এইটার সাথে ঐটা আর সেটার সাথে ওটা.......এভাবে কেনো যুক্তি দেওয়া হোচ্ছে! ভ্যাট সমস্যার সমাধান নিয়ে আন্দোলনকে অন্য অনেক সমস্যার সাথে কেনো জড়ানো হোচ্ছে? দিন শেষে ভ্যাট যদি দিতেই হয় তাহোলে কিন্তু তার মাশুল গুনতে হবে শিক্ষার্থিকেই।আজ
এইটার সাথে ঐটা আর সেটার সাথে ওটা.......এভাবে কেনো যুক্তি দেওয়া হোচ্ছে! ভ্যাট সমস্যার সমাধান নিয়ে আন্দোলনকে অন্য অনেক সমস্যার সাথে কেনো জড়ানো হোচ্ছে? দিন শেষে ভ্যাট যদি দিতেই হয় তাহোলে কিন্তু তার মাশুল গুনতে হবে শিক্ষার্থিকেই।আজ পর্যন্ত কোন প্রতিষ্ঠান কি কোন দায় নিয়েছে প্রকৃতপক্ষে।
মানলাম বেসরকারি বিশ্ব বিদ্যালয়ে অনেক অনিয়ম হোচ্ছে।তার জন্য আলাদা করে সরকারি নিয়ম কানুন হোতে পারে।শিক্ষার্থিরাও হয়তো মাঠে নেমে আসবে সরকার যদি তাদের সার্থে কোন আইন করেন।এবং সেটা বাস্তবায়নে গড়িমসি করলে ছাত্ররা নিজেদের স্বার্থেই মাঠে নামবে।তাই বলে সেই অজুহাতে শিক্ষায় ভ্যাট ধার্য করা কি জায়েজ হয়ে যাবে!আমার হিসেবে বর্তমান সরকারই বেশি বেসরকারি বিশ্ব বিদ্যালয়ের অনুমোদন দিয়েছে।এবং এটার প্রয়োজন ছিলো অবশ্যই।সরকারেরইতো দায়িত্ব ছিলো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সবকিছু ঠিমত হোচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষনে রাখা।স্থান ,সুযোগ সুবিধা ভেদে টিউশন ফির তারতম্য হোতেই পারে কিন্তু সেই অজুহাতে ছাত্রদের গলাকাটার লাইসেন্স কি দিতে হবে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষকে?
আসলে আমাদের সব কিছুই নতুন করে ভেবে দেখতে হবে।শিক্ষার নামে যে বানিজ্য চালু হয়েছে তার লাগাম টেনে না ধরলে একটা সময় আসবে যখন কোটি টাকা না থাকলে উচ্চশিক্ষার কথা চিন্তাই করা যাবেনা।এখনও অনেক মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্তের সন্তানরা পাবলিক বিশ্ব বিদ্যালয়ে ভর্তি না হোতে পেরে বাধ্য হয়ে অনেক ত্যাগ স্বিকার করে পড়তে পারছে প্রাইভেট বিশ্ব বিদ্যালয়ে।কিন্তু এই হারে চলতে থাকলে শুধুমাত্র উচ্চবিত্তের জন্যই পড়ালেখা করা সম্ভবপর হবে। স্বাধিন জাতি হিসেবে যা কখনই আমাদের কাম্য নয়।
কাজেই সরকারের উচিত ভ্যাট নিয়ে উদ্ভুত পরিস্থিতির সুযোগে অন্য কোন গোষ্ঠি যেনো বিশৃংখলা সৃষ্টি না করতে পারে সেদিকে কঠোর দৃষ্টি রাখা।বাস্তবতা হোচ্ছে টিউশন ফি জোগার করে পড়ালেখা করা খুব সহজ কাজ নয়।নিজের অভিজ্ঞতা ও বাস্তবতা থেকেই জানি শিক্ষার ক্ষেত্রে যা কিছুই যোগ করা হোক যত যৌক্তিকভাবে করা হোক না কেনো তা দিন শেষে ছাত্রদের উপরই বর্তাবে।একজন ছাত্র যখন উচ্চ শিক্ষার জন্য একটি বিশ্ব বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে যায় ।একটার পর একটা সেমিষ্টার শেষ করার পর যত কিছুই অন্তর্ভুক্ত করা হোক সে মাঝ পথে ছেড়ে যেতে পারেনা।না খেয়ে হোলেও তাকে টিউশন ফি যোগার করতেই হবে।ছাত্র এবং সিনিয়র সিটিজেনরা সারা পৃথিবিতে সাধারন অনেক সুযোগ পেয়ে থাকে আর আমাদের দেশে উল্টো ছাত্রদের আরো হয়রানি করা হোচ্ছে।
আশা করি বর্তমান সরকার ভ্যাট নয় শিক্ষিত জন-গোষ্ঠি গড়ার দিকে তার হাত বাড়িয়ে দিবেন।আরো অনেক খাত আছে ভ্যাট ধার্য করার জন্য সেদিকে দৃষ্টি প্রসারিত করুন। আল্লাহর ওয়াস্তে ছাত্রদের রেহাই দিন।শিক্ষার কোন বিকল্প নেই-দেশ ও জাতিকে এগিয়ে যেতে হোলে ।
ধন্যবাদ।


সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



