রাঙ্গামাটিতে সংবাদ সংগ্রহে এসে জেএসএস কর্মীদের হাতে নাজেহাল বেসরকারি টিভি চ্যানেল দীপ্ত টিভির বার্তা সম্পাদক মাজাহারুল ইসলাম ও তার সহকর্মীরা!
সম্প্রতি সময় রাঙ্গামাটিতে সংগঠিত নানা ঘটার সংবাদ সংগ্রহ করতে ঢাকা থেকে রাঙ্গামাটিতে আসেন বেসরকারি টিভি দীপ্ত টিভির সাংবাদিক মাজাহারুল ও তার সহকর্মীরা। সারাদিন সংবাদ সংগ্রহের পর তারা ইঞ্জিন চালিত বোটে করে সুভলং যায়। এসময় জেএসএস সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা তাদের উপর আক্রমণ করে! পরে তারা কোনমতে সেখান থেকে শহরে ফিরে আসে!
এদিকে শহরে আসার পরপরই সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার উস্কানিদাতা ও প্রথম আলোর রাঙ্গামাটি জেলা সাংবাদদাতা হরি কিশোর চাকমা আধা ঘন্টার মধ্যে জেএসএস নিয়ন্ত্রিত রাজবাড়ী এলাকায় অবস্থিত সাবরং হোটেলে তাদের উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেয়! মাজাহারু ও তার সহকর্মীরা সেখানে পৌছালে শতেক জেএসএস কর্মী তাদের ঘিরে ফেলে! এসময় সন্ত্রাসীরা তাদের সংবাদ প্রাচার না করতে প্রাননাশের হুমকি দেয়! শুধু তাই নয় যদি তারা সংবাদ প্রচার করে তাহলে নারী কেলেংকারী ও সাম্প্রদায়িক মামলা দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। তাছাড়া যদি কোন সংবাদ প্রচার করতে হয় তাহলে শন্তু লারমা ও জেএসএসকে পূর্বেই সংবাদের স্ক্রিপ্ট দেখাতে হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়!
অন্যদিকে দীপ্ত টিভির রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি বন্ধু সৈকত রঞ্জন চৌধুরী একটি এনজিওতে চাকুরী করে! এঘটনায় তার সহযোগিতা চাইলে শাশুড়ি অসুস্থ তাই শহরের বাহিরে আছে এই অযুহাতে ঢাকা থেকে আশা সাংবাদিকদের সাথে সে দেখা করেনি। অথচো ঘটনার দিন বৃহস্পতিবা(১৬. ৬. ১৬) তাকে শহরে মটরসাইকে নিয়ে ঘুরতে দেখা গেছে! জনশ্রুতি আছে যে, সৈকত রঞ্জন চৌধুরী হরি কিশোর চাকমার স্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু! তাই বান্ধবীর স্বামীকে বাঁচাতেই নিজের ঢাকা থেকে আসা সিনিয়র সহকর্মীদের থেইকা গা ঢাকা দিয়েছেন সৈকত রঞ্জন!!
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঐ টিমের এক সদস্য জানায় ঢাকাতে জেএসএস নেতারা আমাদের সাথে কি সুন্দর আচরণ করে! কিন্তু এখানে (রাঙ্গামাটি) এসে তাদের আসল চেহারা দেখতে পেলাম!
উক্ত ঘটনায় রাঙ্গামাটির স্থানীয় সাংবাদিকদের নিরবতায় নানা মহলে কানাঘুষা শুরু হয়েছে! তাদের পেশাগত দায়িত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে! একজন জাতীয় দৈনিকের(প্রথম আলোর হরি কিশোর চাকমা) সাংবাদিকের প্রত্যক্ষ মদদে ঢাকা থেকে আসা সাংবাদিকদের নাজেহাল অন্যদিকে স্থানীয় সাংবাদিকদের নিরবতা সচেতন মহলের অনেকেই হতবিহ্বল!
আমাদের দেশে একটি প্রবাদ আছে "পরের জন্য গর্ত খুড়লে সেখানে নিজেকেইই পরতে হয়"
ঢাকার এই সাংবাদিকেরা কোনরূপ যাচাই বাছাই ছাড়াই পাহাড়ের উপজাতিদের নিষ্পাপ, নিরিহ বলে সহানুভূতি দেখিয়ে এসেছে! পাহাড়ে যেকোন ঘটনা ঘটলেই তার দায়ভার বাঙ্গালীদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হতো! এখনো হচ্ছে! এখন নিজেরাই "নিরিহ" উপজাতিদের আসল চেহারা দেখে যাচ্ছে! হয়তো সামনে আরও কিছু অপেক্ষা করছে এদের জন্য!
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুন, ২০১৬ সকাল ১১:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



