.......আজ আমরা কেন যেন ভাবতে পারিনা।কখনো ভাবনা আসলে ও তা প্রকাশ করতে পারিনা।রবার্ট ক্লাইভ মাত্র ২০০ বিদেশী আর ৫০০ দেশি কুলাঙ্গার নিয়ে বাংলাদেশকে ২০০ বছরের জন্য তার দাসত্বে বন্ধী করেছিলো।সেদিন ৫০ হাজার দেশপ্রেমিক শত্রুর বীরত্বের দর্শক ছিল ।আমার মনে হয় বর্তমানে ১৬ কোটি জনতা এক দল দেশিয় রাজাকারের দেশকে বহির্বিশ্বে অপমানিত, ও জঙ্গী রাষ্ট্র হিসেবে প্রমান করতে যেভাবে উঠে পড়ে লেগেছে তাকে স্বাগত জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে ।
না হলে কেন সেনাবাহিনি নিয়ে দেশের বিষফোঁড়া গনজাগরনমঞ্চের এই কুৎসা রটনা?তনু হত্যার ব্যাপারে ফেইসবুকে জনমত সৃষ্টি হয়েছিল।ঢাবির শত শত শিক্ষার্থী এই জনমত সৃষ্টি করতে অসামান্য অবদান রেখেছে।যখন দেশ ফুসলিয়ে উঠলো তখন ইমরান তার গুন্ডা বাহিনি নিয়ে মনে হচ্ছে তার সফলতার গান গাইতে মাঠে নেমেছে।পথের কুকুরের মত এর ওর সমাবেশে মাইক নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছে ।বাংলাদেশে লাশের রাজনীতি নতুন নয়।কিন্তু লাশ নিয়ে যখন সেনাবাহিনিকে বিশ্ব দরবারে কলংকিত করার জন্য দেশিয় রাজাকারের নাতি ইমরান সরকার চিল্লা পাল্লা করছে তখন এই দেশের নাগরিক হয়ে চুপ থাকতে পারছিনা।
গনজাগরনমঞ্চ হয়েছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে ।সেখানে আম জনতা ছিল।কোন রাজাকারের নাতির নেতৃত্ব মেনে নেয়া হয়নি।সরকার বিচার করছে,চলবে।কিন্তু এই মঞ্চ কোন স্থায়ী পিকনিক পার্টি না যে মন চাইবে আর ইস্যু নিয়ে ঘেউ ঘেউ করবে।এই মঞ্চ হয়েছিল একটা ইস্যু নিয়ে ।সে ইস্যু সমাধানে শেখ হাসিনার সরকার কতখানি আন্তরিক তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা।মঞ্চ নিয়ে এই রাজাকারের নাতি কি সরকারকে পাহারা দেয়?সরকার ও আদালতের প্রতি তার কি কোন আস্থা নেই?নাকি এই মঞ্চ এখন তার আয় রোজগারের একমাত্র প্রতিষ্ঠান?
অতএব সবার কাছে আকুল আবেদন গনজাগরনমঞ্চের টাকা চোর ইমরানকে রুখে দাড়াও।এর কারনে জাতি আজ বিভক্ত।এর কারনে রাজিব,ফয়সাল আর অভিজিৎ নিহত ।এর কারনে দেশে হত্যার এই মহোৎসব ।এর কারনে দেশে জবাই করার প্রথা আনুষ্ঠানিকতা পায়।এর কারনে পুলিশ আজ যাকে তাকে গুলি করছে ।
#ইমরান এইচ সরকারকে বাংলাদেশে অবাঞ্চিত করা হোক।রাজাকারের নাতি ইমরানকে প্রতিরোধ করার এটাই মোক্ষম সময়।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১২:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


