যেদিকে তাকাই ঘুমের বর্ণমালা,
সংগোপনের ছায়া তাবিজ- সন্তাপ ডানে- বায়ে- উত্তরে-
মস্তিষ্কের আড়াআড়ি,ঝিমুনি মুদ্রার মাতাল উড়াল দুঃখে
ভেতরটা সেই জন্মের পর থেকে বোতামহীন বিদেশী পাখি,
ঠোঁটে চোখে পিঠে অসমাপ্ত বাড়ির জানলায় যেখানে হাত রাখি
খসখসে কবিতার বুড়ো আঁশভর্তি অসমতল মাংশ আর রুপালি বিনাশ
ওখান থেকে একবার পা ফসকালে নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও
পান করতে ইচ্ছে করে জোসনার রূপ।
যেখানে যাই মিছামিছি পুকুর অন্ধকার হাঁটুজল কানামাছির
কলকলে শব্দ -মধ্য রাতের ভাঙ্গা চাঁদে সুযোগ পেলেই খেলে,
কখনো সাপের ফনায় চোখ রাঙিয়ে আচমকা খেলে,
কখনো মেঘের পর্দা ছিনিয়ে চোখের পাতায় ব্যক্তিগত ব্যালকনি নামিয়ে
সারাটা জীবন নিজের কাছে যাযাবর খাঁচা হয়,
শরীর ভর্তি আগুনের ফোঁটা নিয়ে যেদিকে যাই পকেট থেকে
বেরিয়ে আসে নিশুতি রুমাল, আত্মগোপনের মচমচে টিকিট;
তারাদের দীপ্তি নামিয়ে নিদ্রাহীন জলঘরে আজকাল এরকম হয়-
সামুদ্রিক রাতগুলো নিরবতার আঙ্গুল টেনে গোপনে গোপনে
রাতের ট্রেনে আমার বুকের কাছে বিচ্ছিন্ন হয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




