somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পাঠ করুন

২২ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

চারু মজুমদার বা কানু সান্যাল কেউ না থাকলেও তাদের ভাবধারার ও ভাবমর্যাদার আন্দোলন টিকে আছে। মাত্র আড়াই-তিন দশকের ব্যবধানে সেই নকশালবাড়ি আন্দোলন আবার চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। কারণ সব বিশ্লেষক একমত, নকশালবাড়ি আন্দোলনের মূল যৌক্তিক ভিত্তি এখনো বদলায়নি। বঞ্চিত ও দলিত মানুষের ভাগ্য ফেরেনি। সঙ্গত কারণে উপসংহার টানা সম্ভব, নকশালবাড়ি আন্দোলনের পথপদ্ধতি ত্রুটিপূর্ণ হলেও ভুল ছিল না। পুঁজিতান্ত্রিক সামন্তবাদী অর্থনীতির দেশ ভারতের প্রান্তিক শ্রেণীর গণমানুষ বঞ্চিতই থেকে গেছে। উপজাতি আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষের সাথে শ্রেণিবৈষম্য ও নিবর্তন একটি পাকাপোক্ত ব্যবস্খা হিসেবে চালু আছে। ভারতীয় বুর্জোয়া গণতন্ত্র সাধারণ মানুষের কাছে কোনো সুখবার্তা নিয়ে যায়নি। বর্ণ ও শ্রেণিবিভক্ত রাষ্ট্রের সেই ব্যবস্খায় কোনো পরিবর্তনের ছোঁয়া লাগেনি। শোষণ-বঞ্চনা ও শ্রেণিবৈষম্য গত তিন দশকে ভারতের কোথাও কমেনি বরং বেড়েছে। ভারত এখন কথিত আঞ্চলিক পরাশক্তি, কিন্তু ভারতের অর্ধেক মানুষ নিরক্ষর। এক-তৃতীয়াংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। ভারতের উন্নয়নে কসমেটিক ধরনের উন্নয়নধারা স্ফীত হয়েছে। শিল্পের অবয়ব বেড়েছে। শ্রমজীবী মানুষের ভাগ্য বদলায়নি। জনসংখ্যার উল্লেখযোগ্য অংশ কৃষি খাতে কর্মরত। সেই কৃষক বঞ্চনার শিকার। তাই কৃষক বিদ্রোহ ভারতের মাটির জন্য উর্বর। মাওবাদ সেই সুযোগ গ্রহণ করছে। জনসমর্থনও পাচ্ছে। মাওবাদের এই প্রভাবকে চীনের ইìধন, নেপালের প্রেরণা কিংবা প্রতিবেশীদের ষড়যন্ত্র বলে ভারত সরকার এক ধরনের দৃষ্টি ফেরানো রাজনৈতিক কূটনীতির বিষয় বানিয়েছে। এই ভ্রান্তিবিলাস একসময় ভারতের অখণ্ড অস্তিত্বকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে।

ভারতের প্রেক্ষাপট এবং বাংলাদেশের অবস্খা এক নয়। তবে ভারতে আট ভাগ মানুষ অচ্ছুত ও দলিত। এরা মানুষ হলেও ভারতীয় শাসক এবং বর্ণহিন্দুদের কাছে মানুষ নয়, অন্য কিছু। হালে আমাদের দেশে শাসকদের পক্ষ থেকে অনেক মানুষকে অচ্ছুত এবং নিষিদ্ধের তালিকায় ফেলে দেয়া হচ্ছে। তাদের জন্য আইন নেই, ইনসাফ নেই, ন্যায়বিচার নেই। মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা নেই। এভাবে মানুষকে অপমান এবং আইনের শাসনের আওতার বাইরে নিয়ে যাওয়ার অর্থ হবে ভয়াবহ। এরাই হঠকারী হয়ে চরমপন্থা বেছে নেবে। মরিয়া হয়ে অস্তিত্ব রক্ষার পথে এগোবে। তাই নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতির পথ রুদ্ধ করে দেয়ার অর্থই হবে সন্ত্রাস উসকে দেয়া। দেশকে চরমপন্থী ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয়া। মত প্রকাশের অবারিত পথও রুদ্ধ করে দেয়া হচ্ছে। দেশকে পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করা হচ্ছে। শাসকদের কথা, বক্তৃতা, আচরণ ও অ্যাকশনপ্লানে ভয়াবহ প্রভুত্বকামী মানসিকতা ফুটে উঠছে। এর নাম শুধু বাকশালী ধ্যানধারণা বলতে রাজি নই। এটি অপরিণামদর্শিতা। হঠকারিতা। রাষ্ট্র ও জাতিঘাতী এ হঠকারিতার পরিণাম ভয়াবহ হতে বাধ্য।

