
প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন সুত্রাপুর থানার সাবেক সভাপতি এবং বর্তমান মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আবু হানিফ সেতু নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
পাশাপাশি ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুল হাসান জুয়েল কাউন্সিলর প্রার্থী হচ্ছেন সেগুনবাগিচা, ঢাবির কার্জন হল, বুয়েট, ঢাকা মেডিকেল, তোপখানা রোড ও সচিবালয় এলাকা নিয়ে গঠিত দক্ষিণ সিটির ২০ নম্বর ওয়ার্ড থেকে। প্রার্থীরা এরই মধ্যে প্রচার শুরু করেছেন। আওয়ামী লীগ সমর্থন দিলে রায় নিজেদের পক্ষে আসবে বলে মনে করেন এই পাঁচ ছাত্রনেতা।
তাদের একজন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসম্পাদক মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান আসাদ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সন্তান হিসেবেই নির্বাচনী ওয়ার্ডে পরিচিতি তার। বাবা ফরিদ মিয়ার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরিসূত্রে তার বেড়া ওঠা ক্যাম্পাস এলাকাতেই। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার অধিকাংশ ভোট তার পক্ষে পড়বে বলে আশাবাদী আসাদ। আওয়ামী লীগের সমর্থনের ব্যাপারেও আশাবাদ ব্যক্ত করে আসাদ বলেন, এলাকাবাসীর অনুরোধেই তিনি ভোটে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
ডিসিসি দক্ষিণ ৪০নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ঢাকা মহানগর দক্ষিন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও সুত্রাপুর থানার সাবেক সভাপতি আবু হানিফ সেতু বলেন, কাউন্সিলর পদে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার বাপারে দারুন আশাবাদী তিনি। তার বেড়ে ওঠা এই এলাকেতেই। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ছাত্র রাজনীতিতে জডিত থেকে পুরন ঢাকার ৪০ নং ওয়ার্ড সহ আশেপাশের এলাকা গুলোতে কাজ করছেন। এলাকাতে তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও জনসমর্থন করেছে। তাই দলের সমর্থন পেয়ে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার ব্যাপারে তিনি আশাবাদী।
২০ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী খায়রুল হাসান জুয়েল মনে করেন, দেড় দশক ধরে চেনা তার নির্বাচনী এলাকার মানুষগুলো তার পক্ষেই রায় দেবেন। দল থেকেও তরুণ নেতা ও সংগঠক হিসেবে তাকেই সমর্থন দেওয়া হবে।
এই দুই ছাত্রনেতার মতোই নিজ নিজ নির্বাচনী ওয়ার্ডে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন মিরাজ ও আনিস। মিরপুর বাঙলা কলেজের সাবেক জিএস মিরাজ বলেন, তার গ্রামের বাড়ি বরিশাল বিভাগে হওয়ায় প্রায় ৩০ ভাগ নিজস্ব ভোট আছে তার। সুত্রঃ http://www.bdherald.com/archives/81413

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


