক্ষিত এলিট শ্রেণী অন্যদিকে উপজাতীয় চাঁদাবাজির বিপুল টাকা ব্যয়ে ঢাকার কথিত চেতনাধারীরেদ কথিত লেখা প্রকাশ পেয়েছে। আর এসব বই পড়েই পার্বত্য চট্টগ্রাম, বাঙ্গালী, বাংলাদেশের গর্বিত সেনাবাহিনী সম্পর্কে আপনার এমন কিছু ধারণা সৃষ্টি হয়েছে যা বাস্তবতার সাথে অধিকাংশের মিল নেই বললেই চলে। অনেকের মাঝে এমনও ধারনা জন্মেছে যে, পাহাড়ের উপজাতীয়রা যুগযুগ ধরে রাষ্ট্র কর্তৃক নির্যাতিত হয়ে আসছে। শুধু তাই নয় অনেকে মনে করে যে, পাহাড়ের বাঙ্গালী আর সেনাবাহিনী মিলে একটাই কাজ কেবল উপজাতীয় মেয়েদের ধর্ষণ।
অথচো প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার বাঙ্গালীর রক্তে রঞ্জিত পার্বত্য চট্টগ্রাম! শুধুমাত্র বাংলাদেশের অখন্ডতা রক্ষায় বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন "শান্তিববাহিনীর " হাতে এসব বাঙ্গালী তাদের প্রাণ অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছে।
স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন। বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর পরই স্বার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছিলো(আজও অব্যাহত আছে)। আর ঐ ভুমি ছিলো পার্বত্য চট্টগ্রাম। সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রণ, দেশের নিরাপত্তা, গহীন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়নের প্রয়োজনে তৎকালীন সময়ে সমতল থেকে দেশের প্রতি আনুগত্য আছে এমন জনসংখ্যা পার্বত্য চট্টগ্রামে বৃদ্ধি করাটা ছিলো কালের দাবি। অতি দুঃখের সাথে বলতে হয় সেই বাস্তবতাকে মানতে নারাজ আজকের কথিত ঢাকাইয়া বুদ্ধিজীবীরা(সবাই নয়)। যাদের আস্করা পেতে পেতে পাহাড়ের বিচ্ছিন্নতাবাদীরা আবারও ব্যপরোয়া হয়ে উঠছে।
প্রিয় ভাইয়েরা আসুন বুঝার চেষ্টা করি। প্রথম আলোর ঝাঝালো রিপোর্ট আর একচেটিয়া বই পড়ে সবকিছু বিচার করা বন্ধ করি।
পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রকৃত বাস্তবতার কিছুটা তুলে ধরে এবারের বই মেলায় প্রকাশিত হয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনীতি ও জীবনাচরণ নিয়ে রচিত উপন্যাস "ডুমুরের ফুল "। এই উপন্যাসটি প্রকাশ করেছে সময় প্রকাশন। একুশে বই মেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে তিন নম্বর
স্টলে গত শুক্রবার থেকে পাওয়া যাচ্ছে উপন্যাসটি।
আপনার পছন্দের বইয়ের মধ্যে "ডুমুরের ফুল "বইটি থাকবে বলে আশা করছি।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



