somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সুর-১

২৬ শে মে, ২০১৮ সকাল ৯:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রবাদ কথা কি গড়ে ওঠে কুয়োর ব্যাংতলার মত,হঠাৎ বিকালে ঘরে না ফেরা জেলে বা রাখালের হারিয়ে যাওয়ার কিংবদন্তিগল্পের লেজ ধরে?কারণ যিশু হাত তুলে ছলছল চোখে আবারও কালজয়ী আশ্বাস আবারো দেবে।আরো একবার অলস প্রভুর সমর্পণ। সেই প্রবাদ কি আবিস্কার হবে যা চিরদিন প্রবাদই থাকবে?পরিপ্রেক্ষিত পরিস্থিতিতে যা ইশ ইয়া করে।বকেশ্বর নিজের হাতে সমর্পণ করে।হিপোক্রেসির ধোঁয়া তুলে নিজেই তাতে আচ্ছন্ন হওয়ার আনন্দ আছে প্রচুর।মাথার জৈবিক বিষয় মুখে আসে সবারই,কেউ একটু লম্বা পরিধেয় পরলে সে হয় অন্ধ।তারা কি সম কাজ করে,যেমন আমরা তাদের আরাধনা?তুমি কি নিশ্চিত আমি 'তারা' বলে ভুল করছি।বিনিময়ের উপজাত তারা মোড়ের দোকানে না দিয়ে আবার ঈশ্বর আরাধনা করতে পারত।একান্ত বাধ্য প্রেমিক স্রোত ভানরূপী বাঁধের কাছে এখনও আছে,শ্যাওলা হয়ে-মিলেমিশে একাকার।একদিন পরিস্রুত হবে চাঁদ,বিশ্রাম নেবে।টিএসসির চায়ের কথা বা মূত্রভুক দেয়ালের চুমুকিত অপ্রেশন 'নানারকম মুক্তি চাই' ভাষা হয়ে সকলের পকেটে এসে হাজির হবে।ছেড়া আকাশ আর এমন দিনে তারাই বিধাতা।যত কথা পৃথিবীর কাছে। মুখোশ পরে,কত মানুষ।একটু নগ্নতাবাদী সবাই হতেই পারত।বাসে নয়,কথায়।সবাই ভয় খুলে তার গল্প বলুক।শব্দ আরেকটু নির্লজ্জ হোক,আরেকটু উড়নচন্ডী।হাতগুলো শুধু অর্থনৈতিক শ্বাস-প্রশ্বাসের ভেন্টিলেটর হিসাবে না থেকে আবার একটু রগ ফোলাতেই পারতো।কত বোকা মানুষ।তারা কি পড়েনি এত এত রুপকথা বা ধ্রুবক প্রবাদ?নাকি সবাই মনস্কতা আর মধ্যপন্থায় ভুগছে?আবারও ভুলে গেল নাকি দুই পাশ না থাকলে মাঝও হাওয়া হবে?তাদের পৃথিবীতে মৃত্যু অতি দ্রুত আসে,শিক্ষা গ্রহণ শেষেই।সব অমিথ্যা তুমি জানতে।সহ্য করতে না পেরে বমি করেছ।তাই আবার।পরের খাদ্য আবারও ঈশ্বরের বাজি হেরে অপ্রেশনের বমিকৃত খাদ্য ;অসহায় যুক্তির খাদ্য ,যেহেতু তারা গরীব।আরাধনার বশীভূত হয়ে যত মিথ্যাই করি না কেন সে তো হাত লাগায় না।আমরা উভয়েই একই আবর্জনার মধ্যে দাড়ানো।নাক চেপে ধরে শরীরের ময়লা কি এড়ানো যায় না।তাকে দেখো।বাইরে বেরিয়ে সে সাত্যিক,আমরা পাপী।বলেছিলাম না সে ঈশ্বর।বোকা থেকে ব যুক্ত করাকে শুধু ব্যাকরণিক কারসাজি ভাবলে ভুল হবে।প্রচণ্ড রাতে এক জলা ভরা বিপদের সময় কেউ হাত রেখেছিল সাহায্যে।মৃত সেই অভিযুক্ত।আবিষ্কৃত ঈশ্বর বিকালে ধোয়া,রাত্রে মানসিক শান্তিদাতার বিরাট নিরাময়। কারণ একজন সুরঞ্জন দিন শেষে হিন্দু শব্দকে গালি মনে করে।ধর্ম মৃত্যুর ক্রন্দন ঘোষণা।অবলোপিত হিংস্র সময়ের ফাকতলে
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ২:৪২
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=নীলাম্বরী সেজে আছি=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৩৮



এই এসো না কাছে এসো,
নীল শাড়ীতে নীলাম্বরী
ঠায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষাতে
এসে ভাসাও প্রেমের তরী।

নীল সমুদ্দুর ডেকেছে আজ
তাই দাঁড়িয়ে আছি একা
এসো তুমি হাওয়ায় উড়ে
এসে করো একটু দেখা।

হাঁটতে ইচ্ছে বালিচরে,
তুমি আমার - পাশে হাঁটবে?
মনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মূল্যস্ফীতি বাড়লে বা কমলে আমরা টের পাই না কেন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫১


গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণে বাংলাদেশে এখন কয়টা ঋতু আছে তা কেউ বলতে পারে না। আমার মনে হয় গ্রীষ্ম আর বর্ষার একটা মিশ্র ঋতু আছে, আর আছে শীত। এই গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুহাম্মদ আলি জিন্না

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫



১৮৭৬ সালে করাচিতে এক দুষ্ট বালকের জন্ম হয়।
এবং ৭৬ বছর বয়সে দীর্ঘদিন যক্ষা রোগে ভূগে- দেশ ভাগের পরের বছর মারা যান। এই দুষ্ট বালক'ই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা। নাম তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেরা লেখক

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৭



বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো লেখক এক কথায় - হুমায়ূন আহমেদ। হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস মধ্যাহ্ন বা দেয়াল - এর পাশাপাশি রাখার মতো বাংলাদেশে আর কোনো উপন্যাস আছে কিনা আমার জানা... ...বাকিটুকু পড়ুন

=ডায়াটে একদিনের খাবার=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫১

ডায়াটের প্রথম দিকে-একদিনের খাবার। বর্তমানে আমাদের দেহে রোগসুগের অভাব নাই। ডায়াবেটিস, প্রেসার, ক্যান্সারসহ নানাবিধ রোগ বলা নাই কওয়া নাই শরীরে এসে বাসা বাঁধে।

আর এসব রোগের একমাত্র কারণ আনহেলদি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×