'ভাইয়া একটু কথা ছিলো! কিভাবে যে বলবো বুঝতেছিনা! আপনার সাথে তো একমাস হলো চ্যাট করি! একদিন চ্যাট করতেছিলাম হঠাৎ আম্মু দেখে গেছে!'
.
ও এই কথা ৷ এটা কোন ব্যাপার হলো! একদিন তোমার সাথে চ্যাট করার সময় আমার বাবাও আড়চোখে তাকিয়ে ছিলো!
.
'আম্মু তোমার সাথে চ্যাট করছি দেখে তো অবাক! হা করে তাকিয়ে ছিলো!
.
আম্মুদের কাজ ই তো অবাক হওয়া! ছোট মেয়ে বড় হয়েছে যে হাটতে পারতো না সে আজ লুকিয়ে চ্যাটও করছে! অবাক তো হবেই!
.
'ধ্যাত শরীফ ভাইয়া কি যে বলেন না!'
.
ধ্যাত কি বলতে গিয়ে কি যে বলে ফেলি! আম্মু হয়তো আমার এতো সুন্দর প্রোফাইল পিক দেখে অবাক! হাজার হলেও ডি ক্যাপ্রিওর মতো চেহারা আমার! একবার এক মেয়ে কি বলেছিলো জানো?
.
কি বলেছিলো ভাইয়া?
.
'শরীফ ভাইয়া রিক্টার স্কেলে যদি আমি আপনার হাসি মাপি তাহলে আমার হৃদয়ে ৯.৫ মাত্রার ভূমিকম্প বয়ে যায় যা ১৯৬০ সালে চিলির উপর বয়ে গিয়েছিলো!'
.
সুতরাং তোমার আম্মু অবাক হতেই পারে!
.
'আরে না আম্মু জিজ্ঞেস করেছিলো এই ছেলেটা কে? ছেলেটাকে তো চিনা চিনা লাগে? কোথায় যেনো দেখেছি!'
.
শুধু তোমার আম্মু না আরো দুই একজন বলেছিলো ছবিটা তে আমাকে বিদেশী বিদেশী লাগে কিন্তু চীনা কেনো বললো বুঝলাম না! ওদের তো নাক বোচা চোখ ছোট!
.
'আরে চীনা না চিনা চিনা লাগছিলো বলেছে! পরে বলেছে ছেলেটার পুরো নাম কি? আমি বললাম আবদুর রব শরীফ! গল্প লেখে!'
.
তারপর মা বললো, 'ও চিনেছি!'
.
কি যে বলো চিনবে না মানে! এই যুগে চটি লেখককেও চিনে আর আমার মতো গল্প লেখককে চিনবে না তা কি হয়?
.
আরে ভাই পুরো কথা তো শুনবেন!
.
আচ্ছা বলো,
.
"মা তোমার আরো কিছু ছবি দেখে বলেছে ছেলেটা তো আমাদের ক্লাশমেট ছিলো!"
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



