somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পতিতা পেশা কেনো বেছে নেয় ??? :| ২য় !

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ১:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
এর আগের পোষ্টঃ পতিতা পেশা কেনো বেছে নেয় ? :O



পতিতা নিয়ে আগে একটা পোষ্ট দিয়েছিলাম, আজ আবারও লিখতে বসলাম।আমার স্লোগান ছিলো পতিতাকে ঘ্রিণা না করি। কারণ কেউ সখের বসে পতিতা হয় না পেটের দ্বায়েই এরা আজ পতিতা।অথবা কোন পরিস্থিতির শীকার।

গত বছর ঢাকাতে উত্তরা ছিলাম। সম্পর্কে মাম হয়। বড় লোক বাবার একমাত্র সন্তান।ছোট থেকে শুধু মাত্র টাকা উড়াতেই শিখেছে। ছোট থেকে ঢাকাতে মানুষ , গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করে এখন গ্রামের বাসাতেই বাবার ব্যবসা দেখা শুনা করে। মাঝে মাঝে বলতে প্রতি মাসেই ঢাকাতে আমার বাসায় উঠত রিলেক্স করার জন্য। আর বলত মামা রিলেক্সের জন্য এসেছি ঢাকাতে। ও যখনি ঢাকাতে আসে তখনি হাতে ৫০,০০০-১,০০,০০০ টাকা হাতে করে আসতো। ৫-১০ দিনে টাকা শেষ করে বাসায় ব্যাক যেত।

ভাবছেন এতো টাকা কি করে? আরে সেটার কাহিনিই তো আজ বলব :P

১৩ এপ্রিল ২০১৩- আমার ডাইরির পাতা থেকে নেওয়া কিছু অংশ আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। প্রাইভেসির জন্য ওর নাম আপাতত পেপ বলেই জানুন :D

১৩ এপ্রিল ২০১৩ – রাত ১০ টা ৪৭ মিনিট।

আজ আমার লাইফে অন্য রকম একটা এক্সপেরিয়েন্স হলো। পেপ এসেছে আজ সকাল ভোর ৫ টার দিকে। হারামির বাচ্চাটা এসেই আজ সকালে দারওয়ানের সাথে বাঁধাইছে। কিছুই বলার নাই পেপ হয় মামা, আবার দারোয়ান ব্যাচারা গরিব মানুষ।দারোয়ান গেট খুলতে দেরি করেছে বলে গালাগালি করেছে। পেটের দায়ে কাজ করে ব্যাচারা। তাই বলে মা-বাপ তুলে গালি দেওয়াটা ঠিক হয়নি। শালার দারোয়ানের বাচ্চাও কম খারাপ না । শালা সারাদিন ঘুমাই, একটু হুকুম দিলে ভ্রু কুঁচকায়।

যাই হোক আজ জানি না পাপ করলাম কিনা।আজ দুপুরে খাওয়া-দাওয়ার পর হঠাত পেপ মামা বললো , মামা চ যাই ।
- কই যামু মামা ?
পেপ- মহাখালি যামু। চ কাঁচা মাংসের টেষ্ট নিয়া আসি ।
- ধুর মামা আমি এসবের ভিতর নাই ।
পেপ- আরে মামু চল যাই মজা তো পরে বুঝবি । জিবনে আছে কি ? কবে না কবে বিয়ে করবি !!!—

- আরে না মামু তুই যা বাল । পারলে আমি আমার বউয়ের সাথেই ফাষ্ট লাভ মাকিং করবো । আমরা অত শখ নাই। আর কুত্তার বাচ্চা তুই যে নিজের বউ ফালাই ঢাকা আইসা যে এইসব করতাছিস ঠিক এইডা মামা ?

