বাংলাদেশ এ মানে ছোট পাকিস্তানে ,ইসলামী জঙ্গিদের চেক এ রাখতে যে পুলিশ কর্মকর্তার ভূমিকা সবার উপরে, তিনি বাবুল আক্তার ।
গত রবিবার সকালে যিনি নিজের সহধর্মীনি কে হারিয়েছেন ইসলামী জঙ্গিদের " এক্সট্রিমলি লিথাল কাউন্টার এটাক " এর কারনে ।
যারা উনার এত বড় ক্ষতি করেছে তারা তারই ধর্মের ভাই !! এটা অপ্রিয় সত্য । যাদের ধরতে বাবুল আক্তার নিজের কৌশল আর বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করে তাদের বিভিন্ন ঘাটি এবং সেই ঘাটি থেকে সেনা পোষাক , অস্ত্র আর গ্রেনেড উদ্ধার করেছেন তারা সবাই ইসলামের অগ্র সেনা । এই সেনারা বাংলাদেশকে বাংলাস্তান হিসেবে দেখতে চায় । তাই তো ২০১৩ তেই ১৩ দফার নামে সারাদেশে একটা দফারফার হুমকি দিয়েছিল এবং এখনো দিয়ে যাচ্ছে ।
নয়তো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অবস্থানকালেই কিভাবে খুব সকালে পুলিশ পত্নী খুন হলেন ??
ইসলামী জঙ্গীদের হাতে কেউ খুন হলেই এই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রির মাতাল মাথার বেশামাল বক্তব্য অনেকটা কাঁটা ঘায়ে নূনের ছিটার মতন !!
মানে উনি নয়া বউ !! তাই ভাসুর হেফাজতীদের নাম তিনি মুখে আনতে চান না , চাইছেন না । সব নাকি ষড়যন্ত্র !!
মোটরসাইকেলে খুন করে রক্ত মাখা হাত ও পোশাকে ইসলামি সৈনিকেরা পালিয়ে যায় সবার সামনে দিয়ে অথচ পুলিশ কিংবা গোয়েন্দারা নাকি তাদের ধরার মত ক্ষমতা রাখে না ।
অবশেষে , যে মোটরসাইকেলে করে এসে পুলিশের সহধর্মিনী কে খুন করা হয় সেই মোটরসাইকেল থেকে তিনটি বিশাল চুল উদ্ধার করেছে পুলিশের কর্মকর্তারা !!
সেইরম ফিলিং !! অথচ , তিনদিনেও খুনি ধরার নাম নাই । অন্য ইসলামি জঙ্গিদের ক্রসফায়ারে খুন করে দেশের মানুষকে দেখান হচ্ছে যে আমরা অলিম্পিকে গোল্ড মেডেল প্রাপ্ত শুটার !! এই দেখেন গোল্ড মেডেলের তালিকা ! আগে পুরা পৃষ্ঠা আছিল । এখন সরকার কাইটা ছোট কইরা আধা পৃষ্ঠায় আনছে !!
আর বাকি ছিল কেবল অন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের ভার্চুয়াল স্ট্যাটাস আপডেট(কথার ফুলঝুড়ি) !! যা কি না
পুরা বাংলা সিনেমার নায়ক মান্নার ডায়ালগের মতন!!
"" আইনের হাত থেকে তোদের রেহাই নাই , তোদের উপযুক্ত শিক্ষা দেয়া হবে ""
ছবি শেষ, কারেন্ট ও গেছে !!
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুন, ২০১৬ রাত ১২:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



