এ কে খন্দকার সাহেবের যন্ত্রণায় নেটে আসা যায় না । এখনও চলছে তার বইয়ের রেশ । উদ্দেশ্য প্রণদিত ভাবে মানুষের ভিতর কিনফিউশন ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা শহরাঞ্চলে মোটামুটি ব্যার্থ হয়েছে । কিন্তু গ্রামে,মফস্বলে, অর্ধ শিক্ষিত, মধ্যবিত্ত মানুষের উপর বইটি কিছুটা হলেও প্রভাব ফেলবে । প্রভাব ফালানোর জন্যই বইটি লিখা হয়েছে। স্বাধীনতা বিরোধারা বইটি কথায় কথায় কোট করবে । আমার পরিচিত একজন তিন কপি বই কিনার বায়না দিয়েছেন তার মফস্বল শহরে গিফট করবেন বলে। কিছু মানুষ স্বাভাবিক কারণেই বিভ্রান্ত হবে । কিন্তু ইতিহাস থেকে দেখেছি এ সব অসভ্যতা শেষ পর্যন্ত টিকে না । খন্দকার সাহেব এবং তাদের বিনিযোগকারীরাও এটা জানে। এ সব তত্ব আসে সাময়িক সুবিধা আদায়ের জন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় থেকে এ পক্রিয়া বিদ্যমান ।
এ কে খন্দকারের নামে গালা গালি চলছে । ঘৃণা প্রকাশ চলছে স্বাভাবিক নিয়মেই । কুশপুত্তলিকা দাহ, বিক্ষোভ মিছিল, বই নিষিদ্ধের দাবী চলছে । সেক্টর কমান্ডার ফোরার্মস থেকে তাকে বিহষ্কারও করা হয়েছে ।
এ কে খন্দকার যদি আওয়ামী লীগের কেউ না হতো তা হলে কি তার বক্তব্য এতটা তোলপাড় তুলতো ? নি:সন্দেহে তুলতো না । এমন বহু তত্ব, তথ্যতো আগেও দেখেছি । কিন্তু ঘরের মানুষ বানিয়ে মিথ্যা বললেও তা সমুদুর সঙ্গীতের মত লাগে রিবোধী পক্ষের কাছে ।
আমার জানায় ভুল না থাকলে এ কে খন্দকার সাহেব আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য । তারে কি বহিস্কার করা হয়েছে? কোন সাংগঠনিক ব্যাবস্থা নেওয়া হয়েছে তার বিরুদ্ধে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