পেপ- আরে তোর মামির পেটে তো এখন একজন । সো এখন আমার জ্বালা তো মিটাইতে হবে ! চ মামু প্লিজ । তুই একবার চ ।


- ওকে যামু ঠিক আছে বাট । আমি কিছু করবো না । বাইরে ওয়েট করুম জাষ্ট আর ওখান কার পরিবেশা একটু দেখবো । এমনিতেও আমার এই বিষয়টা নিয়ে একটু কিউরিসিটি আছে।
পেপ- ওকে রেডি হ তাহলে।

রেডি হয়ে গেলাম বাইরে । বাসে উঠে মহাখালির উদ্দেশ্যে ..................
বাসে যেতে যেতে ভাবছি , মানুষ কত রকমের। কেউ টাকা খরচের যায়গা পাই না। আবার কেউ টাকার অভাবে খাবার পাই না। কেউ ২ টাকার জন্য অন্যের কাছে হাত পাতে , কেউ র্ফুরতির জন্য টাকা হাতে ধরিয়ে দেয়।

এনিওয়েঃ মহাখালি পোঁছানোর পর পেপ একজন কে ফোন করলো । দেখা করার জন্য । তারপর অখান থেকে মহাখালি রেল-লাইনের উপর গেলাম।ওখানে আমি পেপ আর আমাদের এক ফ্রেড সিগেরেট ধরালাম। কিছুক্ষন পর দেখলাম একজন ভদ্র লোক র্কোট পরোনে পেপের সাথে হ্যান্ডশেক করলো /। পরে আমাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলো । লোক টা দেখতে হ্যান্ডসাম । বয়স ৩০ হবে মনে হলো। বললো আসেন আমার সাথে। পিছু পিছু হাটলাম আমি আর আমার আর একটা ফ্রেন্ড। মামা ঐ লোকের সাথে সাথে আমাদের আগে যাচ্ছিলো।

পরে কিছুক্ষন হাটার পর ৬ তলা একটা হটেলে ডুকলাম। সোজা ৪ তলাতে গেলাম। ঢুক্তেই দেখি অনেক লোকজন ওখানে। অনেকটা কলাহোল। একপাশে দেখি একটা থাই গ্লাস দিয়ে ঘেরা একটা বড় রুম। ভিতরে ২০-২৫ টা সুন্দরি মেয়ে বসে আছে।

সাথে থাকা লোক বললো পেপ কে মামা কনডা লাগবো কন। চুজ করেন মামা। ডাইন পাশের ফুলা সব র্ভাসিটির মাইয়া। আমার ফ্রেন্ড একটা মেয়ে কে নিয়ে একটা রুমে চলে গেলো । আর মামা একটা মেয়ের স্থে কথা বলছে পাশে। আমি ওর ভিতর আজ নিজেকে কিছুটা বেমানান বেমানান লাগছিলো। আমি ফেসবুকে মালিহার সাথে চ্যাট নিয়ে ব্যস্ত হয়ে গেলাম। কিন্তু ওখান কার ভিতরে মেয়েদের ড্রেস আপ এমনই ছিলো যে আমি চ্যাটেও মনোযোগি হতে পারছিলাম না। মামা শেষ মেষ একটা মেয়ে কে পছন্দ করলো ওকে নিয়ে ৩ তলাতে একটা রুমে ডুকলো । আমি আর কি করবো ?
মামা যাওয়ার সময় পাশে থাকা লোক টাকে বলে গেলো – ঐডা আমার ভাগিনা ওরে দেইখা রাহেন, ওর কোন প্রবলেম যেন না হয় । আপনারে টিপস বাড়াই দিমু পরে। ওনি উত্তর দিলো ওকে আপনি চিন্তা কইরেন না। আমি ৩ তলা আর ৪ তলা এর মাঝখানে সিড়িতে মাঝামাঝিতে দাঁড়িয়ে আছি আর ফেসবুক চালাছি।

কেউ একজন (মেয়ে) আমার ডান হাত চেপে ধরে বলছে – কি ভাই এই মালডা কী নতুন আঞ্ছেন ?
ঐ লোক= হ বাট মামা কিছু করবো না
আমি তখন সাথে সাথে হাত ঝেড়ে বললাম – ছাড় আমাকে।
মেয়েঃ চলেন একটু ভালো করে আপনারে স্পেশাল আদর করে দিবো।
ঐ লোক তখন বললো মামা যান , আইলেন খালি খালি ঘুইরা যাইবেন ?

