somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নীরবতা

২১ শে জুন, ২০১৮ রাত ১০:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

হুমায়ুন আহমেদ কেনো সেরা তা একটি উক্তি দিয়ে বুঝা যায়, 'কখনো কখনো তোমার মুখটা বন্ধ রাখতে হবে। গর্বিত মাথাটা নত করতে হবে এবং স্বীকার করে নিতে হবে যে তুমি ভুল। এর অর্থ তুমি পরাজিত নও, এর অর্থ তুমি    পরিণত এবং শেষ বেলায় জয়ের হাসিটা হাসার জন্য ত্যাগ স্বীকারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ!'
.
পরিণত হতে পেরেছেন বলেই তিনি সেরাদের সেরা হয়ে সবার হৃদয় জয় করে নিয়েছিলেন!
.
বলা হয়ে থাকে সফল মানুষের ঠোঁটে দুটি জিনিস থাকে একটি নীরবতা অপরটি হাসি ৷
.
আরো বলা হয়ে থাকে নীরবে কঠোর পরিশ্রম করো একদিন সফলতা নিজেই তা ঢোল বাজিয়ে জানান দেবে ৷
.
কিংবদন্তি নাট্যকার জর্জ বার্নাড শ বলেছিলেন, 'নীরবতা হলো ঘৃণা প্রকাশের সবচেয়ে বড় অস্ত্র!'
.
বিখ্যাত দার্শনিক এপিকটেটাসের মতে, 'নীরব থাকো যখন কেবলি বলার প্রয়োজন তখনি বলো আর কেবল সংক্ষেপে বলো ৷'
.
জর্জ রিচার্ডও বলেছিলেন, 'নীরবতা মঙ্গল না করতে পারে কিন্তু ক্ষতি করে না।'
.
বিপ্লবী চে বলেছিলেন, ‘নীরবতা এক ধরনের যুক্তি যা গভীর তথ্য বহন করে।’
.
তবে ততক্ষণ পর্যন্ত নীরব থাকা উচিত যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি আপনাকে তৈরী করছেন!
.
ততক্ষণ পর্যন্ত নীরবতা যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি নিজেকে যোগ্য করে তুলতে পারছেন না!
.
নীরবতা নিয়ে জগদ্বিখ্যাত নেতা মার্টিন লুথার কিং বলেছিলেন, 'সবকিছুর শেষে আমরা আমাদের শত্রুদের বাক্য মনে রাখবো না কিন্তু বন্ধুর নীরবতা মনে রাখবো!'
.
নীরবতা তখনি ভঙ্গ করা উচিত যখন সবাই আপনার নীরব মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে এই আশায় এই মুখ দিয়ে আশার আলো ফুটবে,
.
হযরত আলী (রাঃ) বলেছিলেন, 'বুদ্ধিমানেরা কোনোকিছু প্রথমে অন্তর দিয়ে অনুভব করে, তারপর সে সম্বন্ধে মন্তব্য করে । আর নির্বোধেরা প্রথমেই মন্তব্য করে বসে এবং পরে চিন্তা করে ৷'
.
সবচেয়ে বড় কথা নীরব হয়ে থাকা মানে বোকা হয়ে থাকা নয় বরং আরো বেশী কিছু জানার জন্য শুনতে থাকা এবং নিজেকে তৈরী করে নেওয়া যাতে তুমি জয়ী হতে পারো কিংবা সঠিক বেপরাটি উপলব্দি করার ক্ষমতা অর্জন!
.
আমাদের মূল সমস্যা আমরা কোন কিছু ভালোভাবে না জেনে সব বিষয়ে মন্তব্য করা শুরু করি! যা মূর্খদের কাছে আপনাকে জ্ঞানী বানালেও জ্ঞানীদের কাছে আমি হাস্যকর পাত্র হয়ে থাকবেন!
.
নিজের ভুল স্বীকার করাতো দূরের কথা কেউ ভুল ধরলে তার গোষ্ঠী শুদ্ধ উদ্ধার করে ছাড়ি!
.
তাই আমরা কখনো পরিণত হতে পারিনা এবং বিজয়ের শেষ হাসিটা অধরায় থেকে যায়!
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জুন, ২০১৮ রাত ১০:১৪
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একটা অপরাধ দশটা অপরাধের সুযোগ করে দিতে পারে ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


রাড্ডা হাসপাতালে লুটপাট
ঢাকার মিরপুর এক নম্বরে রাড্ডা ক্লিনিকের ওপর দিয়ে যেন টর্নেডো বয়ে গেছে! গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতের অন্ধকারে ১৫০-২০০ জন দুর্বৃত্ত রাড্ডা ক্লিনিকের ভেতরে প্রবেশ করে রীতিমতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিজন দাদা, হারালে কোথায় ?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


নিত্য নতুন পোস্টের ভিড়ে
সেই চেনা মুখটি আজ আর দেখি না
কোথায় হারালে বিজন দাদা
ব্লগের উঠোনে তোমার সেই ছায়াটি আর মেলে না।

কোনো লেখা যখন সদ্য প্রসবের ব্যথায়
শব্দেরা যখন খুঁজত একটু... ...বাকিটুকু পড়ুন

সক্রেটিস ঈশ্বরের বাণী প্রচার করতেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১৫



সক্রেটিস মানুষের সাথে কথা বলতে ভালোবাসতেন। তিনি যখনই সময়ে পেতেন, মানুষের সমাগম যেখানেই হতো, সেখানেই তিনি বক্তব্য দিতেন। সেই বক্তব্যগুলো ছিলো, সক্রেটিসের ভাষায়, 'দৈব বাণী' বাঁ 'ঈশ্বরের বাণী'। এজন্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১১

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লাল বদরঃ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া একটি নতুন ও রাজনৈতিক কটূক্তিবাচক শব্দ বা স্লোগান। কোটা সংস্কার আন্দোলন ও সরকার পতনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সর্ব্বহারা

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০



দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়।
১৯৪৩ সালে জাপান ভারতে আচমকা বেশ কিছু বোমা হামলা করে। সম্ভবত হিটলারকে খুশি করতেই জাপান এই কাজ করে। একের পর এক বোমা ফেলে মাদ্রাজে (বতর্মান... ...বাকিটুকু পড়ুন

×