কেন জানি না।
এমন করে তো তুমি রাগ করো না!
বরফের নদীতে একা শুয়ে থাকো। বরফ গলা জলে ছায়া পড়ে দুজনার।
কোকিলটা আবার ফিরে এসেছে। সেদিন প্রথম তার ডাক শুনতে পেলাম। বিনিদ্্র রাত তখন ভোরের দিকে এগিয়েছে। ব্যাকুল অন্তর আরও ব্যাকুল করে কোকিলটা ডেকেই চলে।
সেবার বড্ড জ্বালাতন করেছে। মাঝরাত থেকে শুরু হত তার ডাকাডাকি। কাকে ডাকত কে জানে। যাকে ডাকত সে কী শুনতে পেত? জানি না!
একা একা আমি হেঁটে যাই। ভিক্টোরিয়ার চত্তর ধরে। গোল গোল হাঁটি। এমাথা ওমাথা।গোল গোল। ক্লান্ত হলে বসে পড়ি জলের ধারে। বেণচগুলো ভেঙে দিয়েছে সব। কেন কে জানে। শীত চলে গিয়েও আবার ফিরে এল বৃষ্টির হাত ধরে। ফিরিয়ে নিয়ে এল ঠান্ডাকে, যাওয়ার আগে। আমি ঘামি, কুল কুল কুলকুল। বসে থাকি রেলিং এর ধারে। জলে ছায়া পড়ে। দুজনার। অথচ আমি এখানে একা।
মোবাইলের স্ক্রিনে তোমার ফটো। হাসিমুখ ভেসে ওঠে ফ্ল্যাপ খুললেই। আমি তাকিয়ে থাকি নিষ্পলক। নি:শ্বাষ ভারী হয়। চোখে বাষ্প জমে। গড়ায় না। উড়ে যায় পায়রা হয়ে। কাঠালীচাপার সুগন্ধে ম ম করে চত্তর। ফেরার পথ ফুলে ফুলে ঢাকা। আমি ফিরে আসি।
একা একা।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৫:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


