একুশে বই মেলায় অসংখ্য নতুন লেখকের বই প্রকাশ পেয়েছে।কেউ আবেগের বশে ,কেউ বা হুজুগের বশে একটি বই প্রকাশ করেই ফেলল।সস্তার মাঝেও এবার কিছু বই তরুন,যুবক ও বয়স্ক পাঠকদের কাছে সমানভাবে সমাদৃত হয়েছে।তার মধ্যে “Hilarious Himel” এর স্বর্গ নরকের সহবাস উপন্যাসটি অন্যতম।একটা উপন্যাস এত বেশি পাঠকের কাছে সমাদৃত হয়েছে,তাও নতুন লেখকের ভাবতেই অবাক লাগে।উপন্যাসটি থেকে কয়েকটি লাইন বিশৃংখলভাবে তুলে ধরলাম
১। বিয়ের সামাজিকীকরণের কারণে প্রেম বা সেক্স করা যতখানি সহজ তার সহস্র গুণ কঠিন বিয়ে করা । কারণ, টাকা আর স্ট্যাটাস ছাড়া বিয়ে করা যায়না কিন্তু এসব ছাড়া ও প্রেম করা যায় । পরকীয়ার মহোৎসবের পিছনেও সেই একই সমাজ দায়ী । বৈধভাবে যখন অপছন্দের ব্যক্তিকে ত্যাগ করা হিমালয়ের চূড়ায় ওঠার মতো কঠিন তখন পরকীয়ার মতো শর্টকাট পথে যৌনসুখ পেতে আপত্তি কি ?
২। তুচ্ছ জিনিসগুলো নিয়ে কথা বলাই ভালবাসা । গুরু গম্ভীর কথা দিয়ে হয়তো আভিজাত্য টিকে কিন্তু ভালবাসা টিকেনা । হয়তো সংসার বাঁচে কিন্ত জীবন বাঁচেন
##লেখকের ফেইসবুক :Hilarious Himel
৩। যে দুর্ভাগা মেয়েদের আমরা বেশ্যা বলে ঘৃণা করি, তাদের দিকে চেয়ে দেখুন । তারপর চেয়ে দেখুন সমাজের সর্বস্তরের মেয়েদের কিদে-- সেই একই প্রসাধন, সেই এক কায়দা, সেই সেন্ট, সেই নগ্ন হাত, কাঁধ আর খোলা বুক। সেই পিছন ফাঁপানো ফ্রক, হীরা জহরত আর দামি চকচকে গয়নাগাটির উপর সেই লোভ । সেই এক আমোদপ্রমদ,নাচ আর গানবাজনা । পুরুষ পটাবার পদ্ধতি দুই শ্রেণির মধ্যে সমান। চুলছেরা পার্থক্য করতে হলে শুধু বলা যায় , অল্প দিনের বেশ্যাদের আমরা ঘৃণা করি, দীর্ঘ দিনের বেশ্যাদের আমরা সম্মান দেখাই”। কেউ প্রসাধনি ব্যবহা্র করে পুরুষ ডাকছে পেটের দায়ে , কেউ ডাকছে কামের দায়ে। কর্ম তো একটাই
"স্বর্গ নরকের সহবাস"

সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ১:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


