শুয়োরের বাচ্চারা, গনস্বাস্থ্য ও ডা জাফরুল্লাহ গং তো কোন খাবার টেবলেট বা সাপোসিটার বানায় নাই যে, কাউকে খেয়ে বা কারো পাছা দিয়ে দিলে সে মারা যাবে বা যেতে পারে! ওরে শুয়োরের দল, এটা টো একটা টেষ্ট কিট, এতে তো মানুষ মরার কোন চান্স নাই, টেষ্ট ভুল হলে আরো দুইবার করে নিশ্চিত হওয়া যায়, আক্রান্তের তো অনেকবার টেষ্ট দরকার হয়। মানুষ তো মরবেই, মরার আগে শরীর থেকে সামান্য রক্ত নিয়ে এই পরিক্ষা করা হলে যদি করোনা ধরে পরে অন্তত সে নিজ থেকে হলেও তো কিছুটা উপায় পেতে পারে।
না করছিস টেষ্ট, না আছে হাসপাতাল, আছে মুখে বড় বড় কথা!
মিঃ মিল্লাত সাহেবের মৃত্যুর খবর যখন মসজিদ থেকে কানে ভেসে আসছিলো, তখন শুধু মনে হচ্ছিলো, এত মৃত্যু কেন! তিনি আমাদের মহল্লাতেই থাকতেন। ওরে শুয়োরের দল, তিনি তো তোদের মতই একটা বড় চাকুরী করতেন, তোদের মতই বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন! নে শুয়োরের দলেরা এই খবরটা পুরা পড়ে নে! আমি তোদের সবার, যারা অন্তত সহজে টেষ্ট করার সুযোগ দিতে চাইছিস না তাদের সকলের করোনা ভাইরাসে মৃত্যু কামনা করি! এবং আল্লাহ যেন তোদের সবার মৃত্যু দেখিয়েই আমার মরন দেন!
"তিন দিন ধরে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) কাছে ঘুরেও করোনা টেস্ট করাতে পারেননি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক উপদেষ্টা খন্দকার মিল্লাতুল ইসলাম। মৃত্যুর পরও এই কর্মকর্তার নমুনা নিতে আসেনি করোনা নিয়ন্ত্রণে কাজ করা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এই প্রতিষ্ঠানটি। সর্বশেষ দাফনের ঠিক আগ মুহূর্তে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। পরে তার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। এ নিয়ে মৃতের পরিবারসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আইইডিসিআরের বিরুদ্ধে লিখিতভাবে সরকারের কাছে অভিযোগ জানাবে ডিএসসিসি। "
(view this link, ছবি নিউজ থেকে)
এই প্রানের দাম কে দেবে?


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

