somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

স্বরচিত কবিতা এবং কপি পেস্টিয়ান অর্গানাইজেশন এর জন্ম।

২৪ শে নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



সংগঠন এর জন্য লোগো তৈরি করে দিয়েছেন প্রিয় মামুন রশিদ ভাই।


সাধারণত আমি কবিতা লিখি না ( কারণ কবিতা লিখতে পারি না )। কবিতা না লেখার পেছনে মূল কারণ অগ্রজদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন। কারণ আমি কবিতা লিখলে রবি বাবু, জীবন বাবুদের চেয়ে আমার নামটাই বেশি উচ্চারিত হবে। যা আমি আসলে কখনোই চাই নি। আমি চাই নি কবি হিসাবে আমার নামটা তাদের আগে উচ্চারিত হোক। তারপরও মাঝে মাঝে লিখতে ইচ্ছে করে। অনেকগুলো কবিতা লিখেছি কিন্তু কখনো প্রকাশ করি নি। কিন্তু গত রাতে লেখা এই কবিতাটি প্রকাশ না করে পারলাম না। সম্মানিত পাঠক কবিতাটা সম্পর্কে আপনাদের মূল্যবান মতামত দিয়ে আমাকে আরও ভালো কিছু লেখার জন্য উৎসাহিত করবেন এই প্রত্যাশা রাখি।

সোনার তরী

গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা।
কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা।
রাশি রাশি ভারা ভারা
ধান কাটা হল সারা,
ভরা নদী ক্ষুরধারা
খরপরশা।
কাটিতে কাটিতে ধান এল বরষা।
একখানি ছোটো খেত, আমি একেলা,
চারি দিকে বাঁকা জল করিছে খেলা।
পরপারে দেখি আঁকা
তরুছায়ামসীমাখা
গ্রামখানি মেঘে ঢাকা
প্রভাতবেলা--
এ পারেতে ছোটো খেত, আমি একেলা।
গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারে,
দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে।
ভরা-পালে চলে যায়,
কোনো দিকে নাহি চায়,
ঢেউগুলি নিরুপায়
ভাঙে দু-ধারে--
দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে।
ওগো, তুমি কোথা যাও কোন্‌ বিদেশে,
বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে।
যেয়ো যেথা যেতে চাও,
যারে খুশি তারে দাও,
শুধু তুমি নিয়ে যাও
ক্ষণিক হেসে
আমার সোনার ধান কূলেতে এসে।
যত চাও তত লও তরণী-'পরে।
আর আছে?-- আর নাই, দিয়েছি ভরে।
এতকাল নদীকূলে
যাহা লয়ে ছিনু ভুলে
সকলি দিলাম তুলে
থরে বিথরে--
এখন আমারে লহ করুণা করে।
ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই-- ছোটো সে তরী
আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।
শ্রাবণগগন ঘিরে
ঘন মেঘ ঘুরে ফিরে,
শূন্য নদীর তীরে
রহিনু পড়ি--
যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী।



আমাদের দেশের সাধারণ একটা বিষয় হচ্ছে, কোথাও পাঁচ জন লোক একত্রিত হলে অন্তত তিনটা দলে পরিণত হবে। আবার এই তিনটা দলের জন্য অন্তত চারটা সংগঠন দাড়িয়ে যাবে। কখনো কখনো মানুষের চেয়ে বেশি সংগঠন হয়ে যায়। আমাদের সামহোয়্যার ইন ব্লগও এর বাইরে নয়। অতীতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নামে প্রকাশ্য এবং গোপন সিন্ডিকেট ছিল। ইদানিং অবশ্য তার কোন চিহ্ন খুঁজে পাওয়া যায় না। কিন্তু শুরু থেকে আজ পর্যন্ত একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী ছিল সুবিধাবঞ্চিত। তাদের পক্ষ হয়ে কথা বলার মত লোক খুঁজে পাওয়া যায় নি কখনো। কারণ তারা কখনোই ঐক্যবদ্ধ ছিল না। তাদের ছিল না কোন সিন্ডিকেট। এই সুবিধাবঞ্চিত ব্লগারদের জন্য আমরা শুরু করতে যাচ্ছি " কপি পেস্টিয়ান অর্গানাইজেশন " নামে একটি বিশেষ সিন্ডিকেট।

এই বিশেষ সংগঠন এর সদস্য পদ পেলে আপনাকে আর কখনো একা লড়াই করতে হবে না। আপনার হয়ে এই সংগঠন লড়াই করবে অন্যান্য ব্লগারদের সাথে। অতি অল্প সময়ের মধ্যেই আপনি হতে পারবেন স্টার ব্লগার। কারণ এই সংগঠনের সকল সদস্য বাধ্যতামূলক আপনার পোস্টে কমেন্ট করবেন। এই সংগঠনের সঙ্গে থাকলে আপনি নির্ভয়ে চুরি করা পোস্ট নিজের বলে চালাতে পারবেন।

