বাবা
বাবা,
আর কেউ কোনোদিন
কখনো মনের ভুলেও
আমার ক্লান্ত মাথায়
তোমার মতো করে হাতটা রেখে বললো না-
লিখে যা পাগল লিখে যা।
কাগজের ভাজে ভাজে রেখে দে
জমাট বাধা রক্তের মতো কালো কালো অক্ষরে
পুঞ্জীভূত জীবনের সব দুঃখগুলো।
অন্তহীন আশার ঘূর্ণি বাতাসে উড়িয়ে দে
হতাশার ডালপালা।
বাবা,
আর কেউ কোনোদিন
কখনো মনের ভুলেও
তোমার মতো করে
আদরে ও শাসনে আমার সামনে এসে দাঁড়ালো না
আমার ভুল মত, ভুল পথ দেখেও কেউ আর বললো না-
ছেড়ে দে পাগল এ পথ ছেড়ে দে
অবুঝের মতো হাটিস নে আর মিথ্যে সবুজের পথে।
আঙুল দিয়ে দেখায় না আর-
ঐ দেখ সুন্দর আগামী, সোনালী ভবিষ্যৎ।
ঐ দেখ দিগন্ত নীল ছুঁয়ে
কতো পাখি উড়ে এসে নীড়ে ফিরে।
আজ-
রমনীর চুম্বন নেশাতুর আমার দু গাল
তোমার শক্ত হাতের কড়া চড়ে
গড়ে নিতে চায়
আমার ভেতরের অন্য আমাকে।
বাবা, তুমি নেই তবুও
ভুল পথে হেঁটে চলা
তোমার পাগল অবুঝ ছেলে
কাগজের জলে তুলে কবিতার ঢেউ।
পদ্যের ছন্দে কতো দহন রাখি জমা
তুমি ছাড়া আর বুঝবে না কেউ।

সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




