বিশ্বাসঘাতক, তুই আমার সংসার ভেঙেছিস
দিয়েছেন। থানা হাজতে দু'জনকে মুখোমুখি করা হলে সাথী এশাকে দেখেই উত্তেজিত হয়ে গালমন্দ করতে থাকেন। আর বলেন, 'ভালবেসে অনেক আপন ভেবে তোকে বান্ধবী করে কাছে টেনেছিলাম, সেই তুই আমার সংসারটা ভেঙে দিলি। স্বামীকে আমার কাছ থেকে কেড়ে নিলি। এর চেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতকতা আর হতে পারে না। আমার স্বামীর মোহে তুই এতই পাগল হয়েছিল, সন্তানকেও তোর কাছে বোঝা মনে হয়েছে। তাকে তোরা মেরে ফেললি।' সাথী ও এশার রিমান্ডের এসব তথ্য জানিয়েছেন মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার উপ-পরিদর্শক কাজী সাহান হক সমকালকে বলেন, গতকাল শুক্রবার ছিল রিমান্ডের প্রথম দিন। এদিন সাথী বেশকিছু তথ্য দিয়েছেন, যা তদন্তের স্বার্থে এখনই বলা যাচ্ছে না। খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এশার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন সাথী। তবে সুদসহ ওই টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি। কিন্তু খুনের ব্যাপারে কিছুই জানেন না বলে দাবি করেছেন তিনি।
সাথী তিন দিনের পুলিশ রিমান্ডে রয়েছেন। এ মামলায় শিশুটির মা আয়শা হুমায়রা এশা, তার প্রেমিক শামসুজ্জামান আরিফ ও ভাই নুরুজ্জামানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ও র্যাব। আয়শাকে এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
রিমান্ডে সাথী পুলিশকে জানিয়েছে, কারখানা দেওয়ার জন্য এশার কাছ থেকে মাসে ৩০ হাজার টাকা সুদে ৩ লাখ টাকা নিয়েছে শামসুজ্জামান আরিফ। এশাও কারখানা দেখতে যায়। সাথী বলেন, পার্লারই আমার জীবনে কাল হবে বুঝতে পারিনি। পার্লারই স্বামীকে আমার কাছ থেকে কেড়ে নিয়েছে। কারণ পার্লারেই এশার সঙ্গে আরিফকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলাম আমি। তদন্ত সূত্র জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে সাথী বলেছেন এশা ছিল তার কাস্টমার। এছাড়া তারা পাশাপাশি বাড়িতে থাকতেন। খুব দ্রুত তাদের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
সাথী পুলিশকে বলেছেন, 'এশার সঙ্গে স্বামী আরিফের পরকীয়া সম্পর্কের কারণে এবং তাকে এশার কাছ থেকে ফেরাতে না পেরে আমি অসুস্থ হয়ে যাই। আমাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে আমার মানসিক অবস্থা এমন দাঁড়ায় যে, আমি রাস্তার লোকজনকে ডেকে ডেকে বলি, ভাই আমার চেহারা কি খারাপ? আমি কি অসুন্দর? জামান কেন আমার বান্ধবীর সঙ্গে সম্পর্ক করে। এশার কাছে গিয়ে স্বামীকে ভিক্ষা চাই। বলি, তুমি সুন্দরী শিক্ষিতা। তোমার অনেক ভালো ভবিষ্যৎ আছে। তুমি আমার স্বামীকে ছেড়ে দাও। আমার যে আর কোনো রাস্তা নেই। কিন্তু সে আমার কথা রাখেনি।'
এদিকে দ্বিতীয় দফা রিমান্ডে পুলিশকে এলোমেলো কথা বলছেন আয়শা। আরিফই তার সন্তানকে খুন করেছে, এর বেশি তিনি কিছু বলছেন না।
মোহাম্মদপুর গ্রিনউড ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের নার্সারির ছাত্র খন্দকার সামিউল আজিমের বস্তাবন্দি লাশ গত ২৪ জুন নবোদয় হাউজিংয়ের একটি ফাঁকা প্লট থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। পরে সন্তান হত্যার অভিযোগে সামিউলের বাবা কেআর আজিম স্ত্রী ও তার প্রেমিক আরিফের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
দৈনিক সমকাল থেকে কপি পেষ্ট করা হয়েছে
আমাদের গ্রামের গল্প!

আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন
পণ্ডশ্রম

এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,
চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।
কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,
আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।
দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই
আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।
তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন
১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে
আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।