রাত বাড়তে থাকলেই অসহ্য লাগা শুরু হয়। রাতগুলো বড় বেশি চুপ। সময় বাড়তে বাড়তে একসময় ঘড়ির শব্দও মাথায় এসে বাজতে থাকে- টিক টক! টিক টক!
টিক!
ড্রয়ার খুলে হাতড়াই। আজকাল আর একটা দুটো রিলাক্সিনে কাজ হয় না। মুঠি মুঠি খেলেও না। মাঝে মাঝে মনে হয় নেশা কি জিনিষ চেখে দেখলে এমন কিছু দোষ হত না। কিছু না হোক একটা ভালো ঘুম তো এনে দিতে পারত।
একটা...
ভালো ঘুম...
মানুষের ওপর বিশ্বাস ছেড়ে গেছে বহু আগে। সেই যে তখন, বদলে দেবার স্বপ্ন যখন পাঁজরের সবটা জুড়ে। তখন, যখন প্রচন্ড বিশ্বাসের মুঠি গলে বেরিয়ে এসেছে প্রিয় মানুষের ক্লেদাক্ত চেহারা। আর আবারো, আরও- আরেকবার-
দাঁড়িপাল্লায়, নিক্তিতে আলু-ছোলা মাপামাপি।
কেউ কি ডেকেছিলো কখনও কাউকে? না ডাকুক। তবু সবকিছু কেনো এতটাই খেলো হবে?
আমি জানি পৃথিবীতে পরম বলে কিছু নেই। তবু কি অর্বাচীনতা! মানুষের মধ্যে সেই অসম্ভব খুঁজে বেড়ানো! শত-সহস্রবার একই গোলকধাঁধায় ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত- তবু কেন নির্নিমেষে ছুঁড়ে ফেলি না সব? কেন ফেলতে চাই না?
তাই, আরো একবার বিষাক্ত অবসাদ নিয়ে অপেক্ষা ঘুমের।
অপেক্ষা- প্রার্থিত সকালের।
বুকভরে বিশুদ্ধ ভোর।
নির্ভার।
ফিরে যাওয়া আমার শুদ্ধতম আমিতে।
[২০১২]
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে এপ্রিল, ২০১২ ভোর ৬:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


