somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রাজনীতিতে Politics প্রিয় স্বদেশে। কিন্তু বুঝে না ছোট ছোট মৌলভীরা।

২৯ শে নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



এই মাত্র কিছু দিন আগেও এই হেফাজতের সাথে সরকারের কুটুম কুটুম ভাব ছিলো। তবে এই ভাবের আগে কিন্তু শাপলা চত্বরে বাঁশ ঢলা দিয়ে ছিলো আওয়ামী লীগ। সেইদিন হেফাজত কোনো হেফাজত করেনি কোমলমতি শিশুদের। অসংখ্য মাদ্রাসায় চার দেয়ালে বলৎকার এবং গরুর মত পিটানো হেফাজত কওমীদের সিনেমার পার্ট। তবে শাপলা চত্বরে এতিম শিশুদের দিয়ে বাণিজ্য হেফাজত ভালোই করেছে। কিছু নাম গোত্রহীন এতিম শাপলা চত্বরে মরে তাজা ষাঁড়ের বলৎকার হতে রক্ষাও পেয়েছে। বিনিময় সাবেক সভাপতি পুত্র পেয়েছে সরকার হতে জায়গা জমি ও টাকার খনি।

হেফাজতের আসল চেহারা।
দুর অতীতঃ এখন হেফাজতে জড়িত বেশ কয়েকটা ইসলামী রাজনৈতিক দল। এরা একসময় বিএনপির সাথে জোটে ছিল তখন আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী আন্দোলন করেছে। এরপর ক্ষমতায় আসে বিএনপি জোট সরকার তারপর মনে হয় হালুয়া রুটির ভাগে বনাবনি না হওয়ায় বিএনপি জোট ত্যাগ করে। সবচেয়ে মজার বিষয় ইসলামী দল ভেঙ্গে এক অংশ আবার আওয়ামী লীগের সাথে জোটও করে। তারপর বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনেক জল গড়িয়েছে। বিএনপি রাস্তায় রাস্তায় ঘেউ ঘেউ করে পাপ মোচন করতেছে। কিন্তু এইসব ইসলামী দল দেশের রাজনীতিতে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ এখন।

নিকট অতীতঃ হঠাৎ করে গজে উঠলো হেফাজত । শাপলা চত্বর সম্পর্কে সবাই জানে। সরকার বলে কিছুই হয়নি আর বিপক্ষকারি বলে শত শত লাশ পড়েছে। তবে সত্য হলো লাশ না পড়লে হেফাজত শাপলা চত্বর ছাড়তো না সরকার নাকানি চুবানি খেত। কিন্তু আমরা পরে দেখেছি হেফাজত ও সরকার চরম ধাক্কাধাক্কির ভিতর হয়ে গেল একে অপরের ভালো বন্ধু। কিছু হেফাজতি নেতা সরকারের কোলে বসে হালুয়ারুটি খেতে খেতেই মাননীয প্রধানমন্ত্রী হয়ে গেলেন কওমী মাতা। লাভ হলো হেফাজত নেতাদের কিন্ত লাশ হলো এতিম কওম। কি সুন্দর! হেফাজতি মৌলভীদের পলিটিক্স। সেই সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হেফাজতের মোল্লাদের সাথে বসে ঘোষণাও দিলেন দেশ চলবে মদিনা সনদে।

কিন্তু এখন কি হলো।
বিএনপিঃ মাঠে নাই ঘাটেও নাই। মাঝে মাঝে উপনির্বাচনে হাজির হয়ে পার্থী আর উনার বউয়ের ভোট পায় আবার এর জন্যও নিজেরা নিজেরা করে কাদা ছুড়াছুড়ি। বিএনপিকে সরকার তারপরও ভয় পায় যদি বিএনপি সোজা হয়ে দাড়িয়ে যায়। যদিও এটা আদৌ সম্ভব না এমনিতে আবিষ্কার হয়েছে রাতের ভোট, অনুগত নির্বাচন কমিশনের দক্ষতায়। হামলা, মামলা, গুম, খুনে বিএনপি আরো ত্রিশ বছর পরও সোজা হবে না। এইদিকে জামায়াত রাজাকারের বদনাম মুক্ত হতে পারিনি এখনো। তাদের এতই করুণ দশা সরকার তাদের দল ভেঙে কোমরও ভেঙ্গে দিশাহারা করে দিয়েছে । তাই জামায়াত ঘোষণা দিয়েছে ত্রিশ বছর দলীয়ভাবে কোন নির্বাচন করবে না। জাতীয় পার্টি ও বাম দল এখন নাক ডুবিয়ে গোয়ালে খেতে আছে।তারপরও সরকার ভয়ে আছে।

আজই ইউরোপীয় ইউনিয়ন ঘোষণা দিয়েছে মানব অধিকার লঙ্ঘন ও গণতন্ত্র হরণকারীদের প্রতি অবরোধসহ আরো বিভিন্ন পদক্ষেপ নিবে। ভাস্কর্য ও মূর্তি নিয়ে সরকার ও হেফাজতের মাঠ গরম এটা দুই বন্ধুর ডায়লগ বিনিময় মাত্র। এতে হেফাজত এবং সরকার উভয় পক্ষ লাভবান হবে। মরবে শাপলা চত্বরের মত এতিম কওম। এতে হেফাজত পাবে আগের মত জায়গা-জমি ও বাড়ি-গাড়ি আর টাকার খনি। সরকার ঘোষণা করেছে ভাস্কর্য বানাবেই আর হেফাজত বলেছে মূর্তি ভাঙ্গবেই। মনে হয় এটা সরকার এবং হেফাজতের ভিতর সমঝোতা করা হয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সরকার বিভিন্ন দেশের কাছে বার্তা পাঠিয়েছে যে মৌলবাদী মাথা ছাড়া দিয়ে উঠেছে তাদের সাহায্য লাগবে। ইতিমধ্যে আবার জঙ্গীও ধরা হয়েছে । আর পশ্চিমারা মৌলবাদীর নাম শুনলেই বমি করে। তাই সরকারকে সাহায্য করবেই। আওয়ামী লীগ বিদেশীদের বুঝাতে চায় তারাই সন্ত্রাস এবং জঙ্গী দমনে একমাত্র উপযুক্ত দল।

আপনারা যারা হেফাজত হেফাজত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় তোলে মরতে প্রস্তুত হচ্ছেন তারা গোবর মাথায় নিয়ে হৃদয়ে ইসলামের আগুনে জিহাদ করতে তৈরী হচ্ছেন তারা বিভিন্ন নদীতে লাশ হয়ে ভাসবেন কিংবা ডাস্টবিনে পচবেন। আগের মত সরকার অনুগত সমস্ত বাহিনী মাঠে নামবে অবুঝ হুজুরদের পিটিয়ে বড় হুজুরদের ঠান্ডা করবে।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:১৩
১১টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×