somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

চামখোয়াড়নামা: ৬

২৭ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রথমে বন্দনা করি চামখোয়াড়ের।
চামখোয়াড়নামার এক হইতে পাঁচ পর্ব যে কাঠাল পাতায় লিখিয়াছিলাম তাহা দমকা বাতাস কোথায় উড়াইয়া লইয়া গেল খুঁজিয়া পাইতেছি না, নাকি ক্ষিধার জ্বালায় কোন অবলা ভক্ষন করিল তাহাও বুঝিয়া উঠিতে পারিতেছি না। নিরুপায় হইয়া অদ্য ছয় পর্ব মনিটরপাতায় লিখিতে বসিলাম।
লুকে বলিবে কি আমি নিজেই অবগত, আমি শিশুলুক নির্যাতক। হাস্যরসে মগ্ন হইয়া শিশুলুকের গলা টিপিয়া ধরি। ইহারা যখন ছটফট করিতে থাকে দেখিয়া আনন্দে চক্ষুতে কলকল করিয়া জল আসিয়া পড়ে।
চামখোয়াড়নামা লিখিতে বসিয়া বিস্তর বিপদগ্রস্ত হইয়াছি। আমি চামমখোয়াড়ে আসিয়াছি জুম্মা জুম্মা সাত দিন হইবে এখন পর্যন্ত অলিগলি ভাল করিয়া চিনিয়া উঠিতে পারি নাই। কোন গলি দিয়া কোন অলি হাটিয়া গেল তাহা বলা কি শিশুর হাতে মোয়া? না মজুরের কাধের খোয়া?
তাহার উপর নানাহ যন্ত্রণা। এইখানে কেহ মানিলুকের মান রাখিতে জানে না। আমি যে পরথম আলুতে মাঝেমাঝে আলুপোড়া খাইতে যাই, মতিভ্রম ভাইয়ার সহিত কপির অবশিষ্টাংশ সাবাড় করি এই চামুন্ডাদিগকে কে বোঝাইবে? কে কে কে, কে বুঝাইবে?
"হায়, ইহাদের শরীরে একচিলতে চাম,
দেখো, চামখোয়াড়ে লিখাইয়াছে নাম।"
তাহার উপর চামখোয়াড়ের সমস্ত লুক কেহ গর্তে বসিয়া ঝিমাইতেছে, কেহবা কিঞ্চিৎ তন্দ্রাগ্রস্ত। ইহাদের বাহির করিবার উপায় ভাবিয়া ভাবিয়া হাল ছাড়িয়া দিবার আগমুহূর্তে পিষ্টক ন্যায় একখানা বুদ্ধির উদ্রেক হইল। আচ্ছা করিয়া ধোঁয়া দিতে হইবে, আর দেখিতে হইবে না, পিলপিল করিয়া লুকগুলি বাহির হইবে। লুকগুলিকে নিয়া অনুমাননির্ভর লিখা লিখিয়া দিব।
শুরু করিব এইভাবে, শোনা গেল, কান চিল নিয়া গেছে,,,মানে কানে চিল প্রবেশ করিয়াছে। ইহার পর যাহা হইবার তাহাই হইবে। অদৃশ্যলুক, ধাড়িলুক, কাচ্চালুক, বাচ্চালুক একেক করিয়া আসিয়া আমার ভুল শোধরাইয়া দিবে। আমি এককালদর্শীর ভান করিয়া বলিব হুম জানিতুম বটি, যাচ্ছলে, তোমরা সবাই ঘটি।
যাহারা মানিলুকের মান রাখিতে জানে না তাহাদিগকে এই সুযোগে শোয়াইয়া ফেলা যায় কি না তাহাও ভাবিয়াছি। উক্ত কার্য কঠিন হইলেও বিলক্ষন অসম্ভব নহে। আলগোছে খোঁচা দিলেই হইবে, কোন বাঘ্রশাবক ছাগশিশুর ছাল গায়ে দিয়া ভোজ খাইতে গিয়াছিল তাহার বিশদ বর্ণনা দিব। বালকগণ মাথা গরম করিয়া প্রলাপ বকিবে এবং চামখোয়াড় হইতে বহিষ্কৃত হইবে। হি: হি:, তাহা বড়ই পরমানন্দের বিষয় হইবে।
থ্রি নট রাইফেল এবং ইয়াতিমের যুদ্ধের সরস বর্ণনা দিতে দিতে মহাভারতের যুদ্ধের গল্প শুরু করিব, প্রচীন কালে হস্তিনাপুর নামক একখানা নগর ছিল। হস্তিনাপুর রাজ্যের রাজা বিচিত্র বীর্যের দুই ছেলে, ধৃতরাষ্ট্র ও পান্ডু। ইত্যাদি,,,ইত্যাদি।
অত:পর গোল গোল তাল দিয়া তালগোল পাকাইব। তালগোলের তাল আলাদা করিতে গিয়া হরি বোল বলিয়া হট্টগোল বাধাইব। ইহার পর যাহা হইবার তাহাই হইবে আমি অনড় খাটিয়ায় শুইয়া থাকিব, অন্যরা হরি বোল, হরি বোল রবে রব উঠাইয়া ছামখোয়াড় তোলপাড় করিবে।
[ইহা একটি কল্পকাহিনী, কেহ কাহারও সহিত কোন প্রকার মিল খুজিয়া পাইলে তাহা হইবে সেভেননিউওয়ান্ডার্স-এর একটি]
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৫০
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×