৭১-এর পরাজিত শক্তি ও ৭৫-এর অপ- শক্তি এক হয়ে বাংলাদেশকে পরাজিত করতে চাইছে।এখন বাংলাদেশের সাধরারণ মানুষকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।আমরা কি ৭১-এর মত রুখে দাড়াবো নাকি ৭৫-এর মত হতভম্ব হয়ে সব কিছু চোখ ও মুখ বুঝে সহ্য করে যাবো।৭৫-এ আন্তর্জাতিক অপশক্তি শক্তি যুগিয়েছিলো ,সাথে ছিলো ৭১-এর পরাজিত শক্তির ইন্দন।আর আমরা নোংরা কুৎসিত চক্রান্তের ব্যাপারে ছিলাম পুরোপুরি অজ্ঞ।তারা আমাদেরকে টেনে তাদের কাতারে নামিয়ে আনতে চেয়েছিলো।আমরা সহজ সরল রাজনীতির পথে হাটতে চেয়েছিলাম বলেই তারা সুযোগ পেয়েছিলো।তার পুর্বে সুক্ষভাবে আমাদের মাঝে বিভাজন সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছিলো তারা।
আমরা স্বাধীনতা অর্জনের পর তার সুরক্ষার জন্য কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করি নাই ।সেই সুযোগটার পূর্ণ কুটিলতার সাথে অসত ব্যাবহার করেছিলো।
আজকে যে অরাজকতার সৃষ্টি করা হয়েছে,এর শুরু কিন্তু ২০১৩ সালেই শুরু হয়েছিলো।জামাত/শিবির ও বিএনপি-র যে সহিংসতা চলছিলো তা কিন্তু কোন গণতান্ত্রিক আন্দোলন ছিলোনা।ঐটা ছিলো নিরেট সন্ত্রাস।যা তারা করছিলো যে কোন উপায়ে হোক ক্ষমতার পরিবর্তন ঘটিয়ে জঙ্গীবাদের উত্থান ও যুদ্ধাপরাধিদের মুক্ত করার মিশন।এবং এখনও তা অব্যাহত আছে।বাংলাদেশে এখন কোথাও কোন রাজনৈতিক কিংবা গণতান্ত্রিক আন্দোলন নেই।আই-এস,আল -কায়েদা,তালেবান যা যা করছে বর্তমানে জামাত/বিএনপি ও তাদের দোষর জঙ্গীবাদি শক্তি একই কাজ করে চলেছে।এদের নৃসংসতা প্রমান করে দেশের প্রতি বিন্দুমাত্র কমিটমেন্ট নেই এদের।কোন রাজনৈতিক কর্মি এতটা নির্দয় হোতেই পারেনা।একমাত্র বাহির থেকে আসা শত্রুর পক্ষেই সম্ভব দেশকে এভাবে ধ্বংস করা।পক্ষান্তরে বি,এন,পি/জামাতের নেতাদের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান সব কিছুই চলছে।এমনকি তারা গাড়িও চালাচ্ছে তাদের প্রয়োজনে।এটা পুরোপুরি প্রহসন ছাড়া আর কিছুই না।ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে খুবই সাধারণ মানুষ।বড় বড় ব্যাবসায়ীদের কিছুই যাবে আসবেনা।তারা সরকারি সুযোগ সুবিধা নিয়ে নিজেদের ক্ষতি পুষিয়ে নিবে।ক্ষতি যা হওয়ার হবে কৃষক শ্রমিক শ্রেনীর মানুষ গুলোর।
এখন আমাদেরকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে তাদের এই হিংস্রতা আমরা কি শুধুই মুখের কথা দিয়ে প্রতিহত করবো নাকি সমানভাবেই ফিরিয়ে দিবো।লক্ষ করুন তারা যা করছে তা কিন্তু আপনাকে আমাকে খুন করার জন্যই করছে।এখন আইন রক্ষাকারি বাহিনি শুধু প্রতিরোধের মাধ্যমে সীমাবদ্ধ থাকলে হবেনা।প্রতিহত করতে হবে সর্বশক্তি নিয়োগ করে।কারন তারা আমাদের দূর্বল ভেবে আমাদের বুকের উপর চেপে বসতে চাইছে।আমাদের মনে হয় আর জিম্মি হওয়ার কোন ইচ্ছা থাকা উচিত নয়।প্রত্যেকের তার নিজের এলাকার সন্ত্রাসী ও আগন্তকের ব্যাপারে নজর রাখা উচিত।আইন শৃখলা বাহিনিকে সব রকমের সহযোগিতা করে এদের নির্মূল করতেই হবে।আমরা আর আমাদের কোন প্রিয়জনকে হারাতে চাইনা।কোন পরিবারের জিবনে আগুনের লেলিহান শিখার ধ্বংস দেখতে চাইনা।যারা আমাদের জ্বালাতে আসবে তাদেরকেই জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করতে হবে।ভয়কে জয় করেই সামনে এগুতে হবে।
৭৫-এর মত আর হারতে চাইনা আমরা।নির্বাক ও হতভম্ব হোয়েও থাকতে চাইনা।অসমাপ্ত যুদ্ধের পরিসমাপ্তি টানতে চাই বাকি জিবনের জন্য।আমাদের অগ্রযাত্রা যাতে আর কেউ রুদ্ধ করতে না পারে ।সেই জন্য আরেকবার শুধু আরেকবার ৭১-এর মত গর্জে উঠতেই হবে।
জয় হোক মেহনতি মানুষের-
জয় আমাদের হবেই হবে ইনশাহ-আল্লাহ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