এখন আইন-বিচার বিতর্কের ঊর্ধ্বে নয়। দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো আড়ষ্ট হয়ে গেছে। গণমাধ্যম খবরদারিমুক্ত নয়। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো অকার্যকর করে তোলা হচ্ছে। একটি অস্খির সমাজের সব উপকরণ বিদ্যমান। একটি দুর্বল ও বিভক্ত জাতির ভয়াবহ পরিণামের সব আলামত স্পষ্ট। নৈতিক অবক্ষয় চরমে। নারীর সম্মান লুণ্ঠিত হচ্ছে। হতদরিদ্র মানুষ অসহায়। গ্রামবাসীর হাতে সরকারি ছাত্রসংগঠনের নেতার গণপিটুনিতে মৃত্যু নকশালবাড়ির আলামত কি না সরকারকেই খতিয়ে দেখতে হবে। নগরকেন্দ্রিক মানুষের মৌলিক চাহিদার জন্য হাহাকারের সাথে গ্রামীণ মানুষের দু:খবোধ চাপা অসন্তোষকে ধূমায়িত করছে। কোনো অবস্খান থেকে আশাবাদ নেই। কোথায় দাঁড়িয়ে আমরা সাফল্য দাবি করব। জাসদ নেতা আ স ম রবের ভাষায়, দেশে জাহান্নাম পরিস্খিতি বিরাজ করছে।

জাতীয় সংসদও ভরসাকেন্দ্র হয়ে উঠল না। বিরোধী দল সংসদে ফেরার পর জনগণ উৎসাহী হয়ে উঠেছিল। সরকারি দলের দাপটের কারণে সেই উৎসাহে ভাটা পড়েছে। বেতনভাতা প্রসঙ্গে বিরোধী দলের অবস্খান অস্বচ্ছ ও অযৌক্তিক ছিল না। এটাও স্পষ্ট ছিল বিরোধী দল বেতনভাতা বাড়ানোর বিপক্ষে ছিল না। শুধু এ সময়ে এ ধরনের বিল পাস না করার প্রস্তাব করেছিল। প্রধানমন্ত্রী এটিকে ‘স্ট্যান্টবাজি’ বলে উড়িয়ে দিলেন। আরো বললেন, হঠাৎ জনগণের প্রতি বিরোধী দলের ‘দরদ উথলে পড়েছে’। বিরোধী দলের সদস্যদের আনা কয়েকটি প্রস্তাবও কণ্ঠভোটে নাকচ করে দেয়া হলো। একেই কি বলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোর? অন্য ভাষায় একেই বলে গণতন্ত্রের নামে নির্বাচিত সরকারের স্বেচ্ছাচার। এ ধরনের ভারসাম্যহীন সংসদে কণ্ঠভোটকে সরকারদলীয় তামাশা বলাই শ্রেয়।

বিরোধী দলের সদস্যদের কথা ছিল¬ বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি সঙ্কটসহ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবের দিকে নজর না দিয়ে এভাবে সরকারের শীর্ষপর্যায়ের লোকদের বেতনভাতা বাড়ালে মানুষ অসন্তুষ্ট হবে। দু:খ পাবে। ভাববে জনগণের দুর্ভোগ সংসদের কাছে কোনো গুরুত্ব পায়নি। বিরোধী দল যে
নিয়তেই বলুক, এ বক্তব্যের একরত্তিও মিথ্যা ছিল না।

