ভার্সিটির ক্লাস শেষ করে রিফাত ও তার বন্ধুরা গেলো ভার্সিটির পাশের টঙ্গে। ব্যাগ গুলো টঙ্গে রাখা বেঞ্চের উপর রাখার সময় এক বন্ধু খেয়াল করলো বেঞ্চের উপর একটি ড্রইং খাতা। দেখেই বুঝল এটি অন্য কোনও ডিপার্টমেন্টের নয়, তাদের ভার্সিটির আর্কিটেকচার ডিপার্টমেন্টের কোনও এক শিক্ষার্থীর। হয়তো ভুলে রেখ গিয়েছে। তো খাতা নিয়ে শুরু হলও বন্ধুদের মাঝে কাড়াকাড়ি। আর হবেই বা না কেন?!?! এটা কি যেনও তেনও ডিপার্টমেন্ট নাকি !! তাদের ভার্সিটির একমাত্র ডিপার্টমেন্ট যেখানে ছেলে মেয়ের অনুপাত ধরা হয় কমপক্ষে ১:১০
তাদের মাঝে এক বন্ধু হঠাৎ বলে উঠলো, "আচ্ছা কেন তোরা এমন কাড়াকাড়ি করছিস ঐ খাতা নিয়ে? খাতা টা তো ছেলেরও হতে পারে !!
রাগান্বিত চোখে সবাই তাকাল তার দিকে। কালক্ষেপণ না করে খাতার মলাটে লেখা নামটা পড়লো সবাই। তারপর ??
কোথায় কাড়াকাড়ি থামবে তা না!! শুরু হয়ে গেলো দিগুণ গতিতে। কারণ??
কারণ খাতাটি আসলেই এক মেয়ের ছিল।
কে খাতাটি মেয়ের কাছে ফেরত দিবে তা নিয়ে শুরু হলও তর্কবিতর্ক। আসলেই কি তাই?? না
কে হবে মেয়ের চোখে নায়ক তা নিয়ে!!
তো বন্ধুটি বলল "তোরা চিন্তা করতে থাক কে কীভাবে কি করবি" ??
তখন শুরু হলও খাতার ভিতর "খোঁজ দা সার্চ" মেয়ের ফোন নাম্বার টা যদি পাওয়া যায় !!
নাহ! হলও না। পাওয়া গেলো না।
তারপর, শুরু হলও কল্পনা। কীভাবে??
মেয়েটি দেখতে কেমন হবে? সুন্দরী নাকি অতীব সুন্দরী!!
এইসব চিন্তায় পানি ঢেলে দিয়ে এক বন্ধু বলেই বসলো- "আচ্ছা যদি দেখিস মেয়েটা দেখতে মোটেও সুন্দর না? না হয় তোদের বড় তখন?
তখন কি হবে তা জানা যায়নি। কিন্তু বাকিদের চেহারা !!!
দেখার মতো।
তখন কে কার ঘাড়ে এই বোঝা চাপাবে তা নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে পড়লো।
অতঃপর ঘড়ে ফেরার সময় হলও।
ঠিক হলও খাতাটি রেখে দেয়া হবে টঙ্গে।
হায়রে স্বপ্ন! খুব সহজেই সকলের মনে উঁকি মেরে আবার চলেও যায়।
অতঃপর ..............

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

