ঈদ পরবর্তি টিভি অনুষ্ঠানে দেখেছিলাম সাকিব আল হাসানকে। সেখানে তার স্ত্রী, টিভি অভিনেত্রী তিশা ও তার স্বামী ফারুকীও ছিল। সেখানে সাকিব আল হাসানের স্ত্রী শিশির কথায় কথায় বলে বসেন, আর্জেন্টাইন ফুটবলার লিওনেল মেসি নাকি সাকিবের Second lover. হতে পারে সাকিব মেসির মস্তবড় ভক্ত। যদিও দুই জন ভিন্ন ধাচের খেলা খেলে থাকেন। আমার প্রশ্ন হল, সাকিব তার কাছ থেকে কতটুকু শেখে? শেখার ব্যপারটা অবশ্যই ফুটবল না। অন্য কিছু।
গতকাল হংকং বনাম আর্জেন্টিনা ম্যাচে ফলাফল আগেই জানা ছিল। হংকং এর খেলোয়াড়েরা নেমেছিল কত কম গোল খেয়ে ম্যাচ শেষ করা যায়। আর আর্জেন্টিনার হিসেব ঠিক উল্টো ছিল। যাই হউক, এমন ছোট দলের সাথে বড় জয়ে প্রাপ্তির কিছুই নেই। কিন্তু সাকিব আল হাসানের মত তারকা খেলোয়াড়ের মেসির মত একজন খেলোয়াড়ের কাছে শেখার মত কিছু ছিল।
গতকাল খেলার শেষ দিকে এসে এক আবেগী তরুণ দর্শক এক ঘটনা ঘটিয়ে বসল। নিরাপত্তা প্রাচীর কে বুড়ো আংুল দেখিয়ে মেসির কাছে দৈড়ে চলে এসেছিল সে তরুন। আর আশ্চর্যের ব্যপার হল মেসি এতে একটুকুও ভড়কালেন না। সাধারণ ভাবেই ছেলেটির জার্সিতে অটোগ্রাফ দিলেন। ব্যপারটা তিনি সাধারণ ভাবেই নিয়েছিলেন। অন্য কেউ হলে এ জায়গায় হলে কি করতেন? আমাদের সাকিবকে এমন উত্তোক্ত করায় কি ঘটনাঈ ঘটিয়ে ছিলেন। উদ্ধতস্বভাব এর কারণে নিষেধাজ্ঞাও পেয়েছেন।
আমি বলব, কারো ভক্ত হলেই হবেনা। তার কাছ থেকে ভালোটা শিখতে হবে। আর সাকিবের মেসির কাছ থেকে শিষ্টাচার শেখা বাকি আছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