এই সংগঠন শুধু মাত্র চুরি করা পোস্টের ব্যাপারেই সহায়তা করবেন না। এর পাশাপাশি লিংক সর্বস্ব পোস্ট, ফেসবুক স্ট্যাটাস এর মত পোস্ট, এক লাইনের পোস্ট সহ আরও অন্যান্য পোস্টের ব্যাপারেও সহায়তা করবেন।

" কপি পেস্টিয়ান অর্গানাইজেশন " এ সদস্য পদ প্রাপ্তির নিয়মাবলীঃ

১/ নিয়মিত অন্যের লেখা চুরি করে পোস্ট দিতে হবে। প্রতি পাঁচটি পোস্টের মধ্যে অন্তত তিনটি পোস্ট অন্যের লেখা হতে হবে।

২/ অন্যের লেখা পোস্ট দিয়ে অবশ্যই তা নিজের লেখা বলে প্রচার করতে হবে।

৩/ " কপি পেস্টিয়ান অর্গানাইজেশন " এর অন্যান্য সদস্যদের পোস্টে বাধ্যতামূলক কমেন্ট করতে হবে।

৪/ সিন্ডিকেট এর কোন সদস্যের পোস্টে চুরির অভিযোগ আসলে, সাথে সাথে তাকে ডিফেন্ড করার জন্য অন্যান্য ব্লগারদের সাথে ক্যাচাল করতে হবে।

৫/ সিন্ডিকেট এর কোন গোপন খবরাখবর বাইরের কারো কাছে প্রকাশ করা যাবে না।

৬/

৭/

৮/



কপি পেস্টিয়ান ভাই বোনেরা আসুন আমরা আলোচনার মাধ্যমে সংগঠনের জন্য আরও কিছু নিয়মকানুন সংযুক্ত করি। এই ব্লগ দিবসের আগেই আমরা আমাদের সংগঠন টাকে দাঁর করানোর চেষ্টা করি। যাতে করে আমরা ব্লগ দিবসে আমাদের সংগঠনের ব্যানারে উপস্থিত থাকতে পারি।

" কপি পেস্টিয়ান অর্গানাইজেশন " এর সাফল্য কামনা করছি।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে আগস্ট, ২০২০ দুপুর ২:৪১
৪৫টি মন্তব্য ৪৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

টিকা না দেয়ার ফলাফল, COVID-19 এর নতুন ভার্সন B.1.1.529

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২৬ শে নভেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:২৯



দ: আফ্রিকা ও আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণ এলাকার দেশগুলোতে COVID-19'এর নতুন একটি ভার্সন, B.1.1.529 ধরা পড়েছে; বৃটেন ও ইসরায়েল দ: আফ্রিকার সাথে বিমান যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে, বিশ্বব্যাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রভু ! বারবার নষ্ট হয়ে যাই !

লিখেছেন স্প্যানকড, ২৬ শে নভেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫৪

ছবি নেট । চিত্র শিল্পী ক্যাথরিন লা রোজ।

জুম্মার দিনে কত জনে পাঞ্জাবি আতর সুবাস লাগাইয়া মসজিদে যায়। আমি জিন্স আর গোল গলার গেঞ্জি। একবার চোখে সুরমা দিছিলাম। দেখি নানু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছাত্র আন্দোলন ও এর যৌক্তিকতা

লিখেছেন প্রকৌশলী মোঃ সাদ্দাম হোসেন, ২৬ শে নভেম্বর, ২০২১ রাত ৮:১৫

৷৷

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫ এর (ক) অনুযায়ী নাগরিকের শিক্ষার ব্যবস্থা করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। সংবিধানের উপরোক্ত অনুচ্ছেদের আলোকে ছাত্ররা খুবই যৌক্তিক ভাবে শিক্ষা ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ফ্রি করার জোর দাবি জানাতে পারে। কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

বরিশাইল্যা হুজুর আর বিহারী নাপিতের কথোপকথন, এবং জীবনের আয়রনি

লিখেছেন হাসান মাহবুব, ২৬ শে নভেম্বর, ২০২১ রাত ৯:৫১


সেলুনে গিয়েছিলাম ছেলেকে নিয়ে। উদ্দেশ্য, তার চুল কাটানো এবং আমার শেভ করা। যদিও দুজনের চুলই যথেষ্ট বড় হয়েছিলো, কিন্তু চুল বিষয়ে বাপ-ব্যাটার দর্শন আলাদা। রুহিন চুল একটু বড় হলেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

সুন্নত

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৭ শে নভেম্বর, ২০২১ রাত ১:৫৫


ছবিঃ গুগল।

আমার এক বন্ধু কথায় কথায়-
আলহামদুলিল্লাহ্‌, মাশাল্লাহ বলে। এবং সুন্নত, ফরয পালন করে। যেমন আমার বন্ধু দাঁড়িয়ে পানি খায় না। বসে পানি খাওয়া সুন্নত। নবিজির সুন্নত।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×