
সেলুনে যাব। ছেলেদের চুল কাটাতে।
দু'জনকে চেয়ারে বসানোর পরও দেখি একটা চেয়ার খালি। আর তার পাশে মিনতিভরা চোখে এক নাপিত তাকিয়ে আছে আমার দিকে।
চেয়ার খালি। নাপিতটাও ফ্রি। বসেই পড়লাম।
ব্যাটা মাথায় হাত দিয়েই মিহি গলায় বলে উঠলঃ
"স্যার, খুশকির একটা দারুন ট্রিটমেন্ট আচে। একদম নির্বংশ করে দোবো। না...না...আপনার কথা বলিনি।...ভয়ের কিছু নেই। খুশকির গুষ্টির ভুষ্টিনাশ করে ছাড়ব - এই বলে দিলুম।"
"কত লাগবে?"
হাত কচলে বললো, "এই হাজারখানেক।"
"থাকবে না, ঠিক?" ভুরু কুঁচকে তাকালাম।
"কি বলচেন স্যার? কতজন করেচে। এই তো, সামনের বিল্ডিং এর এক স্যার প্রতি সপ্তাহে করান। চার রকম তেল লাগে। দুইটা কিরিম। এরপর ইস্টিম মারব।"
"চালাও তাহলে।" এবং চললও। আধ ঘন্টাটাক। কড়কড়ে এক হাজার টাকার নোট ভুস করে উড়ে গেল খুশকির সাথে।
বিকেলে কালো টি শার্ট পরে চুল আঁচড়াচ্ছি। কাঁধের দিকে তাকিয়ে দেখি - বন্ধু আমায় ছেড়ে যায়নি মোটেই।
তখন বুঝলাম, প্রতি সপ্তাহে সেই স্যারের খুশকি কিভাবে নির্বংশ হয়।
..............................................
নিকেতন/২৩ জানুয়ারি ২০১৭
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা মার্চ, ২০১৭ রাত ৮:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


