somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অনুভবে কোরআন...

০৫ ই এপ্রিল, ২০০৬ রাত ৯:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এক এক দিন কাটে যখন কোরআন পড়ি নিতান্তই রুটিন মাফিক ভাবে... পড়তে হবে বলে পড়া। মাথায় ঘুরতে থাকে বায়োক্যাম ল্যাব বা ডিস্ট্রিক ম্যাথস টেস্টের কথা। সামহোয়্যারের ব্লগ ব্লগানির কথা। সারাদিনের ছোটখাট প্ল্যান মাথায় করে ফেলি অথবা গত রাতের ফোন সংলাপের কথা ভেবে হাসি চাপি। অর্থ শুধু মুখেই পড়ে যাই, তারপরে কোরআন বন্ধ করে তড়িঘড়ি করে অন্য কাজ শুরু করি।
আজ কোরআন পড়ে মন ভরে গিয়েছে। বার বার পড়েছি, মনে হয়েছে আল্লাহ যেন আমার জন্যই লিখেছে। কি অদ্ভূত, একই আয়াত যেন এক এক জনের জন্য পারসোনালাইজড। স্রষ্টার প্রতি গোপন ভালবাসার অশ্রূ ফেলার পরে এখন আসলাম আজকের পড়া আয়াতগুলো পোস্ট করে দিতে। জানি অন্য কারোই হয়তো আমার মত একই প্রতিক্রিয়া হবে না... তবু...

"তোমরা কি দেখো না, আল্লাহ ভূমি ও আকাশের সব কিছু তোমাদের জন্য ব্যবহারোপযোগী করে রেখেছেন এবং তোমাদের প্রতি তাঁর প্রকাশ্য ও গোপন নেয়ামতগুলো সম্পূর্ন করে দিয়েছেন?
এরপর অবস্থা হচ্ছে এই যে মানুষের মধ্যে এমস কিছু লোক আছে যারা আল্লাহ সম্পর্কে বিতর্ক করে, তাদের নেই কোন রকম জ্ঞান, পথনির্দেশনা বা আলোকপ্রদর্শনকারী কিতাব।
আর যখন তাদেরকে বলা হয়, আল্লাহ যা নাজিল করেছেন তার আনুগত্য কর, তখন তারা বলে, আমরা আমাদের বাপ-দাদাকে যে রীতির উপর পেয়েছি তার আনুগত্য করব। শয়তান যদি তাদের জ্বলন্ত আগুনের দিক্ওে আহবান করতে থাকে তবুও কি তারা তারই আনুগত্য করবে?
যে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্্পন করে এবং সতকর্মশীল হয়, সে তো সত্যিই শক্ত করে অাঁকড়ে আছে একটি নির্ভরযোগ্য আশ্রয়। আর সব ব্যপারের শেষ ফয়সালা আছে আল্লাহরই হাতে। এরপর যে কুফরী করে, তার কুফরী যেন তোমাকে বিষন্ন না করে। তাদেরকে ফিরে তো আসতেই হবে আমারই দিকে। তখন আমি তাদেরকে জানিয়ে দেবো তারা কিসব কাজ করে এসেছে। অবশ্যই আল্লাহ অন্তরের গোপন খবরও জানেন। আমি স্বল্পকাল তাদেরকে দুনিয়ায় ভোগ করার সুযোগ দিচ্ছি, তারপর তাদেরকে টেনে নিয়ে যাবো একটি কঠিন শাস্তির দিকে।
তুমি যদি তাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, পৃথিবী ও আকাশমন্ডলী কে সৃষ্টি করেছেন? তাহলে তারা নিশ্চয়ই বলবে আল্লাহ। বলো, সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য। কিন্তু তাদের মধ্যে অধিকাংশ লোক জানে না।
আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে তা আল্লাহরই। নি:সন্দেহে আল্লাহ অমুখাপেক্ষী এবং নিজে নিজেই প্রশংসিত। পৃথিবীতে যত গাছ আছে তা সবই যদি কলম হয়ে যায় এবং সমুদ্র (দোয়াত হয়ে যায়), তাকে আরো সাতটি সমুদ্র কালি সরবরাহ করে তবুও আল্লাহর কথা লিখে শেষ হবে না।
অবশ্যই আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী ও জ্ঞানী। তোমাদের সমগ্র মানবজাতি সৃষ্টি করা এবং তারপর আবার তাদেরকে জীবিত করা (তাঁর জন্য) নিছক একটিমাত্র প্রানী (সৃষ্টি করা এবং তাকে পুনরুজ্জীবিত) করার মতই। আসলে আল্লাহ সবকিছু শোনেন ্ও দেখেন।
তুমি কি দিন ও রাতের আবর্তন দেখ না? তিনি সূর্য ও চাঁদকে নিয়মের অধীন করে রেখেছেন। আর (তুমি কি জান না) তোমরা যা কিছুই কর না কেন আল্লাহ তা জানেন। কারন আল্লাহই হচ্ছেন সত্য এবং তাঁকে বাদ দিয়ে অন্য যেসব জিনিসকে এরা ডাকে তা সবই মিথ্যা। আল্লাহ সমুচ্চ ও শ্রেষ্ঠ।"
সুরা লুকমান (20-30)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
২০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=আমার মন খারাপ, ফুল দিয়ো=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১২ ই মে, ২০২৬ দুপুর ২:৫৮



