somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিধান লইয়া উদিত প্রশ্ন... ইশারায় পরিশুদ্ধ হওনের উপায় কি আছে?

২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৭:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিধান নিয়া কি জানি একটা বিতর্ক আছে। কিন্তু দৃষ্টান্ত স্থাপণ করতে পারলে কি দুর্নীতি বন্ধ হইয়া যাইবো? নাকি, শাস্তির দৃষ্টান্ত দেখাইলে ভয়ে কেউ দুর্নীতি করবো না? এই বিষয়টা বুঝি না। কারণ একটাই, আর তা হইলো আমি দুইটার কোনটারেই দুর্নীতি নিমর্ূলের লেইগা সঠিক বইলা মনে করি না। মানুষের সামনে চাহিদা আছে...কিন্তু সেই চাহিদা পূরণ স্বাভাবিক সততায় চললে প্রায় অসম্ভব, আমি তা'ই মনে করি। এরমধ্যে কাজে ফাকী দেওয়া, ম্যানেজমেন্ট বা বসের দৃষ্টি আকর্ষণে যা কিছু করা, স্বজনপ্রীতির সুযোগে বা পরিচিত হওনের সুযোগে কাজ বাগাইয়া নেওয়া এইগুলিরেও আমি শঠতা হিসাবে দেখতেছি।

সমাজে যেইসব শঠতা নিয়ম হিসাবে দাঁড়াইছে, পুঁজিবাদে এইসবরে স্বাভাবিক নিয়ম ধরনের প্রক্রিয়া চলছে যুগ যুগ ধইরা। আর তারই ধারাবাহিকতায় দুর্নীতির সংজ্ঞা পালটানের ধান্ধাও আছে। কিন্তু চারিত্রিক এইসব বহিঃপ্রকাশরে দুর্নীতির বাইরে ধইরা দুর্নীতি নিমর্ূল কি কখনোই সম্ভব?

ফুটপাতের হকার উচ্ছেদ কইরা, অবৈধ বস্তি ভাইঙ্গা কি দুর্নীতি নিমর্ূল সম্ভব? হকাররা আগে যারে চান্দা দিয়া ব্যবসা চালাইতো...সেই মাস্তান কিম্বা পুলিশেরা তো বহাল তবিয়তে আছে। তাগো সম্পত্তির হিসাবের বিধান তো আইনের ফাক দিয়া বাইর হইয়া যায়! সমাজে যারা এখন দুর্নীতি নিমর্ূলের কথা ভাবে তারাই যে সমাজের দুর্নীতিরে শতকরা হারে মাপনের চিন্তা করে। এমনে কি দুর্নীতি নিমর্ূল সম্ভব? উচ্ছেদ করা মানুষগুলির কি হইবো? তারা এখন কই গিয়া দাঁড়াইবো? এই লোক গুলিরে উচ্ছেদ কইরা দৃষ্টান্ত ঠিকই দেখাইতে পারেন প্রশাসকেরা...কিন্তু তাগো যে আন্ধা বানাইয়া রাখছে সমাজব্যবস্থা...তার দায়ভার কে নিবো?

বর্তমাণ সমাজ ব্যবস্থা যে দুর্নীতিমূলক ব্যবস্থারে অনুমোদন করে, সেইটা বুঝতে একবার খবরের কাগজে চোখ বুলাইলেই হইবো। যে কোন কিছুর প্রতিযোগীতায় টিকা থাকতে হইলে কোন না কোন মাত্রায় দুর্নীতির আশ্রয় নিতে হইবো। এইটাই সময়ের নিয়ম।
তারপরেও আমরা কেমনে অন্য কারো ইশারায় পরিশুদ্ধ হওনের কথা ভাবি?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৪০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নীল ড্রামের রহস্য

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫


ঘরটি অন্ধকারাচ্ছন্ন। ক্ষণে ক্ষণে জানালার ওপাশ থেকে আসা দূরপথের সোডিয়াম বাতির একচিলতে আলো এসে পড়ছে ঘরের ভারী বাতাসের ওপর। ঘামের তীব্র গন্ধ আর উন্মুক্ত ত্বকের উত্তাপ ঘরের পরিবেশকে ভারী করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৮ বছর ১ সপ্তাহ পার !

লিখেছেন মেহবুবা, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৯


এমনি করে দিন চলে যায়। ১৮ বছর কখন পেরিয়ে গেল এখানে বুঝতে পারিনি। কত জনের কথা, কত ঘটনা মনে আসছে ! এমনি করে সূর্যাস্তের দিকে যেতে যেতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিজন দাদা, হারালে কোথায় ?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


নিত্য নতুন পোস্টের ভিড়ে
সেই চেনা মুখটি আজ আর দেখি না
কোথায় হারালে বিজন দাদা
ব্লগের উঠোনে তোমার সেই ছায়াটি আর মেলে না।

কোনো লেখা যখন সদ্য প্রসবের ব্যথায়
শব্দেরা যখন খুঁজত একটু... ...বাকিটুকু পড়ুন

সক্রেটিস ঈশ্বরের বাণী প্রচার করতেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১৫



সক্রেটিস মানুষের সাথে কথা বলতে ভালোবাসতেন। তিনি যখনই সময়ে পেতেন, মানুষের সমাগম যেখানেই হতো, সেখানেই তিনি বক্তব্য দিতেন। সেই বক্তব্যগুলো ছিলো, সক্রেটিসের ভাষায়, 'দৈব বাণী' বাঁ 'ঈশ্বরের বাণী'। এজন্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১১

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লাল বদরঃ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া একটি নতুন ও রাজনৈতিক কটূক্তিবাচক শব্দ বা স্লোগান। কোটা সংস্কার আন্দোলন ও সরকার পতনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×