স্মৃতির সাথে সচেতন দুরভিসন্ধি যোগ করে এ কে খন্দকার ইতিহাসের সাথে বেঈমানী করার দুঃসাহস প্রদর্শন করে নতুন মীরজাফরের তালিকাভুক্ত হয়েছেন
১৯৭১ সালের ৩রা জানুয়ারি, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বেসরকারি উদ্যোগে মুক্তমঞ্চে তৎকালীন পাকিস্তান ও পূর্ব পাকিস্তানের নবনির্বাচিত দলের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যবৃন্দের শপথগ্রহণ শেষে ‘জিয়ে সিন্ধ’, ‘জিয়ে পাঞ্জাব’, ‘জিয়ে পাখতুন’, ‘জিয়ে বেলুচিস্তান’, ‘জিয়ে পাকিস্তান’ উচ্চারণ করেছিলেন। এটাকে অনেকেই ৭ই মার্চ এর ভাষনের সাথে গুলিয়ে ফেলছেন। স্মৃতি বিস্মৃত হয়ে যেতেই পারে,... বাকিটুকু পড়ুন

