অক্সিজেনের মোড় থেকে সিএনজি চালকদের যাত্রী নেওয়া নিষেধ কিন্তু সেখানে সবচেয়ে বেশী যাত্রী দাঁড়িয়ে থাকে
.
সাধারণত সিএনজি চালক ব্যস্ত পয়েন্টটি থেকে যাত্রী তুললে জ্যাম বেড়ে যায় তাই একটু দূরে সিএনজি পার্কিং করে যাত্রী নিলে কোন সমস্যা নেই
.
সিএনজি চালকরা সাধারণত মোড় থেকে যাত্রী নেয় তবে ট্রাফিক পুলিশও ঘাপটি মেরে থাকে কখন তারা যাত্রী নিবে আর ধরে কিছু পকেট থেকে বাহির করবে
.
কিছুদিন আগে দেখলাম এই অপরাধে সিএনজি চালকের চাবি নিয়ে গেছে ! কিছুক্ষণ পর বিশ টাকা দিয়ে চাবি উদ্ধার করেছে
.
সেদিন দেখলাম সিএনজি চালকের পকেট থেকে যা পেয়েছে নিয়ে গেছে তারপর ত্রিশ টাকা রেখে বাকীটা ফেরত দিয়েছে
.
মজার ঘটনা ঘটলো ঐ দিন ! সিএনজি চালককে বলতেছে বিশ টাকা দিতে ! সে বললো ওটা অমুক টিভি সাংবাদিকের গাড়ি ! সারাদিন ওমুক টিভির সাংবাদিককে নিয়ে ঘুরে এখন ভাড়া মারতে আসছি
.
পুলিশ বেচারা নারাজ ! তবুও বলছে বিশ টাকা দিতে ! তারপর সিএনজি চালক বললো গাড়ির পিছনে লেখা মালিকের নাম্বারে ফোন দিতে ! মালিক সাংবাদিক
.
পুলিশ বেচারা মুখ কালো করে চলে গেলো ! তারপর আমি জিঙ্গেস করলাম, ও ভাই আসলে কি অমুক সাংবাদিকের গাড়ি ? বললো না ! তবে সাংবাদিকটা পরিচিত তাই নাম্বার নিয়ে বডিতে লিখে রেখেছি ! এরপর থেকে কেউ আর চোখও দেয়না !
.
বেচারা চট্টমেট্রো সব জায়গায় দেদারচ্ছে ঘুরছে ছোট্ট টিপসটি এপ্লাই করে !
.
আসলে একটু বুদ্ধি খাটালেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়
.
যাই হোক সেই ট্রাফিক পুলিশ আবার আসলো ! এবার মন খারাপের সাথে কান্না কান্না স্বরে বললো, 'আমার মা খুব অসুস্থা বিশটা টাকা দে...!'
.
সিএনজি চালকৱ এবার বিশ টাকা বের করে দিলো আর বললো, 'ভাই যে কারণ দেখিয়েছে না দিয়ে পারলাম না !' তবুও বিশ টাকা তার চাই ই চাই !
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৬ রাত ৮:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




