
আমাদের কিছু কিছু মুসলমানের কিছু কিছু বদ অভ্যাস আছে এবং সেই বদ অভ্যাসের জন্য মাঝে মাঝে কিছু সমস্যা হয় । আপনারা জানেন নিজ ধর্মের কোন মানুষ যদি কোন বাহাদুরির কাজ করে থাকে , তখন এই সব মানুষ সেটাকে ইসলাম ধর্মের বাহাদুরি হিসাবে প্রচার করে আসছে। এটা কয়েক শত বৎসরের অভ্যাস ।
মাত্র ৩০/৪০ বৎসর আগে যখন পলিটিক্যাল ইসলাম জংগিবাদ শুরু করে ,তখন তাদের মুসলমান জংগি বা সন্ত্রাসী বলা শুরু হয় । এখন এই সব তথাকথিত মমিনদের আঘাত লাগে , তারা বলতে থাকে আরে ভাই জংগি সন্ত্রাসীরা হোল, জংগি সন্ত্রাসী তাদেরকে কেন মুসলমান বলা হচ্ছে ।
আরে ভাই এই দোষটা কি তাদের ? খেলোয়ার , সাইনটিস্ট বা অন্য কোন ডিসিপ্লিনের কি কোন ধর্ম আছে ? বাহাদুরির বিষয় হলে তো , এই দিক গুলোতে কোন মুসলমান ভালো করলে মসুলমান শব্দটা খেলোয়ার বা সাইনটিস্ট শব্দের আগে লাগিয়ে দেওয়া হয় , তাহোলে ঠিক এই ভাবে কোন মুসলমান জংগিপনা করলে তখন জংগি শব্দের অগে মুসলমান শব্দটা যোগ হয় । বাহাদুরির বিষয় হোলে মুসলমান শব্দ যোগ করলে কি, অপকর্মের জন্য মুসলমান শব্দ যোগ হবে না ? এটার জন্য দায় কার ?
ড: শাহিন একজন কুর্দি যাদেরকে তথাকথিত মমিনরা মুসলমান মনে করে না , কুর্দিদের উপর কয়েকটা মুসলমান দেশ অত্যাচার করছে কিন্তু এই মমিনরা কোন দিন ই বলে না কুর্দি মুসলমানদের উপর অত্যাচার করা হচ্ছে । এর কারন হোল তারা এদের মুসলমান মনে করে না । একই ধরনের অত্যাচার রহিংগাদের উপর চালানো হচ্ছে এবং মমিনরা অভিযোগ করেন রহিংগা মুসলমানদের উপর অত্যাচার করা হচ্ছে কিন্তু কুর্দি শব্দের আগে বা পরে ওনারা মুসলমান শব্দ যোগ করেন না কারন ওনারা তাদের মুসলমান মনে করেন না ।
এখানে একটা কথা বলতে চাই , বাহাদুরির বিষয় হলে এই তথাকথিত মমিনরা নাস্তিক ট্যাগ পাওয়া মানুষকেও মুসলমান দাবি করে , যেমন ইবনে সিনা , কাজি নজরুল ইসলাম । অমুসলিম হিসাবে চিহ্নিত করা সম্প্রদায়ের মানুষদের মুসলমান দাবি করা হয় , যেমন ড: সালাম ( যিনি কার্দিয়ানি) , ড: শাহিন ( যিনি কুর্দি ) ।
এখন মমিনরা কি করবেন ড: শাহিনের উদ্ভাবিত ভ্যাকসিনটা নিয়ে, যেটা নিয়া বাহাদুরি শুরু করেছেন , সেটা যে বেশির ভাগ মানুষ ব্যবহার করতে পারবে না, সেটা কি জানেন ? এটাকে সংরক্ষণের জন্য -৭০ ডিগ্রি তাপের দরকার । এই ধরনের কুলিং সিসটেম উন্নত বিশ্বের সবখানে ব্যপক ভাবে নেই, সেখানে তৃতীয় বিশ্বের কি অবস্থা বুঝতেই পারছেন । তারমানে হোল এই ভ্যাকসিনটি মার্কেটে নিয়ে যাওয়া খুব কঠিন এবং ব্যয় বহুল । সেই কারনে এর ব্যবহার সীমিত হওয়ার আশংকা আছে ।
উপরের চিত্রে দেখতে পাবেন ২টা ভ্যাকসিন নরমাল ফ্রিজিং টেম্পারেচারে সংরক্ষণ করা যায় এবং শুধু মাত্র এই কারনে এই জাতিয় ভ্যাকসিন গুলো ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করা হবে ।
তাহোলে এখন ড: শাহিনের তথাকথিত মুসলিম ভ্যাকসিন কোরনা মোকাবেলায় যথাযত ভুমিকা রাখতে পারবে কিনা সেটা নিয়ে এখন সংশয় দেখা দিয়েছে, -৭০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় সংরক্ষণের আবশ্যকতার কারনে ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

