somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বি,এন,পি-র আইনজীবি মাহবুব উদ্দিন খোকন সাহেব মিথ্যার অপলাপ কেনো করছেন ?(কোকো একজন অপরাধী ছিলেন)

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৯:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গত ৩০ জানুয়ারি শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত হাসান ফেরদৌসের ‘কোকো কাহিনি’ শিরোনামে প্রথম আলোয় যে লেখা ছাপা হয়েছে, তা পড়লে যেকোনো পাঠকেরই বিশ্বাসযোগ্য মনে হবে। কারণ, তাঁর লেখার ধরন খুবই সুন্দর। কিন্তু আমার কাছে জনাব ফেরদৌসের বেশির ভাগ বক্তব্য অসত্য ও বিভ্রান্তিমূলক বলে পরিলক্ষিত হয়েছে। হাসান ফেরদৌস লিখেছেন যে আরাফাত রহমান কোকোর বিরুদ্ধে ২০০৯ সালে করা মার্কিন আদালতে জার্মানির মেসার্স সিমেন্স এজি ও চীনের চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার জন্য মামলা হয়েছে। সিমেন্স কোম্পানি মার্কিন আদালতে কোকোকে ঘুষ দেওয়ার জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। এই টাকার একটি অংশ
মার্কিন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে সিঙ্গাপুরে কোকোর অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে, যা জনাব ফেরদৌসের উল্লেখ করছেন -





আমি কমেন্ট করার চেষ্টা করলাম প্রথম আলো এবং আমাদের সময় পত্রিকায় প্রকাশিত লেখাটিতে ।কিন্তু কোন লেখায় কমেন্ট করতে পারলামনা ।তাই এখানে আমেরিকার জাস্টস ডিপার্টমেন্টের পাতা থেকে কিছুটা কপি করে এখানে দিলাম।

এখন যাচাই করার ভার থাকলো পঠকের উপর:-The forfeiture action was filed Jan. 8, 2009 , in U.S. District Court in the District of Columbia against funds located in Singapore held by multiple account holders. The forfeiture complaint relates primarily to alleged bribes paid to Arafat "Koko" Rahman, the son of the former prime minister of Bangladesh , in connection with public works projects awarded by the government of Bangladesh to Siemens AG and China Harbor Engineering Company. According to the forfeiture complaint, the majority of funds in Koko’s account are traceable to bribes allegedly received in connection with the China Harbor project, which was a project to build a new mooring containment terminal at the port in Chittagong , Bangladesh .
এইটা আমেরিকার জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের ওয়েব সাইট থেকে কপি করা এখানে দেখুনতো কোকো-র নাম আছে কিনা? মিথ্যারও একটা সীমা আছে বি,এন,পি /জামাতের দালালরা সব সীমা অতিক্রম করেছে।

ধন্যবাদ।

http://www.prothom-alo.com/opinion/article/440482/‘কোকো-কাহিনি’-বিভ্রান্তিকর Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ১১:২০
১৬টি মন্তব্য ১৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

লিখেছেন প্রামানিক, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

শহীদ জিয়া ২৭ মার্চের ভাষণে 'জয় বাংলা' বলেছিলেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১১





সূত্রঃ আমার রাজনীতির রূপরেখা
লেখকঃ জিয়াউর রহমান
পৃষ্ঠাঃ ১৭৭

...বাকিটুকু পড়ুন

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×