অতিথি পেঁচা
জানাজা
.......
ভেতরে কে গো তুমি ঝরা পাতার উপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছো মর্মর ধ্বনি তুলে?
শীতের এমন ভুলে ভেঙে যাচ্ছে পাতার শুষ্ক প্রাণ
রাতের নৈঃশব্দ ভেঙেচুরে যায়
তাতে
কুয়াশা কুয়াশা দিনে আমাকে দাঁড়াতে হলো নিজের জানাজায়!
গুমোট
..............
সন্ধ্যা নাগাদ
বাতাসে বাতাসে কারা
উড়াল বিষাদ-হাহাকার,
চায়ের দোকানে কানাঘুষা
চাপা আফসোস; শোক-
গলি শেষের শান্ত ডোবায়
মুণ্ডুহীন পড়ে আছে
পাড়ারই নীরিহ যুবক!
*২০০৮ সালে লেখা কবিতা
২০১৪ সালের ১৮... বাকিটুকু পড়ুন
সময়টা দুপুর ২:১৮ থেকে ২:২০ মিনিট । এটিএন বাংলায় হঠাৎ পাগলা তান্ত্রিক নাচ !! উম্মাতাল ঢঙে নাচ চলছে !! ইকটু পর এক জায়গায় কয়েকটি কারো মরা বাপের মাথার খুলি ,হাড়গোড় রাখা অার ধোঁয়া উড়ছে । ঠিক তখনই লেখা উঠল বর্ষবরণ ১৪২৩ !! অামি বুঝলাম না কারো মরা বাপরে কঙ্কাল নিয়া... বাকিটুকু পড়ুন
অষ্টাদশীর তনু(শরীর) বেয়ে অমৃত ঝরে
ফনাধরটা নত।
উদ্ভাসিত অবয়বটা, ঈর্ষান্বিত বটে
তার শিহরণে ,
উত্তেজিত সত্তরের বুড়ো ।
বাসন্তির শিশে মুগ্ধ হয় চারিধার
বামন মন্ত্র ভুলে
আর কারো,
সন্যাস ত্যাগীবার ইচ্ছা।

খুব গোপনে গোপনে আমার
নারকোলি হৃদয় কুঁড়তে আছি নিজে
নিজে ! ঝিম-সিম পুড়তে আছি কী যে
গ্রানাইট কাঠ কয়লা, পুড়তে আছি
হ্যাচাক বাতি সলতে প্রতিম!
প্রায়শ: আমাকে পোড়ায় যে একজনা
সে তবে আজ কেমন আছে, সেই অহনা?
আমার বুকে দুখ্ ডাহুকে ঠোকর দিলে
তাঁর বুকের ওই বরফি কাটা ফোকর গলে
গান গেয়ে যায়... বাকিটুকু পড়ুন
১৩ নভেম্বর সকাল সোয়া ৮টার লাইভ
................................
পুলিশের গাড়ি
সাইরেন বাজাইতে বাজাইতে
নূর হোসেনের বিবর্তন
বহন করিতে করিতে
নারায়ণগঞ্জে যায়।
এই নূর হোসেনের খোলা বুকে
'স্বৈরাচার নিপাত যাক' লেখা নাই
তার বদলে রহিয়াছে বুলেট প্রুফ জ্যাকেটে,
তাতে লেখা র্যাব,
মাথায় হেলমেট।
এই মাত্র তারে নিয়া পার হইলো গাড়ি
নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইনের গেট!
২০১৪ সালের ১৩ নভেম্বর লেখা কবিতা
হেলান
...................
যেন একটা গান
এরূপে বেজে চলছে তার জীবনের... বাকিটুকু পড়ুন
পর্ব 6 এর প্রশ্নটা মনে হয় অনেক কঠিন ছিল । কেউ সঠিক উত্তর দিতে পারে নি। প্রশ্নটার সঠিক উত্তর হচ্ছে 25 টি ফল । লোকটি প্রথম দশটা চেক পয়েন্টে মোট তিরিশটা ফল দিবে। এতে তার একটা ঝুড়ি খালি হবে তাই পরের পনেরটা চেকপয়েন্টে তাকে মোট তিরিশটা ফল দিতে হবে ।... বাকিটুকু পড়ুন
আজ রাতে যে মেয়েটি মারা
যাবে তার পছন্দের ফুল জবা। তার
ক্যাবিনে অনেক গুলো জবা ফুল
সাজিয়ে রাখা হয়েছে। এই কাজটি
যে করেছে তার দুটি পরিচয় আছে।
প্রথমটি হল তিনি এই রোগীটির
ডাক্তার। দ্বিতীয়টি হল এই মেয়েটি
তার স্ত্রী। গতকাল বিয়ে করেছেন।
একজন মৃত্যুপথ যাত্রিকে বিয়ে করার
বিষয়টিকে তিনি পাগলামি মনে
করছেন না। এই মেয়েটি তার সাথে
সাতশ তেরো রাত জেগে... বাকিটুকু পড়ুন
হিমুকে Samsung মডেলের এই ফোনটা গিফট করেছে মাজেদা খালা।
ঠিক গিফট নয়, মাজেদা খালা এখন iPhone ইউজ করছে।তাই তার Samsung মডেলের ফোনটি অকেজো পড়ে থাকায় হিমুকে দিয়ে দিয়েছে।
কিন্তু এই ফোনটি কিভাবে ব্যবহার করতে হয় সেটা হিমু জানেনা।
স্মার্টফোন দিয়ে ফেবু চালানোর মজাই আলাদা। তাই হিমুকে একটি ফেইসবুক এ্যাকাউন্ট খুলে দিলো মজিদ।
মজিদ... বাকিটুকু পড়ুন
ফুলসহ ফুলদানি
.............
