somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিচার বিভাগ পৃথকের এক বছর...গাধার কপালে আজও মুলা জুটল না...

০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দেখতে দেখতে এক বছর পার হয়ে হেল। অথচ এই তো সেইদিনও, রোকনউদ্দৌলারা বহু চেষ্টা করেও ঠেকাতে পারল না তথাকথিত বিচার বিভাগের 'স্বাধীনতা'। আচ্ছা, রোকন সাহেবদের কথা না হয় বাদই দিলাম, সে না হয় একজন পার্শিয়াল, তো ফরহাদ মাজহার-এর মত বুদ্ধিজীবিরাও যখন এর কুফল গুলো চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন, তখন?

আগে দেখা যাক, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার নামে আসলে কি হয়েছে? নিম্ন আদালতের বিচারব্যাবস্থার নিয়ন্ত্রনভার নির্বাহী সরকারের কাছ থেকে হাত বদল হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের হাতে। ফলাফল? মরিচীকা দর্শন...

এই ক্রান্তিকালের পূর্বে বছর দু'য়েক এর পক্ষে মিডিয়াতে এবং সর্বক্ষেত্রে এতই অপপ্রচার চালান হয়েছে, যে সেই সময় বিচার সম্বন্ধে অজ্ঞ এমন কোন সাধারণ মানুষকেও জিজ্ঞেস করলেও সে এর স্বপক্ষে দু'-চার মিনিটের ছোটখাট এক সেশন লেকচার ঝেড়ে দিতেন এবং কেন এই 'মহৎ' কাজটা করতে দেরী করা হচ্ছে, এই প্রশ্নে সরকারেরও কিঞ্চিৎ গোষ্ঠি উদ্ধার করতেন। আজ জানতে ইচ্ছে করছে, এই এক বছরে প্রাপ্তি কি?

লক্ষনীয়, বিচার বিভাগ পৃথকের করার দাবী করেছিলেন কারা? কোন সাধারণ বিচারপ্রার্থীরা কিন্তু এমন কোন জোরালো দাবী তূলেন নি, একমাত্র যাদের বেনিফিশার হওয়ার সম্ভাবনা, তারাই এই দাবীর পক্ষে সোচ্চার ছিলেন। উচ্চ আদালতের প্রখ্যাত আইনজীবিগণ যেমন এর সপক্ষে প্রচারণা চালিয়েছেন, তেমনই এই ইস্যুতে আদালতের রায়ও পেয়েছেন একতরফাভাবে।

যা হোক, নিম্ন আদালতের বিচারব্যাবস্থা সুপ্রিম কোর্টের হাতে চলে যাওয়ায় ভবিষ্যৎ-এ নির্বাহী সরকার তূলনামূলক দুর্বল হয়ে পড়বে। ফলে রাষ্ট্র পরিচালনায় অবশ্যই প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হবে। আর এইভাবে শাসনতন্ত্রের একটা অঙ্গ যদি আদালতের হাতে চলে যায়, তাহলে আর নির্বাহী সরকারের দরকার কি? আদালতের হাতেই রাষ্ট্রক্ষমটা ছেড়ে দিলে হল!!
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পুরো বিশ্বকাপ জুড়েই আলোচনার কেন্দ্রে ছিল তৌহিদী জনতা।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪


ফিফা বিশ্বকাপের রোমাঞ্চে সারা বিশ্ব যখন মেতে ওঠে, তখন আমাদের দেশের একদল মানুষের অতি-উৎসাহ এবং অনভিপ্রেত কর্মকাণ্ড সমাজের একটা বড় অংশকে বিভ্রান্ত ও বিরক্ত করেছে। ফাইনাল ম্যাচের রাতেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

অবশেষে শেষ হলো! কিন্তু তিনি ফিরবেন কবে?

লিখেছেন ঋণাত্মক শূণ্য, ২০ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩৫

আমি সর্ব প্রথম আগ্রহ নিয়ে ফুটবল ওয়ার্ল্ডকাপ দেখেছিলাম ১৯৯৮ তে। তখন আমি ক্লাস ৮এর ছাত্র।



আমার বড় ভাইয়ের তখন ফ্রান্সে যাবার কথা আমার আম্মার এক আত্মীয়ার বরের ব্যবসা ছিলো ফ্রান্সে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

FIFA বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ এর ফাইনাল খেলা নিয়ে আমার সামান্য কিছু কথা

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:২৮

গতকালের FIFA বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ এর ফাইনাল খেলায় মেসি অত্যন্ত নিষ্প্রভ ছিলেন। দর্শকদের তাকে মাঠে খুঁজতে হয়েছে, তিনি তার চিরাচরিত স্বভাব অনুযায়ী এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে, মাঠের সর্বকোণে বল... ...বাকিটুকু পড়ুন

চেতনা, ৭১ , পাকিস্তান ঘৃনা ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:০৫


যুদ্ধে ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত ভিয়েতনাম দুটো দেশের অর্থনৈতিক যাত্রা শুরু হয় প্রায় একই সময়ে কিন্তু তুলনামূলক ভিয়েতনামের চেয়ে বাংলাদেশের অবস্থান অনেক ক্ষেত্রে ভালো ছিল। বাংলাদেশে ছিল অনেক ভারী... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকে আমার মন ভালো নেই

লিখেছেন সামিয়া, ২১ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:০৯



দুঃখের সময়ে নানান মানুষের কথা মনে পড়ে। খুব কাছের মানুষের কথা মনে পড়ে আবার অনেক দূরের মানুষের কথাও মনে পড়ে। রক্তের আপন মানুষের কথা তো মনে পড়েই তবু একদিন কীভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×