১৯০৫ সালে প্রথম বার পুরষ্কার দেওয়ার সময় দিমিত্রি মেন্ডেলিয়েভ এর নাম বিবেচনায় আসছিলো তার পর্যায় সারণী আবিষ্কারের(১৮৬৯) জন্য। কিন্তু বাদ গেল এই ছুতায় যে এই সারণী ইতিমধ্যে রসায়নের ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাইছে, এইটা রিসেন্ট কোন আবিষ্কার না তাই দেওয়া যাইবো না। মেন্ডেলিয়েভ এর পিএইচডি থিসিস আছিলো ইথাইল এলকোহলের ডাইলুশান নিয়া। ওর ঐ থিসিসের সূত্র ব্যবহার কইরা রাশিয়ানরা এখন ভদকা বানায়। নিন্দুকেরা বলে রাশিয়ানরা ভদকা গিইল্যা ৭৫ বছর আমেরিকার পেইন ইন দ্যা অ্যাস আছিলো , এই কারণে মনে হয় ওরে নোবেল দেয় নাই। একইরকম ভাবে ও টী এভেরি আবিষ্কার করছিলো ডিএনএ বংশগতির বাহক(১৯৪৪)। কিন্তু দেওয়া হয় নাই, কারণ উনারা আবিষ্কার সম্বন্ধে সন্দিহান ছিলেন। পরে মনে হইলো এইটা কি কাম হইলো এর বড় ভুল। মরণোত্তর পদক দিবার কোন বিধান ও নাই।
নোবেল কমিটি এরকম ইচ্ছাকৃত এবং অনিচ্ছাকৃত অনেক ভুলই করছে। সেই লিস্ট দেখতে হইলে ৫০-৮০ দশকে কয়েক ডজন রাশিয়ান বিজ্ঞানীর নাম দেওয়া যায়। সেই কথা কইয়া লাভ নাই। কথা হইলো নোবল ভীষন আনন্দের এবং বড় মাপের অর্জন (!)।
কিন্তু তাই বইলা নোবেল রোমান্টিসিজমে আক্রান্ত হওয়ার
মত মাদকতা পূর্ণ কোন নারী না ; যে আপনি নোবেল পাইছেন, এখন আপনি মুরগী দিয়াও কাচ্চি বিরিয়ানী রাঁধবার পারবেন।
্র
আসেন যার যা করবার সাংবিধানিক অধিকার করতে দিই, কিন্তু খেলার বাঁশী বাজনের আগে গলায় মেডেলের স্বপ্ন দেইখেন না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


