somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শিক্ষক নাকি দস্যু ?

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিষয়টি খুবই মর্মাহত করেছে আমাকে । একজন শিক্ষক, যিনি পিতার সমতূল্য, অত্যন্ত পূজনীয় ব্যক্তি একজন ছাত্রের সঙ্গে তার এমন উগ্রচন্ডী মেজাজে কথা বলা কি মানায়?

মৌখিক পরীক্ষা নিতে আসা প্রতিটি শিক্ষক কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কম বেশি উতকোচ (অর্থ) নিয়ে থাকে। উদ্দেশ্য মৌখিক পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের একটু বেশি নাম্বার দেওয়া। এটা কারোরই অজানা নয়। কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের বনিবনা না হওয়ার তার প্রতিশোধ নিশ্চয় শিক্ষার্থীদের ওরপ নিতে পারেন না কোন দায়িত্বপালনকারী শিক্ষক।

রোববার ছিল মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অর্নাস চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের ভাইবা। এদিন তিতুমীর কলেজের ২ শিক্ষক এসেছিলেন পরীক্ষা নিতে। সকাল ৯টা থেকে পরীক্ষা নেয়ার সময় দেয়া হলেও যথাসময়ে তা শুরু হয়নি। শুধু তাই নয়, পরীক্ষা নেয়া শুরু হওয়ার পর দেখা দেয় আরও বিশৃঙ্খলা। একজন শিক্ষার্থীকে কমপক্ষে ১০-১৫ মিনিট করে আজেবাজে প্রশ্ন করা হয়। ১২৮ জন পরীক্ষার্থী উপস্থিত থাকলেও বিকাল ৫টা পর্যন্ত মাত্র ৬০জন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়া হয়। বাকিদের বলা হয় আজ নয় কাল।

এমন অবস্থায় বেশ কিছু শিক্ষার্থী কলেজের বিভাগীয় প্রধানের কাছে টিউশন নেয়ার সুবাদে তাদের সিরিয়াল পেছনে থাকলেও আগেভাগে পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ পান। তবে সমস্যা দেখা দেয় অন্যখানে। এদের মধ্যে বেশ কিছু ছাত্র চাকুরিজীবী থাকলেও দায়িত্বরত শিক্ষক বলেন সিরিয়ালের বাইরে কারো পরীক্ষা নেয়া হবে না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, আমি চাকুরি করি। বিকেলে আমর অফিসিয়াল একটি কাজ ছিল। তাই বিভাগীয় প্রধানকে ফোনে বলে আমি সিরিয়াল ব্রেক করে আগে পরীক্ষা রুমে ঢুকেছিলাম। কিন্তু ভেতরে ঢোকার পর তিতুমীর কলেজের দাড়িওয়ালা নাম না জানা সেই শিক্ষক আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। কেন আমি সিরিয়াল ব্রেক করে ঢুকলাম বলে উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। আমি দু:খিত বললেও তিনি আমার পরীক্ষা না নিয়ে রুম থেকে বের করে দেন। এসময় আমার বিভাগীয় প্রধান মামুন স্যার নিশ্চুপ ছিলেন। বিষয়টি আমাকে খুবই মর্মাহত করেছে।

আপনারাই এবার বলুন সেই স্যার এবং মামুন স্যারের এমন আচরণ কতটুকু যৌতিক?
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১:৫০
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:১৮


বাংলাদেশের সমাজে একটি নীরব বিপ্লব ঘটে গিয়েছে। দুই বছর আগে ব্লগে অ্যাকাউন্ট খোলার পর থেকে এই পরিবর্তন নিয়ে কম করে হলেও বিশটির বেশি পোস্ট লিখেছি। এই বিপ্লবের সাথে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিকেলগুলো থমকে থাকে, আজও তোমার পাড়ায়

লিখেছেন চারাগাছ, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:০০






সেদিন বিকেলেও লোকটা জানালার পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল।

পাড়ার মানুষজন তাকে চেনে। চেনার কথাও। গত বাইশ বছর ধরে প্রায় প্রতিদিন বিকেল পাঁচটার দিকে লোকটাকে এই গলিতে দেখা যায়। কখনো হেঁটে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনন্ত সেই ভালবাসার স্রোত

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:৫৬

অনন্ত সেই ভালবাসার স্রোত



সময় চলেছে তার আপন খেয়ালে,
নদীর স্রোতেরা হারায় কালের বুকে;
আমি শুধু এক অনন্তকাল ধরে,
ডুবে আছি প্রিয়, তোমার চাওয়া পাওয়ার ওই সুখে।

বাহিরের সব নিয়ম চলুক তার মতো,
মহাবিশ্ব... ...বাকিটুকু পড়ুন

চলার পথে ক্ষণিক দেখা – (১১)

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০২

পূর্বের পোস্টঃ ক্ষণিকের দেখা, মায়াময় এ ভুবনে -১০


অবশেষে আমার কিছু কথা শুনে ওরা হাসিতে ফেটে পড়লো। সবার মুখে ছিল উজ্জ্বল হাসি।

আজ দুপুরে একটি এলাকার মাসজিদ সংলগ্ন পুকুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০২

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০২



আমাদের চারপাশে অনেক কিছু আছে।
যা আমরা দেখতে পাই না। ব্যাকটেরিযয়া, ভাইরাস, ডার্ক ম্যাটার, অণু ও পরমাণুর কথা বলছি না। আমি বলছি, মৃত মানুষের কথা। প্রতিদিন বিশ্বে গড়ে দেড়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×