সরকার লকড ডাউন করে দিলে কি হতে পারে সে ব্যাপার টি নিয়ে ভাবছিলাম। ঢাকা শহরে বসবাস করা ৭০% মানুষ শ্রমজীবী শ্রেনীর। এরা দিন আনে দিন খায়। অনেকে আবার খেতে ই পায় না। সারা ঢাকা অবরুদ্ধ থাকলে এরা কি করবে? এদের নিয়ে সরকারের কোনো প্লান পরিকল্পনা আছে কি? যত দূর মনে হচ্ছে সরকারের এ ব্যাপারে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। তাদের মন্ত্রী এমপি রা আছে নির্বাচন আর তেলাতেলি নিয়ে ব্যস্ত। দেশ যদি ১৫-২০ দিনের জন্য স্থবির হয়ে যায় তাহলে দিন মজুর শ্রেনীর মানুষ করোনা তে নয়, না খেয়ে মারা যাবে।
করোনার প্রভাবে ইতিমধ্যে বাজারে আগুন লেগেছে। সব কিছুর মূল্য উর্ধ্বমুখী। এদেশের ব্যবসায়ীদের মত এত বাজে মানষিকতার মানুষ বিশ্বের কোথায় খুজে পাওয়া যাবে না। চালের বস্তা যেটা ছিল ২২০০ টাকা সেটি হয়েছে ৩৫০০ টাকা। পিয়াজ ৪০ ছিল হইছে ৭০ টাকা। আলু ১৮ থেকে হয়েছে ২৫ টাকা। এছাড়া আদা, রসুন, ডাল, তেল সব কিছুর দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। দেশের কিছু উজভুক সমানে বেশি বেশি জিনিস কিনে বাসায় স্টক করে রাখছে, ফলে ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম স্ংকট দেখিয়ে মুল্য আরো বৃদ্ধি করতেছে।
তাহলে কি আমরা বেশি বেশি জিনিস কিনবো না? হ্যা কিনবো কিন্তু সেটা প্রয়োজনের অতিরিক্ত না। আপনার বেশি বেশি কেনাতে যেন দরিদ্র কেউ ক্ষতিগ্রস্থ না হয়। কারন, আপনার পক্ষে ৫০ টাকা দামের চাল ৮০ টাকা দিয়ে কেনা সম্ভব কিন্তু এক জন দিন মজুরের কাছে সেটা সম্ভব না।
এখন সব থেকে শোনা কথা হচ্ছে, “সবাই ঘরে বসে থাকেন, বাইরে বের হবেন না।“ কিন্তু কিছু মানুষদের অনিচ্ছা সত্বেও বের হতে হচ্ছে । অফিস-আদালত খোলা, ব্যবসা প্রতিষ্টান খোলা, গ্যামেন্টস খোলা, ব্যাংক খোলা………… সব যেহেতু খোলা বাসায় কেমনে বসে থাকা যায়? বাসায় বসে থাকলে চাকরী থাকবে ? আর যদি চাকরী না থাকে কে বাড়ি ভাড়ার টাকা দিবে ? কে বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াবে ? এদেশে সুখের সঙ্গীর অভাব নেই কিন্তু বিপদে পড়লে কেউ কারো না। একলা চলো নীতিতে চলতে হয় তখন।
তাই লকড ডাউন করার আগে ,’সবাই যেন না খেয়ে মরে না যায়’ সে ব্যবস্থা এনশিওর করতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৩:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


