আজ আবার নাকি তনুর লাশ তোলা হইছে , পুনরায় ময়নাতদন্ত করার জন্য। একবার ময়নাতদন্ত করা হয়েছে আবার কেন তাহলে ? অনেক মিডিয়া ধুমছে প্রচার করছে তনু ধর্ষণ ও খুনের কথা , কিন্তু পুনঃ ময়নাতদন্ত করা হবে ধর্ষণের ঘটনা সম্পর্কে নিশ্চিত হবার জন্য।http://goo.gl/BQFBDK
ঘটনা কেমন হয়ে গেলো না ? সবাই বলছে তনু ধর্ষিতা , সেনাবাহিনী ধর্ষক , ক্যান্টনমেন্ট ধর্ষকের আবাসস্থল । ও হ্যাঁ ধর্ষক নাকি আবার প্রোটেকশন ব্যবহার করেছিলো , কারন সে জানত সেটা না করলে সে খুব সহজেই ধরা পরবে ।



একটু পেছনে ফিরে যাই । প্রায় এক দশক আগে । রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে । সেই ২০০৬ সাল। সেই সময় রাবির ভু-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক ডঃ এস তাহের স্যার তার নিজ বাসায় খুন হন । তাকে যখন খুজে পাওয়া যাচ্ছিলো না , ঠিক সেই সময় সকালে সেখানে উপস্থিত হন তার এক সহকর্মী জাহাঙ্গীর স্যার। যারা লাশ খুঁজছিলেন তাদের উদ্দেশ্যে জাহাঙ্গীর স্যার বলেন ,এদিকে খুজে লাভ নাই , রিজার্ভ ট্যাঙ্ক এ দেখো।” বলে তিনি চলে যান । তার কথামত ট্যাঙ্ক থেকে লাশ পাওয়া যায় । সন্দেহ হওয়ায় তাকে গ্রেফতার করা হয় । বিচার হয় । তার ফাসির আদেশ দেয় আদালত । উনি এখন রাজশাহী কারাগারে আছে ।
তনু মারা গেছে । কিন্তু সে ধর্ষিতা কিনা , তা যখন পুলিশ নিশ্চিত না , তখন কিভাবে এটা সবাই বলছে । আর সেই মহাজ্ঞানী কে , যিনি আবিস্কার করলেন , ধর্ষক প্রোটেকশন ব্যবহার করেছিলো । যে বা যারা এই দুই মহামুল্যবান তথ্য ছড়িয়েছে তাদের খুজে বের করলেই আসল কাহিনী বের হয়ে যাবে ।
এবার যাই সামনের দিকে । পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র চলছে । আর সেই ষড়যন্ত্রের পথে একমাত্র বাঁধা সেনাবাহিনী। (বিকৃত)বামপন্থীদের একটা অংশ সেই কারনে সেনাবাহিনীকে সহ্য করতে পারেনা। পাহাড়ে সেনাবাহিনী উপজাতি মেয়েদের ধর্ষণ করে এমন অপপ্রচার তারা ধুমছে চালায়। পাহাড় সংক্রান্ত ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন এনজিও, বিভিন্ন নারীনেত্রী, মানবাধিকার কর্মী মোটা অংকের অর্থ পেয়ে থাকে। তাদের উপার্জনের মুখে ছাই দেয়া সেনাবাহিনীকে তারা খুব একটা বাগে পায়নি । এবার তনু হত্যার পরও তারা নীরবই ছিলো । হটাত তিনদিন পর তাদের কেউ বা কাহারা প্রেসক্রিপশন ধরিয়ে দেয়ার পর তারা হটাত মশাল , মোমবাতি নিয়ে মাঠে নেমে গেলেন । আর নেমেই সরাসরি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রচার শুরু করে দিলেন। শাহবাগে সেনাবাহিনীর গাড়ি আটকে দেয়া হলো। সেখানে পুলিশকে রহস্যজনক ভুমিকায় দেখা গেলো। সেনাবাহিনীর গাড়িটি তাদের প্ল্যাকার্ড দিয়ে ঢেকে দিলো।

প্রতিবাদকারীরা কিছু প্ল্যাকার্ড বহন করছিলো । তাতে সেনাবাহিনীর উদ্দেশ্যে লেখা ছিলো – বাঁশের চেয়ে কঞ্চি মোটা হোস নে । কে বাঁশ আর কে কঞ্চি ????
একটা মেয়ে খুন হয়েছে (ধর্ষিত কিনা নিশ্চিত না), তার বিচার করবে রাষ্ট্র । তার জন্য আইন , আদালত , পুলিশ এসব আছে । সেনাবাহিনীর কেউ যদি এই খুন করে থাকে তাকেও আইনের আওতায় আনার দায়িত্ব পুলিশের । ইতিপূর্বে তারেক সাইদসহ অনেক সেনাসদস্যকে পুলিশ গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করেছে। এখানে যদি কোন অবহেলা থেকে থাকে তা পুলিশের , সেনাবাহিনীর না । তাহলে কেন এই সেনাবাহিনী বিরোধী বিদ্বেষ ছড়ানোর চেষ্টা । কেন বামপন্থীদের এই সেনাবিরোধি আস্ফালন ।
তনু হত্যার বিচার চাওয়া আর সেনাবাহিনী বিরোধি আস্ফালন এককথা না ।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ৯:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



