এ যুগের সত্যিকারের মুগলি
ক্ষুদে ওই মেয়েটির নাম টিপ্পি দেগ্রে। সেই খুদে টিপ্পির বয়স এখন ২৩ বছর। জন্মের পর থেকেই সে বড় হয়েছে আফ্রিকার কালাহারি এলাকার মরু অঞ্চলের সুবিশাল অরণ্যাঞ্চলে। তাকে নিয়ে এরইমধ্যে নির্মাণ হয়েছে সিনেমা। তাকে নিয়ে লেখা হয়েছে একাধিক বইও। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে জঙ্গলে তার বন্ধুদের নিয়ে তোলা অসংখ্য ছবি।
বলা হচ্ছে, টিপ্পিই হচ্ছেন এ যুগের আসল 'মুগলি'। প্রখ্যাত লেখক রুডিয়ার্ড কিপলিংয়ের ভ্রমনকাহিনীর 'মুগলি' যেমন বড় হয়েছিল বিশালাকার ভল্লুকের কাছে। এ যুগের মুগলিও বড় হয়েছে একেবারে প্রকৃতির সান্নিধ্যে, বুনো জীব-জন্তুর কাছে। এ এক অবিশ্বাস্য কাহিনী।
ফটোগ্রাফার সিলভি রবার্ট ও অ্যালেইন দেগ্রে ছিলেন ফ্রিল্যান্স
ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার। আশির দশকের শেষের দিকে গিয়েছিলেন আফ্রিকার কালাহারি মরুভূমিতে ছবি তুলতে যান ফরাসি এই দম্পতি। সেই আফ্রিকার নামিবিয়ার রাজধানী উইন্ডহকে জন্ম নেয় তাদের প্রথম কন্যা সন্তান। আলফ্রেড হিচককের দ্য বার্ডস'ছবির অভিনয়শিল্পী টিপ্পি হেড্রেনের নামানুসারে কন্যার নাম রাখেন টিপ্পি দেগ্রে।
নবজাতক মেয়েটির পরিচর্যার পাশাপাশি চলতে থাকে পশুপাখি ক্যামেরায় ধরে রাখার কাজ। সেই কাজের জন্য সিলভি ও অ্যালেইনকে চষে বেড়াতে হলো আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চল। মেয়ে টিপ্পি বেড়ে উঠতে লাগল
একদমপ্রকৃতির কোলেই। মনুষ্য বন্ধু নেই তো কি হয়েছে, তার বন্ধু জুটে গেল বনের কিছু পশুপাখি। খেলার জায়গা হলো বিশাল ঘাসবন, মরুভূমি কিংবা ঠাস বুনোটের ঝোপঝাড়। মাথার ওপর ছাদ হলো উদার জমিনের সুনীল আকাশ।
টিপ্পি বেড়ে উঠতে উঠতে বনের জন্তুরাই হয়ে উঠলো তার সেরা বন্ধু। কিন্তু বাবা মায়ের সাথে টিপ্পি একদিন ফিরে আসে ফ্রান্সে।
আফ্রিকার বন্ধুদের সাথে প্রকাশিতব্য ছবি সম্বলিত বই ‘টিপ্পি: মাই বুক অব আফ্রিকা’ হইচই ফেলে দেয় সারা পৃথিবীতে। তারকা হয়ে যায় টিপ্পি। ১৯৯৯ সালে বাবা মায়ের বিচ্ছেদ ঘটলে আফ্রিকার সাথেও বিচ্ছেদ ঘটে টিপ্পির।
কিন্তু টিপ্পি যে প্যারিসের নয়, সেটা বোঝা গিয়েছিল তার আচরণেই।
স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে গিয়েও টিপ্পির মনটা যেন পড়ে ছিল আফ্রিকায়, কালাহারিতে। পরবর্তীতে চলচ্চিত্র নির্মাণের উপর উচ্চশিক্ষা শেষ করে পুঁথিগত বিদ্যা কাজে লাগাতে বেছে নেন সেই আফ্রিকাকেই। ডিসকভারির হয়ে কাজ শুরু করেন এই ক্ষুদে 'মুগলি'।
৪ জুন পাদেয়া আফ্রিকার যান সেই ছোট্ট 'মুগলি'। তার চার পেয়ে বন্ধুদের সাথে কাটানো চমৎকার শৈশবের জের ধরেই বুনোজগৎকে বিশ্বের সামনে তুলে আনছেন স্বমহিমায়। কালাহারির জীবন্ত ছবিগুলো আজও জানান দেয়, প্রকৃতিই মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু; অন্য কিছু নয়।
Click This Link
মাওকে নিয়ে চীনের আবেগ, শেখ মুজিবকে নিয়ে আমাদের বিদ্বেষ

ফরাসি ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপ্পেকে সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তাঁকে নিয়ে কোন মিমটি দেখে সবচেয়ে বেশি হাসি পেয়েছিল। ফরাসি অনুষ্ঠান The Bridge এর ব্যাকস্টেজ ভিডিওতে তিনি বলেন, একটি... ...বাকিটুকু পড়ুন
কাঁটাচামচ বিতর্ক....
কাঁটাচামচ বিতর্ক....
বাঙালির একদল তথাকথিত ভদ্রলোকের এখন মহাসংকট! তারেক সাহেব কাঁটাচামচ কোন হাতে ধরেছেন, ছুরি কোন হাতে রেখেছেন- তা নিয়েই জাতীয় চরিত্রের ময়নাতদন্ত চলছে! যারা সমালোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছে- তাদের কয়েকজন দুস্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন
ছোটগল্প - চক্ষুহীন লোকটি

মি পারসনস যখন হোটেল থেকে বের হলেন, ভিক্ষুকটি তখন রাস্তায় এসে দাঁড়িয়েছে।
সে ছিল একজন অন্ধ ভিক্ষুক। অন্ধদের চিরাচরিত সাদা ছড়ি ছিল তার হাতে। সেটা দিয়ে সামনের পথটা... ...বাকিটুকু পড়ুন
=মন কথনিকা-৬৩৮৯-৯০=
মন কথনিকা-৬৩৮৯
সকাল সকাল উঠে দেখি, চোখের মাঝে ঘুমের পাহাড়
চোখ মেললেই ঘুমরা ছড়ায়, চোখের মাঝে ক্লান্তির বাহার
রাত বারোটায় ঘুমোতে যাই, ফযর বেলা উঠে পড়ি
পাঁচ ঘন্টা ঘুম মাত্র ঘুমাই, না ঘুমিয়ে ক্লান্তি... ...বাকিটুকু পড়ুন
রাষ্ট্র ব্যর্থদের দায়িত্ব নেয় নাকি ব্যর্থতার সংজ্ঞাই রাষ্ট্র কর্তৃক নির্ধারিত হয়???
আমাকে যারা চেনেন অথবা আমার অন্যান্য লেখা যাদের পড়া আছে তারা জানেন আমি একজন নিহিলিস্ট। একজন নিহিলিস্ট ‘রাষ্ট্রধারণা’য় বিশ্বাসী নয়। রাষ্ট্র সম্পর্কে সে উদাসীন। আমি নিজেও রাষ্ট্র সম্পর্কে উদাসীন। কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।