ইসি সরকারের কাছে গতকাল থেকে নারায়ণগঞ্জে সেনাবাহিনী চেয়েছিল আরো বেশিকছুদিন আগে আনুষ্ঠানিক চিঠির মাধ্যমে। সরকার বিষয়টিকে কানেও তুললনা। ভাবটা এমন, ভাই কী বলছেন কিছু শোনা যায় না। অথচ বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যম থেকে শুরু খুব সম্ভবত দেশের প্রতিটি মানুষই জানে, প্রচুর কথাও হয়েছে এ নিয়ে। টিভিতে অনেক টকশো-তে এই সেনাবাহিনীর প্রসঙ্গ এসেছে। জানে না শুধু সরকার! এখন আমার মতে ইসির উচিত হবে আগামীকাল নির্বাচন স্থগিত করে দেওয়া। সরকার সরকারের গোঁয়ারতুমি দেখিয়েছে এবার ইসির উচিত তার ক্ষমতা দেখানো। সেনাবাহিনী ছাড়া নারায়ণগঞ্জে সুষ্ঠু নির্বাচন আশার করা খুবই বিপজ্জনক। বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে সাক্ষাতকারে সব প্রার্থীই আশা করে জয়ের। কিন্তু শামিম ওসমানকে এক চ্যানেলে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যদি নির্বাচনের ফলাফল আপনার পক্ষে না আসে তখন ফলাফল মেনে নিবেন কি না? শামিম ওসমান বলেছে সে যদিতে বিশ্বাস করে না। তখনই বুঝা উচিত জনগণের উপর যেমন তার আস্থা নেই তেমনি সাধারণ স্বাভাবিক সুষ্ঠু নির্বাচনের উপরই তার আস্থা নেই। আর সেনাবাহিনী না নামাতে গতকাল তার লোকজন মিষ্টি বিতরণ করেছে। এর পিছনেও কিছু প্রশ্ন থাকে। ওসি বদলির বিষয়টিও তার কাছে ভালো লাগে নি। শামিম ওসমান নিয়ে টিভি চ্যানেলে আরেকটা বিষয় দেখলাম, সাংবাদিক কিংবা আইভি কিংবা তৈমুরের কোন প্রশ্নে যদি সে ব্যাকফুটে চলে যায়, বিব্রত হয়, তার কুকর্ম উঠে আসে তখন সে দুটি উপায় অবলম্বন করে। হয় নিজের বাপ দাদার সাফাই গাওয়া শুরু করে না হয় হঠাৎ করে ঐ মুহূর্তে আল্লাহর উপর তার অগাধ বিশ্বাস নেমে আসে। প্রথমটি সে বলতেই পারে কিন্তু এই হঠাৎ ধার্মিক বনে যাওয়ার বিষয়টি তার ভণ্ডামি ছাড়া আর কিছুই নয়। এদেশের মানুষ একটু ধর্মপ্রিয় বলে এভাবেই অসৎ লোকগুলো ধর্মকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করে।
যাই হোক, এই মুহূর্তে ইসির উচিত তার এখতিয়ারের পুরো ক্ষমতা প্রদর্শণ করা, সেনাবাহিনী নারায়ণগঞ্জে না নামা পর্যন্ত নির্বাচন স্থগিত রাখা। ইসিকে সহযোগিতা না করে সরকার কিন্তু নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনছে। জনগণের জন্যই কিন্তু সরকার, সরকারের জন্য জনগণ নয়-এটা ভুলে গেলে কী হয় অতীত থেকে সরকারের এই শিক্ষাটা আবারো নেওয়া উচিত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


