somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভদকাকথন

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

"The world is full of people who should get the Nobel Prize but haven't got it and won't get it." Swedish Chemist Arne Tiselius, a Nobel laureate and former president of the Stockholm-based Nobel Foundation (1963)


১৯০৫ সালে প্রথম বার পুরষ্কার দেওয়ার সময় দিমিত্রি মেন্ডেলিয়েভ এর নাম বিবেচনায় আসছিলো তার পর্যায় সারণী আবিষ্কারের(১৮৬৯) জন্য। কিন্তু বাদ গেল এই ছুতায় যে এই সারণী ইতিমধ্যে রসায়নের ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাইছে, এইটা রিসেন্ট কোন আবিষ্কার না তাই দেওয়া যাইবো না। মেন্ডেলিয়েভ এর পিএইচডি থিসিস আছিলো ইথাইল এলকোহলের ডাইলুশান নিয়া। ওর ঐ থিসিসের সূত্র ব্যবহার কইরা রাশিয়ানরা এখন ভদকা বানায়। নিন্দুকেরা বলে রাশিয়ানরা ভদকা গিইল্যা ৭৫ বছর আমেরিকার পেইন ইন দ্যা অ্যাস আছিলো , এই কারণে মনে হয় ওরে নোবেল দেয় নাই। একইরকম ভাবে ও টী এভেরি আবিষ্কার করছিলো ডিএনএ বংশগতির বাহক(১৯৪৪)। কিন্তু দেওয়া হয় নাই, কারণ উনারা আবিষ্কার সম্বন্ধে সন্দিহান ছিলেন। পরে মনে হইলো এইটা কি কাম হইলো এর বড় ভুল। মরণোত্তর পদক দিবার কোন বিধান ও নাই।

নোবেল কমিটি এরকম ইচ্ছাকৃত এবং অনিচ্ছাকৃত অনেক ভুলই করছে। সেই লিস্ট দেখতে হইলে ৫০-৮০ দশকে কয়েক ডজন রাশিয়ান বিজ্ঞানীর নাম দেওয়া যায়। সেই কথা কইয়া লাভ নাই। কথা হইলো নোবল ভীষন আনন্দের এবং বড় মাপের অর্জন (!)।

কিন্তু তাই বইলা নোবেল রোমান্টিসিজমে আক্রান্ত হওয়ার
মত মাদকতা পূর্ণ কোন নারী না ; যে আপনি নোবেল পাইছেন, এখন আপনি মুরগী দিয়াও কাচ্চি বিরিয়ানী রাঁধবার পারবেন।
্র
আসেন যার যা করবার সাংবিধানিক অধিকার করতে দিই, কিন্তু খেলার বাঁশী বাজনের আগে গলায় মেডেলের স্বপ্ন দেইখেন না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৮টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'মানুষ' হওয়া খুব সোজা, 'মুসলমান' হওয়া কঠিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:৩৪



একটু আগেই ভাবছিলাম, মানুষ হওয়াটা খুব সহজ। বাবা-মা জিংজিং করে আমাদের পৃথিবীতে এনেছেন, এতে আমাদের কৃতিত্ব কোথায়! কোন কৃতিত্ব নেই। আমরা অটো ভাবেই 'মানুষ' হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছি। দুইজন মানব-মানবীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

হযরত আলী (রা.) ও হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) যুদ্ধের দায় হযরত আলীর (রা.) হলে আমরা হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) কেন দোষ দেব?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:৪৪



সূরাঃ ৯ তাওবা, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। সদকা বা যাকাত ফকির, মিসকিন, এর কর্মচারী, মোয়াল্লাফাতে কুলুব (অন্তর আকৃষ্ট),দাসমুক্তি, ঋণ পরিশোধ, আল্লাহর পথে ও মুসাফিরের জন্য। এটা আল্লাহর বিধান।... ...বাকিটুকু পড়ুন

তোমাকে ভালোবাসি I love you

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৩:০২

তোমাকে ভালোবাসি বাতাসের মতো,
যেমন শিশুর কাছে বালি একটা খেলনা,
অথবা ঝড়ের মতো, যাকে কেউ বোঝে না।

I love you like the wind,
Playing like a child in the sands,
Or a storm that no... ...বাকিটুকু পড়ুন

গর্ব (অণু গল্প)

লিখেছেন আবু সিদ, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:৪০

একটা সরকারি প্রাইমারি স্কুল। ক্লাস শুরু হয়েছে বেশ আগে। স্কুলের মাঠে জন মানুষ নেই। কয়েকটা গাছ, দু'একটা পাখি আর চিরসবুজ ঘাস তাদের নিজের মতো আছে। একান্ত চুপচাপ একজন মানুষ শিক্ষক-রুমে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোথাও কেউ নেই

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৫


বাংলাদেশের ব্যাংকিং সংকট নিয়ে যত আলোচনা হচ্ছে, যত টকশো হচ্ছে, যত বিশেষজ্ঞ মতামত দিচ্ছেন, তার কিছুই ব্যাংকের সামনে লাইনে দাঁড়ানো মানুষটার কাজে লাগছে না। তিনি জানতে চান একটাই কথা,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×