বাঙলাদেশে ধর্মীয় মৌলবাদ সক্রিয়। ধর্মীয় মৌলবাদের তাৎপর্যপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ধর্মের সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যবহার। ধর্মীয় মৌলবাদ এক অর্থে প্রতিক্রিয়াশীলধর্মীয় মতবাদ। ধর্মীয় সামপ্রদায়িকতা তার সাধারণ ভিত্তি। আর্থ-সামাজিক রাজনৈতিক স্বার্থের কারণে অন্যের ধর্মের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার করে নিজের ধর্মের লোকদের মধ্যে বিদ্বেষ সৃষ্টি করাই সামপ্রদায়িকতা।
বাঙলাদেশের সমাজ পুঁজিবাদী। যেখানে পুঁজিবাদী শোষণ থাকে মজুরী দাসত্ব থাকে সেখানে ধর্মীয়মৌলবাদ কমবেশী ক্রিয়াশীল থাকে। ধর্মীয় মৌলবাদ সাম্রাজ্যবাদের ষড়যন্ত্রের সৃষ্টি নয়। দারিদ্র, অনাহার, চিকিৎসা বঞ্চনা, অশিক্ষা ও কুসংস্কার থেকে ধর্মীয়মৌলবাদের সৃষ্টি হয়। দেশে অগ্রসর কমিউনিস্ট আন্দোলনের অনুপস্থিতিতে ধর্মীয় মৌলবাদ বৃদ্ধি পায়।
বাঙলাদেশে ধর্মীয় মৌলবাদ উচেছদের পথ ভূমি ও শিল্পে ব্যক্তিমালিকানার উচ্ছেদ এবং ব্যাংক, বীমা, ব্যবসা বাণিজ্য জাতীয়করণ বিশেষতঃ খাদ্য ব্যবসা জাতীয়করণ। দেশে কৃষিতে ব্যাপক যৌথ উৎপাদন প্রবর্তন। দেশের সকল নর নারীর চাকুরীর নিশ্চয়তা প্রদান এবং অফিসের বেতন সমান সমান করা।
View this link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


