এগুলো আমার নিজ কানে শুনা গুজব,
.
চট্টগ্রামে দুদিন আগে অনেকে বলাবলি শুরু করেছিলো হালিশহরের ঐদিকে স্কুলের চারজন শিশু শিক্ষার্থী করোনায় আক্রান্ত!
.
তারপরের দিন আরেকটি গুজব শুনলাম চকবাজারের পার্ক ভিউ হাসপাতালে একজন করোনা রোগী পাওয়া গেছে কিন্তু সরকারের সাথে কথা বলার পর তাকে নাকি ইনজেকশন্ দেওয়ার পর সে মরে গেছে!
.
ওরে বাটপার...!
.
আজ সকালে উঠে শুনি চট্টগ্রামে দুইজন করোনা রুগী মারা গেছে কিন্তু সরকার তা প্রকাশ করছে না!
.
সবাই বলে বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী কারণে নাকি সরকার তা প্রকাশ করতে বাধা দিচ্ছে,
.
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তর ক্যাম্পাস থাকি, সেখানে রাতে শুনলাম আবদুর রব হলে ইতালি ফেরত এক যুবক তার বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে এসেছে তারা মে বি সাজেক যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো,
.
সঙ্গে সঙ্গে খবরটি পুরো চ.বি. পেরিয়ে বাংলাদেশ বিদেশ মিডিয়া চ্যানেল পেইজ ব্লগে ভাইরাল হয়ে গেলো!
.
তা ও তথ্য উপাত্ত প্রমাণসহ, তাদের জরুরী কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হলো সাথে সাথে পুরো হলের সবাই সেল্প কোয়ারেন্টাইনের সিন্ধান্ত নিলো,
.
বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ দেওয়ার আগেই যে যার মতো বাসায় চলে গেছে, হলগুলো ফাঁকা, এমনকি পুরো বিশ্ববিদ্যালয়!
.
গতকাল অফিস থেকে আসার সময় সরেজমিনে বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে এসে মনে হলো এমন নিরবতায় যেনো আমি সেল্প কোয়ারেন্টাইনে,
.
আজ ফ্রেন্ডলিস্টে একজন ট্রেনের ছবি দিয়ে বললো, সব বগি খালি!
.
ট্রেনের বগিগুলো যেনো এক একটা কোয়ারেন্টাইন কক্ষ!
.
এই যখন অবস্থা তখন কোন যুক্তিতে আপনারা গুজব রটান যে করোনাতে দেশ ভরে গেছে, এখানে ওখানে সেখানে মরছে...!
.
ওরে ভাই, গুজব ছড়াবেন না, এটা এমন একটা যুগ যেখানে নুসরাত ফারিয়া চাইলেও জোরে বাষ্পবায়ু ছাড়তে পারে না পাছে যদি ভাইরাল হয়ে যায়!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