অকারণে মন ভালো না আজ
তুমি কোথায়?
এসো এক গুচ্ছ রঙ্গন নিয়ে
বাঁধো আমায় ভালোবাসার সুতায়।

অকারণে ভালো লাগে না কিছু;
তুমি কই গেলে?
রক্ত রঙ ফুল নিয়ে এসো;
উড়ো এসে মন আকাশে - প্রেমের ডানা মেলে।

কী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সূর্যমুখী ফুলের মত দেখি তোমায় দূরে থেকে....

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৫


সূর্যমুখী
অন্যান্য ও আঞ্চলিক নাম : রাধাপদ্ম, সুরজমুখী (হিন্দি)
সংস্কৃত নাম : আদিত্যভক্তা, সূর্যকান্তি, সূর্যকান্তিপুষ্প
Common Name : Sunflower, Common sunflower
Scientific Name : Helianthus annuus

সূর্যমুখী একটি বর্ষজীবী ফুলগাছ। সূর্যমুখীকে শুধু ফুলগাছ বলাটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাত যত গভীর হয় প্রভাত তত নিকটে আসে

লিখেছেন আরোগ্য, ১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:২১

গতবছর এই মে মাসের ১৭ তারিখেই আমার চোখের প্রশান্তি, আমার কর্মের স্পৃহা, আমার জননী এই ক্ষণস্থায়ী পৃথিবী ও আমাদের কাছ থেকে মহান রব্বের ডাকে সাড়া দিয়ে পরপারে পাড়ি জমান। আব্বু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইচ্ছে করে

লিখেছেন বাকপ্রবাস, ১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৮

ইচ্ছে করে ডিগবাজি খাই,
তিড়িং বিড়িং লাফাই।
কুমারী দীঘির কোমল জলে
ইচ্ছে মতো ঝাপাই।

রাস্তার মোড়ে সানগ্লাস পরে
সূর্যের দিকে তাকাই,
সেকান্দর স্টোর স্প্রাইট কিনে
দুই-তিনেক ঝাঁকাই।

ঝালমুড়িতে লঙ্কা ডাবল,
চোখ কচলানো ঝাঁঝে,
ছাদের কোণে যাহাই ঘটুক,
বিকেল চারটা বাজে।

ওসবে আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

মায়া বড় কঠিন বিষয় !

লিখেছেন মেহবুবা, ১২ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪০


মায়া এক কঠিন বিষয় ! অনেক চেষ্টা করে জয়তুন গাছ সংগ্রহ করে ছাদে লালন পালন করেছি ক'বছর।
বেশ ঝাকড়া,সতেজ,অসংখ্য পাতায় শাখা প্রশাখা আড়াল করা কেমন আদুরে গাছ !... ...বাকিটুকু পড়ুন

×