এই হোচ্ছে মূল ঘটনা-
এর চাইতে সুস্পষ্ট প্রমাণ আর কি থাকতে পারে।এই ভিডিও ও নিউজটি দেখার পর প্রথমেই আমার মনে প্রশ্ন জেগেছে এই জঙ্গীরা বাইরে নির্দেশ প্রেরন করে কিভাবে?
পুলিশের শহায়তা ব্যাতিত কি কেউ বাইরে কোনরুপ যোগাযোগ করতে পারে!কোনভাবেই কি সম্ভব কতৃপক্ষের সহযোগিতা ছাড়া কথা বলা বা নির্দেশ প্রেরন করা?
এর পুর্বে প্রিজন ভ্যান থেকে পুলিশ হত্যা করে জঙ্গীরা পালিয়ে গিয়েছিলো।এই পুলিশ-ভ্যান ঠিক কোন সময়ে কোথায় থাকবে এটা যদি পুলিশ জানতে না দেয় তাহোলে কি জানা সম্ভব ?কিছুতেই সম্ভব নয়।এই বিষয়টি নিয়ে তৎকালিন সময়ে হালকা কিছু কথা উঠেছিলো যে এর সাথে সাধারণ নয় উচ্চপদস্থ কেউ জড়িত থাকার সম্ভাবনা আছে।তখন ব্যাপারটা ধামাচাপা দেওয়া হয়েছিলো একপ্রকার।সেই জঙ্গী-পলায়নের কোন আপডেটও আর নেই।এই ঘটণাগুলো সুস্পষ্ট ইঙ্গিত করে সর্ষের মধ্যেই ভুত নিহিত।কাজেই খুব সহজে মনে হয়না এই হাইড এন্ড সিক খেলা থেকে বেরিয়ে আসতে পারবো।
এভাবেই এয়ারপোর্টের প্রধান নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যাক্তিকে নিয়েও বিতর্ক আছে।এই লোক গো.আজমের পরিবারকে ভিআইপি লাউন্জ ব্যাবহার করতে দিয়েছিলো।প্রধানমন্ত্রীর বিমান অবতরন করবে জানা থাকার পরও কিভাবে রানওয়ে অপ্রস্তুত থাকে।এটা কোন তুচ্ছ বা সাধারণ ঘটনা নয়।হালকা করে দেখার কোন উপায় নেই।
এভাবে খুজলে হাজারটা অসামন্জস্য খুজে পাওয়া যাবে প্রশাসনের অভ্যন্তরে।১৫ আগস্ট আর ২১শে আগস্ট সৃষ্টি করার উপাদান একেবারে সরকার প্রধানের কাছকাছিই দেখতে পারতেছি আমরা।বর্তমান পরিস্থিতিতে আল্লাহ না করুন শেখ হাসিনার যদি কিছু হয়।এটা হবে আরেক পাকিস্তান ও জঙ্গীদের অভয়ারণ্য।এরপর আর বাংলাদেশের ঘুড়ে দাড়ানোর শক্তিও অবশিষ্ট রাখবেনা নরপিশাচেরা।৭১-এর পরাজিত শক্তি এখন দোষর খুজে পেয়েছে ।এরা ভয়ংকর থেকে আরো ভয়ংকর হয়ে উঠবে।৭১-এ যা করতে পারেনি তার পুরোটাই সমাপ্ত করবে।
নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির কারাবন্দি নেতারা সেখান থেকেই বাইরে থাকা সদস্যদের ‘হত্যার নির্দেশনা’ দিয়ে আসছিল বলে তথ্য পাওয়ার কথা আদালতকে জানিয়েছে পুলিশ।
এই শিরোনামের সংবাদ তুচ্ছ ঘটণা নয়-This is not simple-
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুন, ২০১৬ সকাল ৮:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



