মূর্ছনার মন্ডপে অন্ধকার গিট্ খুলে সেই কবে
আমার ভাংতি কপালে পাখি-কাব্যের ফিসফিসানি- উড়াল-
পংক্তির বিন্যাস করেছিলাম-
রুদ্রাক্ষরের লাল দস্তানা পড়ে তুমি - তোমার স্রোত - অনুভব - অভিমান
আহাজারির খন্ড-বিখন্ড অনুবাদ তখন আধশোয়া শামুক শুন্যতায় বাড়ি যেত -
হঠাত একদিন কেউ একজন আমার আত্মা মুষড়ে দিয়ে বললো-
'মানুষ তার নিজের ভিতর প্রতিদিন নতুন করে জন্মায় '
তারপর ভ্রান্তির আকাশটা বুকের কাছে নামতেই শুরু হলো
ক্রমবর্ধমান আগুনের বিবর্ণ লুটপাট বিচ্ছেদ---
"পৃথিবীর মত একটি গ্রাম নিয়ে প্রিয় জানলাটা কাছে আসে
দখিনের বোতামগুলো টেনে টেনে বুকের উপর খুলে রাখে
কিছু বর্গাকার আঘাত, স্মৃতি শিল্প, গান -
জলকাদায় একাকার শরীরটা কালো হতে হতে
আধমরা সাধ স্বপ্ন-শিল্প নিয়ে ধীরে ধীরে ঢুকে পড়ে
আগুনের কুণ্ডলীতে--------------
এ নিংড়ানোতে কোনো দুঃখ নেই ।"
পাখিওয়ালার আত্মহত্যার পর
মার্বেল দুপুরটা আজোবধি আমার আত্মীয়
পাখিওয়ালার আত্মহত্যার পর
মেঘেদের উৎসব ছুঁয়ে মনটা ভিজতে ভিজতে
নেমে আসে ঘাসের উপর, চতুর্দিক মিলিয়ে যায় ডাকতে
ডাকতে জীবনের কাছে কোনো এক সামুদ্রিক গোপনে।
এ গল্পের পোস্টমর্টেম করতে করতে এখন আর ঘুমাতে পারিনা-
চোখে মুখে ডুবুরীর পর্দা ফেলে ভেতরটাকে ঘুম পাড়িয়ে রাখি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