বিল পাস হওয়ার ফলে রাষ্ট্রপতির বেতন ৩৩ হাজার ৪০০ থেকে বেড়ে ৬১ হাজার ২০০, প্রধানমন্ত্রীর ৩২ হাজার থেকে ৫৮ হাজার ৬০০, স্পিকারের ৩১ হাজার ২০০ থেকে ৫৭ হাজার ২০০, ডেপুটি স্পিকারের বেতন ২৯ হাজার থেকে বেড়ে ৫৩ হাজার ১০০ টাকা হয়েছে। প্রধান বিচারপতির বেতন বেড়ে ৫৬ হাজার, আপিল বিভাগের বিচারপতির বেতন বেড়ে ৫৩ হাজার ১০০ এবং হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের বেতন বেড়ে ৪৯ হাজার টাকা হয়েছে। মন্ত্রীদের ক্ষেত্রে বেতন ২৯ হাজার থেকে বেড়ে ৫৩ হাজার ১০০, প্রতিমন্ত্রীদের ২৬ হাজার ১০০ থেকে ৪৭ হাজার ৮০০ ও উপমন্ত্রীদের বেতন ২৪ হাজার ৬৫০ থেকে ৪৫ হাজার ১৫০ টাকায় উন্নীত হয়েছে।

এর মধ্যে অপেক্ষাকৃত সুযোগ-সুবিধা বেড়েছে সংসদ সদস্যদের। তাদের বেতন ১৫ হাজার থেকে বেড়ে ২৭ হাজার ৫০০ টাকা হয়েছে। এ ছাড়া সংসদ সদস্যদের পারিতোষিক, নির্বাচনী এলাকার যাতায়াতভাতা, ব্যয় নিয়ামকভাতা, গাড়ি আমদানি সুবিধা, যানবাহনভাতা, নির্বাচনী এলাকার অফিস খরচভাতা, ধোলাইসহ বিবিধ খরচভাতা, ভ্রমণের জন্য মাইলেস ভাতা, দৈনিক ও যাতায়াতভাতা, সাত দিনের অধিক বিরতিকালে ভ্রমণভাতা, দেশের ভেতরে ভ্রমণভাতা, বীমাসুবিধা, ঐচ্ছিক অনুদান, চিকিৎসাভাতা ও আবাসিক টেলিফোনভাতা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
জনগণ সংসদ সদস্যদের চাকরিজীবী ভাবেন না। সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য ভোটভিক্ষার সময় জনগণের সেবার সুযোগ দাবি করেই কাকুতি-মিনতি করেন। সেবকদের অবস্খা যখন খাই খাই পর্যায়ে যায়, তখন জনগণের কাছে তাদের ভাবমর্যাদা কী দাঁড়ায় বোঝা দরকার।
সংসদের সদ্যসমাপ্ত অধিবেশনে বিরোধী দলের সদস্যদের ৯৯টি মুলতবি আলোচনার প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন স্পিকার। কার্যপ্রণালী বিধির ৬২ বিধিতে জমা দেয়া এসব নোটিশে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা আইনশৃঙ্খলার অবনতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, গ্যাস বিদ্যুৎ পানি সঙ্কট, শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস, খুন, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ছাত্রলীগের সন্ত্রাস, ইডেন কলেজে ছাত্রী নিগ্রহের ঘটনা, ভারতকে ট্রানজিট দেয়া, ভারতের সাথে সম্পাদিত চুক্তি, সীমান্তে বিএসএফ পরিচালিত হত্যাকাণ্ড ইত্যাদি বিষয়ে সংসদের অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি রেখে আলোচনা চেয়েছিলেন। স্পিকার বললেন, নোটিশের বিষয়বস্তুর ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্খা নেবে। স্পিকারের ভাষায় কিছু নোটিশ অনুমাননির্ভর, কিছু নোটিশ কার্যপ্রণালী বিধির অন্য বিধিতে নিষ্পত্তিযোগ্য, কিছু নোটিশের বিষয় তথ্যনির্ভর নয়। নোটিশগুলো গ্রহণ করা গেল না বলে তিনি দু:খিত হয়েছেন।

স্পিকারের এই দু:খবোধের কোনো অর্থ হয় না। এটা স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো উপেক্ষিত হলো। এর পরও কি আশা করা যায় জাতীয় সংসদ জনগণের আশা-ভরসার কেন্দ্রবিন্দু হবে? যে সংসদে সংসদ সদস্যদের বেতনভাতার আলোচনা বেশি প্রাধান্য পায়, জনদুর্ভোগের বিষয়গুলো স্পিকার দু:খিত বলে পাশ কেটে যান, সংসদ নেতা বলেন জনগণের প্রতি দরদ উথলে ওঠার কথা¬ সেই সংসদ আর যা-ই হোক জনগণের স্বার্থ যে সংরক্ষণ করবে না তা এক রকম নিশ্চিত।