বহু নরক বাদে
ছবিতে তাকে দেখলাম,
হাত রেখেছে কার কাঁধে-
কী তার নাম-
জানি সব জানি,
এই জানার মধ্যেই হারিয়ে ফেলেছি
ফুলসহ ফুলদানি!
*রচনাকাল: ২০১১ সাল
অভয়ারণ্য
.........
এই কংক্রিট শহরে
আজ থেকে আমি এক বনভূমি।
শিরায় শিরায় নদী-
মাছ খলবল করবে খেয়াল খুশিতে
নৌকা, মাঝি, পাল
বক এবং হরিয়াল
সব থাকবে,
শুধু ধীবর থাকবে না।
বৃক্ষ, ফুল, ফল থাকবে
পাখি ও পতঙ্গ থাকবে
বৃক্ষ নিধন হবে না
পাখি শিকারিও... বাকিটুকু পড়ুন
এশিয়ার সর্ব দক্ষিণের বাংলাদেশ নামক দেশটিতে যা অবস্থা দাড়িয়েছে, পথে-ঘাটে, রাস্তায়- রাস্তায় বিজ্ঞানীর চাষ হয়। গায়ে গায়ে ধাক্কা খাওয়ার মত অবস্থা অনেকটা। কোন মতে মনের মধ্যে একবার বৈজ্ঞানিক হওয়ার স্বাদ জাগলেই হলো। বাংলাদেশে বিজ্ঞানী হওয়া, প্যান্টের চেইন লাগানোর চাইতেও সহজ। চোখ কান বন্ধ করে একবার ইসলাম ও অন্যান্য ধর্ম কে... বাকিটুকু পড়ুন
সুজিত নীলুর বাল্যবন্ধু। পাশাপাশি বাড়ি। দু’জনে একই সাথে ধুলি-কাদা গায়ে মেখে বড় হয়েছে। দু-বাড়ির মাঝখানে গলির মধ্যে দু’জন একসাথে বসে খেলতো। কখনো সুজিতদের ডোবা থেকে এঁটেল মাটি এনে শ্যালো মেশিন বানাতো, আল বেঁধে টুকরো টুকরো জমি তৈরি করে তাতে জল দিতো, ঘাসের ডগা ছিঁড়ে এনে ধান হিসেবে পুঁতে দিতো জমিতে;... বাকিটুকু পড়ুন
সংবাদপত্র নাকি জাতির দর্পন বা আয়না আর সাংবাদি নাকি দর্পনধারী। একদা হয়তো সাংবাদিকদের সংগঠন হিসাবে প্রেসক্লাবের অস্তিত্ব মেনে নেয়া যেত কিন্তু এখন সাংবাদিক নাম ও ‘কাট’ধারী সুযোগ সন্ধানীদের দখলে থাকা ক্লাবটিকে এরা নিজেরাই বলেন- প্যাঁচ ক্লাব। চুনারুঘাটের আর্-সামাজিক ও রাজনৈতিক উন্নয়নসহ মানবিক উন্নতিতে প্যাঁচক্লাবের কোন ভূমিকা তো নেই ই বরং... বাকিটুকু পড়ুন
সুমনা
দু'মনা
মাঝ পথে দাঁড়িয়ে
চার পথ
চার মত
দেয় হাত বাড়িয়ে।
চিকচিক
ঝিকমিক
দেখা যায় আলোটা
মতিভ্রম
বাড়ে ক্রম
বোঝা দায় ভালোটা।
একপা
দু'পা
ধীরে সে চলছে
ধূকধূক
করে বুক
সংকায় টলছে।
নানা চোখ
নানা মুখ
অভিযোগের ঝাপিটা
মাড়িয়ে
ছাড়িয়ে
খুঁজে সে চাবিটা।
যায় দিন
আসে দিন
কখনো যায় থমকে
তবুও সে
অনায়াসে
রুখে দেয় যমকে।
সমাজে
সবকাজে
বাঁধা সেতো থাকবেই
দৃঢ় পণ
করে মন
সমাজ টা জাগবেই। বাকিটুকু পড়ুন

