somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কে বলে জানোয়ারেরা হারিয়ে যাচ্ছে?

২৩ শে মে, ২০১১ রাত ৮:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বেশ কিছুদিন যাবত ন্যাচারাল ডকুমেন্টারি মুভি দেখছি।

একটা হাইস্পিড সার্ভারের সাথে সংশ্লিষ্টতার সুবাদে, নেট জগৎ থেকে অসাধারণ সব ডকুমেন্টারি ডাউনলোড করে গিলছি। হাই ডেফিনিশন ছবির ঝকঝকে জগতে প্রকৃতির অসাধারণ, অনন্যসাধারণ দৃশ্যাবলী দেখতে গিয়ে বার বার আপ্লুত হয়েছি। আল্লাহর এ সৃষ্টিজগত যে কত বৈচিত্রময় তার খুব কমই জানা ছিলো বলে মনে হয়েছে। সমূদ্রের অতল গহীন অন্ধকার আর তার বৈচিত্রময় প্রাণের প্রকাশ থেকে শুরু করে শুভ্রসমুজ্জ্বল তুষারে মোড়া পর্বতচুড়ার প্রতিফলিত আলোকরশ্মি মনের মাঝে একটি গভীর ভাব জাগিয়ে তোলে।

তবে, সকল ডকুমেন্টারিগুলোই একটা হাহাকারকে উপজীব্য করে তোলে। পৃথিবীর এই সূবর্ণ রূপ আজ ক্ষয়িষ্ণু। হারিয়ে যাচ্ছে গাছ মাছ আর পশুপাখীরা। মানুষের অন্তহীন লোভের থাবায় বিপন্ন আজ সকলেই...

তবে কাল রাতে একটি খবর পেয়ে মনে হলো, আমাদের আশার জায়গাটি পুরোপুরি অন্ধকার হয়ে যায়নি।

বনের পশু পাখি আর জানোয়ারেরা হয়তো হারিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু নীরবে নিভৃতে মনুষ্য সমাজের মাঝেই অমানুষ জানোয়ারদের মেটামরফসিস ঘটছে। চতুষ্পদেরা হয়তো কালে কালে ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নেবে, কিংবা ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামে, কিন্তু দ্বিপদ জানোয়ারেরা আরো বহু বহুকাল যাবৎ প্রবল প্রতাপে শাসন করে যাবে বিশ্ব।

চিংড়ি মাছ নাকি পঁচন ধরে মাথা থেকে। শোনা কথা, বাস্তব অভিজ্ঞতা ততটা নেই। কিন্তু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের হলে একপাল মেয়ে যখন খুঁজে খুঁজে বেড়ায়- ক্লাসমেট, রুমমেট কিংবা হলমেটদের মধ্যে, কারা কারা বোরকা পরে, কিংবা বিকেল বেলায় সহপাঠিদের সাথে মল চত্বরে আড্ডা দেয়না অথবা কিংবা নামাজ পড়ার মত "গো'বধতুল্য" মহাপাপ করে, তখন কেন যেন মনে হয় এ নষ্ট সময়ে এটাই স্বাভাবিক। ছেলেরা তো সহপাঠীদের মেরেই ফেলছে, কিংবা হলের বারান্দা দিয়ে শুন্যে ভাসিয়ে দিচ্ছে। অথবা ধারালো কিরিচ দিয়ে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলছে। সে তুলনায় খাটের মশারির রড দিয়ে হতাহত করাতো নস্যি...

কিন্তু, পঁচনের কথা তখনই মনে আসে, যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের খুব লেখাপড়াজানা পিতৃসম আচার্য যখন জানিয়ে দেন, তিনি এ বিষয়টি সমর্থন করেন, আর সদাব্যস্ত এবং খুব কর্মঠ প্রক্টর সেই "বোরকাওয়ালীদের" একটি বিশেষ রাজনৈতিক রং লাগিয়ে সব কাজকে একটি বৈধতার প্রলেপ লাগিয়ে দেন।

ধুর ছাই, কে বলে জানোয়ারেরা হারিয়ে যাচ্ছে?
যারা বলে, তারা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠের দিকে একবার তাকিয়ে দেখুক...
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×