নিশ্চয় আমিই কুরআন অবতীর্ণ করেছি এবং আমিই ওর সংরক্ষক।
সুরা আল হিজর আয়াত ৯।
এর একটা ব্যাখ্যা এরকম যে আল্লাহ কোরআন কে সংরক্ষন করবেন। পৃথিবীর কোন পরাশক্তি বা শয়তান সব একত্র হলেও কোরআনের ভিতরে কোন পরিবর্তন আনতে পারবেন না। আর পারেন ও নি।
ছোট বেলা থেকেই শুনে আসছি যে রাসুল সাঃ সাহাবীদের কে হাদিস বা উনার কথা/কাজ বা মৌন সমর্থন ইত্যাদি লিখতে না করেছেন। খোলাফায়ে রাশেদিন ও তা লিখেন নি বা সংরক্ষন করেন নি। ওলামায়ে কেরামদের যুক্তি হল যে রাসুল সাঃ আশংকা করতেন যে লিখে রাখলে তা কোরআনের আয়াতের সাথে মিলে যাবে।
আমার কথা হল যেখানে আল্লাহই কোরআনের সংরক্ষন করার দায়িত্ব নিয়েছেন সেখানে হাদিস এত প্রয়োজন ই যদি হত তাহলে রাসুল সাঃ নিঃসন্দেহে তা সাহাবিদের লিখে রাখার এবং হেফাজত করার আদেশ দিতেন নিজের তদারকিতে। আসল কথা হাদিসের কিতাব নামে আমাদের দেশের মাদ্রাসাগুলোতে যা পড়ান তা রাসুল সাঃ আমাদের জন্য রেখে যান নি। বিদায় হজের ভাষনে বলে গেছেন আমি তোমাদের জন্য রেখে যাচ্ছি আল্লাহর কোরআন । আর কোরআনের অসংখ্য আয়াতে আছে যে কোরআন স্বয়ংসম্পুর্ন পরিপুর্ন, সহজ সরল। এতে রয়েছে উপদেশ। কাজেই আমাদের জাতি হাদিসের চোরাবালিতে হারিয়ে যাচ্ছে। আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন। আল্লাহ আমাদের বলেছেন আতিউল্লাহ ওয়া আতিউর রসুল। এখন আতিউল্লাহ ও কোরআনে আছে আতিউর রাসুল ও কোরআনেই আছে। আলহামদুলিল্লাহ।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




