
কেউ ধর্ষিত হলে সকলেই সমস্বরে ধর্ষকের নিন্দায় কন্ঠ উচ্চকিত করে । ধর্ষিতা যেহেতু ভিকটিম, সকলেই তার পক্ষেই কথা বলার কথা । আমিও ধর্ষিতার প্রতি সহানুভূতি জানাই এবং ধর্ষকের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি কামনা করি । কিন্তু সকল ধর্ষনের জন্য সবসময় ধর্ষকই যে সম্পূর্ণভাবে দায়ি- সেটা কিন্তু সঠিক নয় । অনেক ক্ষেত্রেই ধর্ষিতাও তার ধর্ষিত হওয়ার জন্য দায়ি । না, আমি পোষাককে দায়ি করছি না ।
অনেক তরুনী ছেলেদের দূর্বলতাকে পুজি করে ইচ্ছাপুর্বকভাবে প্রেমের অভিনয় করে, পরে তাদেরকে বোকা বানিয়ে হাসি-ঠাট্টা করে। ছেলেরা প্রেমের প্রস্তাব দিলে এমন ভান করে যে তারা রাজি, আবার অনেককে সরাসরি রাজি বলে মিথ্য অভিনয় করে । যখন প্রেম চুড়ান্ত পর্যায় চলে যায় তখন সটকে পড়ে । এতে ছেলেটি যখন কান্না করে মেয়েটি তা দেখে আনন্দ পায় । এরুপ ক্ষেত্রেও কোন কোন যুবক ক্রোধে ও ক্ষোভে এবং প্রতারনার প্রতিশোধের আকাঙ্খায় ধর্ষনের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে । কেউ কেউ বলবেন তাই বলে কি ধর্ষনকে মেনে নেয়া যায়? আমি স্বিকার করছি তা অন্যয়,তবে আপনি আমাকে একটি চড় দিলে পাল্টা আমিও আপনাকে দু’টি চড় দিতে পারি । আমি দু’টি চড় দিলেও মারামারিটা শুরু করার জন্য আপনার দায়টিই বেশি, নয় কি?
আমি বলছি না সকল ধর্ষনের ক্ষেত্রেই এরুপ গ্রহণযোগ্য কারন থাকে । তবে বেশিরভাগ ধর্ষনের পিছনে কিছু গল্প বা কাহিনী থাকে যা আমাদের অগোচরেই থেকে যায় । সংবাদপত্রে আসে প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ধর্ষণ । কোন কোনটি সরলভাবে সামান্য প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় হয়ে থাকে ঠিকই, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিষয়টি এত সাধারন প্রত্যাখ্যান নয়, বিষয়টির পিছনে আরো কাহিনী থাকে ।
সুতরাং ধর্ষন এড়ানোর জন্য মেয়েদেরকেও এসব বিষয়ে সচেতন হয়ে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে । আমরা সবাই সুন্দরভাবে বাচতে চাই । এ ব্যপারে সবাইকেই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে ।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জুন, ২০১৬ রাত ১১:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