তাহলে জনগণের সামনে পরিবর্তনকামী হওয়া ছাড়া আর উপায় কী? সংসদে বিরোধী দল উপেক্ষিত হবে। রাজপথেও তাদের টিকতে দেয়া হবে না; ইসলামের কথা বললেই অচ্ছুত ভাবা হবে; দেয়া হবে নিষিদ্ধের হুমকি, উৎখাতের হুঙ্কার¬ এভাবে দখলের নৈরাজ্য কি একটি অনিবার্য সঙ্ঘাতের পরিবেশ সৃষ্টি করছে না? একসময় বিরক্ত অবুঝ শিশুটিও শিথিল মুষ্টির আঘাতটি সজোরে মা-বাবা কিংবা স্বজনের দিকে ছুড়ে দিতে চায়। তাতে নাক-চোখ-মুখ বিচার করার বোধ থাকে না। সংক্ষুব্ধ নাগরিকমন বিষিয়ে উঠলে প্রতিবাদের ভাষাটি ব্যাকরণসিদ্ধ না-ও হতে পারে। জনগণের কাছ থেকে পাওয়া বার্তাটি এখন অনেক বেশি স্পষ্ট এবং অর্থবহ। এ ইঙ্গিত বোঝার দায় সরকারের।
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=আকাশে তাকিয়ে ডাকি আল্লাহকে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৪:০১


জীবনে দুঃখ... আসলে নেমে
শান্তি গেলে থেমে;
আমি বারান্দায় দাঁড়িয়ে হই উর্ধ্বমুখী,
আল্লাহকে বলি সব খুলে, কমে যায় কষ্টের ঝুঁকি।

আমি আল্লাহকে বলি আকাশে চেয়ে,
জীবন নাজেহাল প্রভু দুনিয়ায় কিঞ্চিত কষ্ট পেয়ে;
দূর করে দাও সব... ...বাকিটুকু পড়ুন

"ছাত্র-জনতার বেপ্লবের" ১৮ মাস পরে, আপনার ভাবনাচিন্তা ঠিক আগের মতোই আছে?

লিখেছেন জেন একাত্তর, ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:৫৭



২০২৪ সালের পহেলা জুলাই "ছাত্র-জনতার বেপ্লব শুরু হয়, "৩৬শে জুলাই" উহা বাংলাদেশে "নতুন বাংলাদেশ" আনে; তখন আপনি ইহাকে ব্যাখ্যা করেছেন, ইহার উপর পোষ্ট লিখেছেন, কমেন্ট করেছেন; আপনার... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের হাদিকে গুলি করা, আর আওয়ামী শুয়োরদের উল্লাস। আমাদের ভুল কোথায়?

লিখেছেন তানভির জুমার, ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ৯:৫৩



৩০ জনের একটা হিটলিস্ট দেখলাম। সেখানে আমার ও আমার স্নেহের-পরিচিত অনেকের নাম আছে। খুব বিশ্বাস করেছি তা না, আবার খুব অবিশ্বাস করারও সুযোগ নাই। এটাই আমার প্রথম... ...বাকিটুকু পড়ুন

এ যুগের বুদ্ধিজীবীরা !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১:৪০


ডিসেম্বর মাসের চৌদ্দ তারিখ বাংলাদেশে বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়। পাকিস্তান মিলিটারী ও তাদের সহযোগীরা মিলে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করেন লেখক, ডাক্তার, চিকিৎসক সহ নানান পেশার বাংলাদেশপন্থী বুদ্ধিজীবীদের!... ...বাকিটুকু পড়ুন

টাঙ্গাইল শাড়িঃ অবশেষে মিললো ইউনস্কর স্বীকৃতি

লিখেছেন কিরকুট, ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১০:৫৭



চারিদিকে যে পরিমান দুঃসংবাদ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এর মধ্যে নতুন এক গৌরবময় অধ্যায়ের সূচনা হলো বাংলাদেশের টাঙ্গাইলের তাতের শাড়ি এর জন্য, ইউনেস্কো এই প্রাচীন হ্যান্ডলুম বুননের শিল্পকে Intangible Cultural... ...বাকিটুকু পড়ুন

×