somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যুক্তরাষ্ট্রের ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ে আযানের অনুমতি

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিশ্ববিদ্যালয়টি সাধারণভাবে ধর্মনিরপেক্ষ হলেও এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল একটি ধর্মীয় স্কুল হিসেবে। এখনো একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে ডিউকের পরিচিতি নিয়ে ক্যাম্পাসের ভিতরে ও বাইরে জোর বিতর্ক চলে।
আমেরিকান মুসলমানদের ৬৫ শতাংশ প্রথম প্রজন্মের অভিবাসী। মুসলিম হিসেবে চিহ্নিত আমেরিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ ধর্মকে তাদের জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ মনে করে। মার্কিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে মুসলিম দেশগুলো থেকে বিপুল সংখ্যক আন্তর্জাতিক ছাত্র নেয়া হচ্ছে। গত ১৫ বছরে মার্কিন কলেজগুলোতে মুসলিম ছাত্রের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। এর ফলে খ্রিস্টিয় ঐতিহ্য থেকে উদ্ভূত ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ই শুধু নয়, সকল বিশ্ববিদ্যালয়ই আজ সে প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছে গোটা আমেরিকাকেই কিনা যা অবশ্যই মোকাবেলা করতে হবে। গত শতকের ’৬০-এর দশক থেকেই মুসলমানরা তাৎপর্যপূর্ণ সংখ্যায় আমেরিকায় অভিবাসী হচ্ছে। কিন্তু ৯/১১ উত্তর আমেরিকায় এ দেশের সমাজে কোথায় তারা উপযুক্ত? আর মুসলমানরা প্রত্যেকের জন্য যে ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা বলে তা কি মুসলিম-অমুসলিম আমেরিকানরা গ্রহণ করতে ইচ্ছুক?

ডিভাইনিটি স্কুলের ডিন রিচার্ড হেস ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ে আযানের সিদ্ধান্তের আলোকে গত শুক্রবার তিন পৃষ্ঠার এক চিঠি লিখেছেন। তিনি বলেন, চ্যাপেল টাওয়ার থেকে আযান দেয়ার অনুমতির ব্যাপারে প্রজ্ঞা ও কর্তৃত্ব সম্পর্কে গুরুতর প্রশ্ন ওঠে যেহেতু চ্যাপেল হচ্ছে খ্রিস্ট ধর্ম ও মিশনের পরিচয়বাহী। তিনি বলেন, খ্রিস্ট ও ইসলাম ধর্মের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ তাত্ত্বিক উত্তেজনা বিদ্যমান। চ্যাপেল টাওয়ার থেকে আযান দেয়া হলে বিশ্বব্যাপী তার প্রতিক্রিয়া হবে।
কিন্তু আযান দেয়ার পরিকল্পনাকারী মহিলা ডিন ক্রিস্টি লর স্যাপসহ ডিউকের কর্মকর্তারা তার সাথে একমত নন। তিনি চ্যাপেল কম্যুনিটির পক্ষ থেকে বলেন, খ্রিস্টানদের এখানে প্রতিদিন (যদি তাদের বিয়ের কথা ধরা যায়) প্রার্থনা করার জায়গা আছে। কিন্তু এটি একটি বিশ্ববিদ্যালয়, তাই ধর্মনিরপেক্ষ হতে হবে।
চ্যাপেলের বেল টাওয়ার থেকে আযান দিতে না দেয়ার সিদ্ধান্তে মুসলিমরা সবাই হতাশ হওয়া সত্ত্বেও শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) চ্যাপেলের সিঁড়ি থেকে দেয়া আযান শোনার জন্য প্রায় ৪শ’ লোক জড়ো হয়। লর স্যাপ বলেন, শুক্রবারের এ সমাবেশ ছিল হৃদয়স্পর্শী ও সুন্দর।
এ ৪শ’ লোকের সবাই মুসলিম ছিল না। তাদের মধ্যে কতিপয় অমুসলিম ছাত্রসহ ডিভাইনিটি স্কুলের ছাত্ররাও ছিল যারা আযানের পক্ষে সমর্থন জানাতে এসেছিল। উমার আহমেদ বলেন, ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্ভাব্য অনিরাপদ পরিবেশে ডিভাইনিটি স্কুলের ছাত্রদের সমর্থন আসলেই অভিভূত করার মত।
৮টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শহীদ জিয়া ২৭ মার্চের ভাষণে 'জয় বাংলা' বলেছিলেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১১





সূত্রঃ আমার রাজনীতির রূপরেখা
লেখকঃ জিয়াউর রহমান
পৃষ্ঠাঃ ১৭৭

...বাকিটুকু পড়ুন

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবে নারীসহ দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: প্রতিমন্ত্রী, নাকি পাপেট?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০


গত বুধবার সৌদি আরবের শরিয়া আদালত দুই বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করেছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যে বিবৃতিটি দিয়েছেন, সেটা পড়ে আমি কয়েকটা জিনিস বুঝতে পারলাম।

প্রথমত,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×