আমি খুব একটা ইংলিশ গান শুনি না কারন আমি তেমন ইংরেজী ভাষা বুঝি না বিশেষ করে গানের লিরিক না বুঝলে মনে কি আনন্দ আসে! যদিও না বুঝেও অনেক হিন্দি বা আরাবিক গান শুনে থাকি! আমার বলতে লজ্জা নেই যে, আমার পছন্দ বাংলা গান এবং পল্লী গীতি আমার সেরা পছন্দ, যদিও আজকাল আর পল্লীগীতির গায়ক পাওয়া যায় না বা যে দুই চারজন গাইছেন তাদের কথা আর শোনা যায় না! একেবারে গ্রামীন পল্লী গীতি গুলো উচ্চু স্বরে শুনতে আমার ভাল লাগে। যাই হোক, আজ আপনাদের এই সব কথা বলতে আসি নাই, আমি এসেছি একজন ইংল্যান্ডের গায়কের কথা বলতে, এই গায়কের নাম ফ্রেডি মারকুরি (Freddie Mercury), যিনি কুইন ব্যান্ডের ভোকাল ছিলেন আর Queen নাম তো শুনা হি হোগা! তবে এখঙ্কার প্রজন্ম হয়ত এই নাম আর মনে করতে পারে না কারন তিনি ১৯৪৬ সালে জন্ম গ্রহন করে ১৯৯১ সালে মাত্র ৪৫ বছর বয়সে মারা যান!
আমি তার গান শুনে আসছি অনেক দিন, সত্যই ভেবে পাই না, এত জোস নিয়ে কি করে একজন মানুষ গান গেয়ে হাজার হাজার মানুষকে আনন্দ দিতে পারে। তার বেশ কয়েকটা কন্সার্টের অনুষ্ঠান দেখেছি, আমি সত্যি অবাক হই, এত মানুষ তার গান পছন্দ করত।
আমার ধারনা তিনি গানের প্রায় সব ইন্সট্রুমেন্ট বাজাতে পারতেন, পিয়ানো, গিটার বাজানো তো হাতের ময়লা ছিলো, কুইন ব্যান্ডের গান গুলোর ভিডিও ইউটিউবে অহরহ পাওয়া যায়, আপনারা চাইলেই দেখে নিতে পারেন। সান্ডো গেঞ্জি বা খালি গায়ে ষ্টেজে উঠে গান গাওয়া এক অদম্য শক্তি ছিল তার। মুল গানের সুর তাল লয়েও তিনি ছিলেন ওস্তাদ, এত নিখুঁত গান একটা মানুষ গায় কি করে?
এত বেশী বলার নেই, আজকাল জামানা তথ্য যুগের, ডিজিটাল এই যুগে বেশী কথা বলা চলে না। আপনারা শুধু ইউটিউবে প্রবেশ করে তার নাম বা কুইন লিখে সার্চ দিলেই আমার কথার সততা পেয়ে যাবেন। একের পর এক শুনতে থাকুন।
বেহিমিয়ান এই গায়ক ফ্রেডি মারকুরিকে নিয়ে একটা সিনেমাও হয়েছে, বায়োগ্রাফির মত, ২০১৮ সালে। ফ্রেডি মারকুরি চরিত্রে অভিনয় করা এক্টর সেরা অভিনেতা সহ ছবিটি নানান পুরুস্কার পেয়েছেন এবং প্রায় নয় শত মিলিয়ন ডলার ব্যবসা করেছে, বক্স অফিস কাপিয়ে দিয়েছে! মাইকেল জ্যাকসনের সাথে ফ্রেডি মারকুরির একটা ডুয়েট আছে।
যাই হোক, আগ্রহ থাকলে কুইনের গান গুলো আবারো শুনে দেখতে পারেন, ফ্রেডি মারকুরি বায়োগ্রাফি দেখতে পারেন। করোনা ভাইরাস কিংবা সরকারের নানান অসংগতি দেখেও চুপেচাপে যারা জীবন পার করতে চান, তারা ফ্রেডি মারকুরির কয়েকটা গান শুনে দেখতে পারেন, ভাল সময় কাটবে।
সেরা এই ইংলিশ গায়ক ফ্রেডি মারকুরির শেষ দিন গুলো কেমন কেটেছে তা বলা বাহুল্য, এত কম বয়সে মারা যাবার কথা চিন্তা করা যায় না, উশৃক্ষল জীবন বা নানান যৌন কুকর্ম হয়ত তিনি বাঁচতে পারেন নাই, নেশা ও নারী এক করে ফেলেছিলেন শেষ সময়ে, ফলে যা হবার তা হলো, একসময়ে তিনি এইডসে আক্রান্ত হন এবং মাত্র ৪৫ বছর বয়সে ১৯৯১ সালে এই পৃথিবীকে বিদায় জানান।

বায়োগ্রাফিঃ এখানে ক্লিক করুন
ফেবুতে আমার স্ট্যাটাসে ইউটুবের লিঙ্ক গুলো দেখতে পারেনঃ এখানে ক্লিক করুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