আমিঃ না মামা আমার দরকার নাই। আমি আমার বোউরেই করুম একবারে।
মেয়েঃ বউরে তো করবেনই । আমাগো দিকও দেহেন একটু। আমরা কি পাপ করছি ? আমার তো ওহনি আপনার ঠোঁটে কামড় দিতে ইচ্ছা হয় ।

ঐ লোকঃ মামা যান না । দেহেন ফাষ্ট টাইমে ভালো লাগবো ।
আমিঃ মামা প্লিজ আমি এইগুলো করবো না। বাট আমার কিছু জিনিস আপনার কাছথেকে যানার আছে ।
ওহহহ হো ঐ লোকের নাম তো আজাদ। তো আজাদ কে বললাম এখান কার মেয়ে যে দেখলাম র্ভাসিটির মেয়েও আছে কিছু। এরা কোন র্ভাসিটির ?

আজাদঃ মামা বিভিন্ন র্ভাসিটির মেয়ে আসে। আমার হাতে প্রায় ১৭ খানা র্ভাছিটির মাইয়া আছে। ওরা শুক্রবার এইখানে আসে। মেক্সিমাম প্রাইভেট র্ভাসিটির মাইয়ারা আহে।
আমিঃ নাম যানেন কি কি ?
আজাদঃ না মামা এতো কিছু কি বলা যায় ?
আমিঃ কেন আসে এরা এখানে?
আজাদঃ কেউ নিজের জ্বালা মিটানের লাইগা আহে, কেঊ নিজের কসমেটিক মানে ফ্যাসান ঠিক ঠাক রাখতে হইলে তো টাকা লাগে হেইডার লাইগাও আহে । বাট র্ভাসিটির মেয়েরা এক্সট্রা কিছু কামানোর লাইগাই আহে।মামা আপনি শুক্রবার আহেন , চরম চরম মাল পাইবেন। এখন তো সব প্রায় লোকাল মাল।

আমিঃ আচ্ছা মামা, এই মেয়ে গুলা কি মেসে থাকে ?
আজাদঃ বেশি ভাগ মেয়েই মেসে থাকে। কিছু এই হোটেলেও থাকে,
আমিঃ মামা এরা এইগুলা কেন করে আরো কাজ তো আছে এই গুলো না করলেই না ? আর আপনারাই বা কেনো এদেরকে এতো সাহায্য করেন?
আজাদঃ মামা টাকা ছাড়া দুনিয়া কি চলে? আমি ---------- সরকারি কলেজ থেকে ২০০৪ সালে গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করেছি। চাকরির জন্য তন্ন তন্ন করে ঘুরেছি বাট ভালো চাকরি পেলামি না। যাও বা পেয়েছিলাম মোটা মুটি একটা তাও হারিয়েছি। শেষে লেগে গেলাম এই কাজে। এখন প্রতিদিন নাহলেও ৩০০০ টাকা কামাই আপনাগো মত লোকে ক্ষেদ মত করে। আর পেটের দায়ে এরাও এই কাজ করে। কিছু মেয়ে আছে যাদের জন্ম থেকেই মনে হয়



সরি !! মানুসিক অবস্থাটা হঠাৎ করে খারাপ হয়ে গেলো । র্গাল ফ্রেন্ড থাকলেই এক প্রবলেম ! এনিওয়ে বাকিটা পরে সেয়ার করবো । চলবে....................................। টাইপ করতে ঝামেলা লাগছে। ক্ষমা চাচ্ছি সকলের কাছে। ধন্যবাদ !!
৭টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাবলিগে গিয়ে যা শিখলাম না

লিখেছেন মুনতাসির, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৯

আমি যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি, তখন আমার কয়েকজন বন্ধু তাবলিগ করত। তাবলিগের প্রতি আমার কখনোই আগ্রহ ছিল না। তবে ওরা নিজেরা রান্না করত, আর আমি রান্না করতে পছন্দ করি। তাই একদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবে নারীসহ দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: প্রতিমন্ত্রী, নাকি পাপেট?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০


গত বুধবার সৌদি আরবের শরিয়া আদালত একজন নারীসহ দুই বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করেছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যে বিবৃতিটি দিয়েছেন, সেটা পড়ে বোঝা গেল যে, পররাষ্ট্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

×