somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কার্ডক্যাপ্টর সাকুরা

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



জনরাঃ অ্যাডভেঞ্চার, কমেডি, ড্রামা, ম্যাজিক, রোম্যান্স, স্কুল, শৌজো
এপিসোড সংখ্যাঃ ৭০
ম্যাল স্কোরঃ ৮.১৯

বর্তমান অ্যানিম লাভারদের একটা ভালো অংশের অ্যানিমের সাথে পরিচয় ঘটেছে টুনামির মাধ্যমে। ২০০৩ সালের দিকে পোকেমন এবং কার্ডক্যাপ্টর সাকুরা দিয়ে আমার অ্যানিম জগতে প্রবেশ ঘটে, যদিও তখন অ্যানিম কি এটাই জানতাম না। পোকেমনের অন্ধভক্ত ছিলাম তাই পরে গিয়ে আর কার্ডক্যাপ্টর সাকুরা দেখা হয়নি। পরে কলেজ শেষ করার পর ফ্রেন্ডের কাছ থেকে নিয়ে দেখেছিলাম এবং আফসোস করেছিলাম, আরও আগে কেন দেখলাম না।

এই অ্যানিমটির জাপানিজ ভার্সন এবং ইংরেজী ভার্সনে কিছুটা পার্থক্য আছে, জাপানিজ ভার্সনটা দেখা হয়নি তাই ইংরেজী ভার্সনটা নিয়েই লিখছি।

সাকুরা অ্যাভলন, রিডিংটন নামক শহরের এক চঞ্চল স্কুলপড়ুয়া বালিকা। হাসিখুশি, খেলাধুলায় পারদর্শী, প্রাণবন্ত সাকুরার একটাই সমস্যা, সে কখনোই ঘুম থেকে জলদি উঠতে পারেনা। তার ভাইয়ের সাথে এ নিয়ে প্রায়ই তার মধুর ঝগড়া হয়।

মা হারা সাকুরার দিনকাল বাবা, ভাই, বন্ধু ম্যাডিসন ও ভাইয়ের বন্ধু জুলিয়ানের সাথে ভালই চলছিল, এমন সময় একটা ঘটনা সাকুরার জীবন পাল্টে দেয়। একদিন সাকুরা বাসায় ফিরে দেখতে পায় তার বাবা ভাই এখনো ফেরেনি। তখন সে বাবার লাইব্রেরী থেকে আওয়াজ শুনতে পায়। আওয়াজের উৎস খুঁজতে গিয়ে সেখানে সে একটা বই খুঁজে পায়, যেটা তার বাবা আগেরদিন কর্মস্থল থেকে নিয়ে এসেছিল কেউ বইটা খুলতে পারেনি বলে। সাকুরা বইটা হাতে নিতেই সেটা খুলে যায় এবং সে ভেতরে অনেকগুলো কার্ড দেখতে পায়।

সে "Windy" লেখা কার্ডটা হাতে নিয়ে সেটার নাম বলতেই হঠাৎ ঝোড়ো বাতাস এসে বাকি সবগুলো কার্ড উড়িয়ে নিয়ে যায়, থেকে যায় শুধু উইনডি।

এরপরই সাকুরার জীবন পাল্টে যায়। কার্ডগুলোর গার্ডিয়ান বিস্ট কিরোবেরোস সাকুরাকে জানায় প্রতিটা কার্ডের আলাদা আলাদা পাওয়ার আছে এবং তাদেরকে খুঁজে ফেরত না আনলে তারা পুরো শহর ধ্বংস করে দিতে পারে। কিরো সাকুরাকে দায়িত্ব দেয় প্রত্যেকটা কার্ড খুঁজে বের করে সেগুলোকে নিজের বশে নেয়ার। এরপর সাকুরা তার বন্ধুদের সাথে নেমে পড়ে কার্ড ক্যাপচার করার অভিযানে।

আমার খুব পছন্দের অ্যানিমের তালিকায় এই অ্যানিমটার জায়গা বেশ উপরের দিকে, ৭০ পর্ব একটানে দেখে শেষ করেছিলাম এবং এখনো সুযোগ পেলে মাঝেমধ্যেই রিভিশন দেই।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মে, ২০১৫ দুপুর ১২:২৮
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অভিনন্দন নাবিহা সাকলায়েন: ৩০ বছর পরের এআই পটেনশিয়াল

লিখেছেন কলাবাগান১, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:৩৮


কনসেপ্ট টা খুবই সোজা...পৃথিবীর তাবত মানুষ ই জানে যে আপনার বিশ বছর বয়সে শরীরে যে কোষ গুলি আছে তা আপনার ৬০ বছর বয়সের কোষ আর সেইম না ..লম্বা সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাদের স্বপ্নের দেশ আমেরিকা: তাদের জন্যে আজকের পোস্ট

লিখেছেন অপলক , ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১৮



এমন এক সময় ছিল, ছেলে বা মেয়ে ডিভি লটারীতে স্বপ্নের দেশে গেছে, বাপ মায়ের পাড়া প্রতিবেশী গর্বে কথা বলাই মুশকিল। সেখানে গিয়ে OC(Office Cleaner) নাকি DC(Dish Cleaner) হবে তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

লিখেছেন প্রামানিক, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

শহীদ জিয়া ২৭ মার্চের ভাষণে 'জয় বাংলা' বলেছিলেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১১





সূত্রঃ আমার রাজনীতির রূপরেখা
লেখকঃ জিয়াউর রহমান
পৃষ্ঠাঃ ১৭৭

...বাকিটুকু পড়ুন

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

×